Showing posts with label আমেরিকা. Show all posts
Showing posts with label আমেরিকা. Show all posts

26 September 2019

নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সাথে মধ্যাহ্নভোজের পূর্বে তাকে কিসের ফাইল হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী!

নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সাথে মধ্যাহ্নভোজের পূর্বে তাকে কিসের ফাইল হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী!


স্টাফ রিপোর্টার।। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের মধ্যাহ্নভোজে দুই নেতার মধ্যে দুই দফা বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়।

বেলা সোয়া ১টার দিকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি পরে হাস্যোজ্জ্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভোজসভায় যোগ দেন, বসেন মিসরের স্বৈরশাসক সিসির পাশে। এর কিছুক্ষণ পরই সেখানে আসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই নেতার মধ্যে প্রথমে কুশল বিনিময় হয়, পরে কিছু সময় তারা আন্তরিকভাবে কথা বলেন।

মধ্যাহ্নভোজে একই টেবিলে বসেন শেখ হাসিনা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একটি ফাইল হস্তান্তর করেন। ভোজের আগেই ট্রামকে ফাইলটি গুরুত্বের সঙ্গে পড়তে দেখা গেছে। তবে ওই কথোপকথনে তাদের মধ্যে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা জানা যায়নি।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা সোয়া ১টার দিকে জাতিসংঘ সদর দফতরের মূল ভবনের দ্বিতীয় তলার নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জে মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের দেয়া মধ্যাহ্ন ভোজ সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দেয়া ১৯৬টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান বা তাদের প্রতিনিধিদের সম্মানে এ মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন গুতেরেস।

মধ্যাহ্নভোজে জাতিসংঘ মহাসচিবসহ একই টেবিলে বসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলসহ বিশ্বের পনেরো শীর্ষ নেতা। জাতিসংঘের প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের জন্য আসন ছিল নির্ধারিত। আসনের ওপরে সবার নাম লেখা ছিল। তবে ফাঁকা থাকের তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের চেয়ার, তিনি মিসরের স্বৈরশাসক সিসি একিই টেবিলে বসার কারনে ট্রাম্পের সাথে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন নি। মধ্যাহ্ন ভোজ সভা শুরুর দিকে বক্তব্য রাখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বক্তব্যে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্বাগত জানায়। সে বলে, জাতিসংঘ আমাদের সবার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংস্থাটির অভূতপূর্ব কর্মকাণ্ডের জন্য ভূয়সী প্রশংসা করে মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে ধন্যবাদ জানায় ট্রাম্প।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলে, ‘আগামী বছর জাতিসংঘের ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন করব আমরা। আর এবার আমরা উদযাপন করছি, বিশ্বের মানবজাতির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব চাঁদে অবতরণের পঞ্চাশতম বার্ষিকী।’ অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলে, ‘চাঁদে অবতরণের পরপরই মহাকাশচারী জাতিসংঘে এসেছিলেন এবং সে সময় ভিড় এত বেশি ছিল যে তাদের উত্তর লনে যেতে হয়েছিল।’

জাতিসংঘ মহাসচিব এরপর নীল আর্মস্ট্রংয়ের একটি উক্তি উদ্ধৃত করে- ‘আমরা পৃথিবীর নাগরিকরা যারা পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার কারণগুলোর সমাধান করতে পারি তারা এতে বসবাসের সমস্যাগুলোরও সমাধান করতে পারি।’ গুতেরেস বলে, নীল আর্মস্ট্রংয়ের এ উক্তি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার হোক, যাতে আমরা একসঙ্গে এমন একটি পৃথিবী তৈরি করতে পারি যেখানে সবাই শান্তিতে এবং সমৃদ্ধিতে বসবাস করতে পারবে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মধ্যাহ্ন ভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কি কথা হয়েছে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, তাদের মধ্যে আন্তরিক আলোচনা হয়েছে। এরচেয়ে বিস্তারিত আর কিছু বলতে চাননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া নৈশভোজেও অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা এতে যোগ দেন।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কঃ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে আসছে? বাংলাদেশে নিয়োগ পাওয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রায়ই বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে বা সক্রিয় হতে দেখা যায়? এরপর বিভিন্ন সময়ে এ সম্পর্কে যোগ হয়েছে নানা মাত্রা? বর্তমানে দেশটি বাংলাদেশের প্রধান রফতানি-গন্তব্য এবং রেমিটেন্সের অন্যতম উৎস।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশ চায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আশরাফুজ্জামান ও শেখ মুজিবের খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দীর্ঘদিন ধরেই দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ।

25 September 2019

ইরান ও আমেরিকার মধ্যস্থতায় ভূমিকা রাখতে চান ইমরান খানঃ ট্রাম্প

ইরান ও আমেরিকার মধ্যস্থতায় ভূমিকা রাখতে চান ইমরান খানঃ ট্রাম্প


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে ভূমিকা রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে অনুরোধ করেছে।

যদিও ট্রাম্প আভাস দিয়েছে, ইমরান খানই তার কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। কিন্তু কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্প ও ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইমরান খান। এর আগে দুদিনের সৌদি সফরে যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও তার বৈঠক হয়েছে। যুবরাজও তাকে একই অনুরোধ করেছেন বলে দাবি করেন ইমরান খান।

নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের এই সমাবেশে সাংবাদিকদের ইমরান খান বলেন, ট্রাম্প আমাকে বলেছেন- যদি আমি উত্তেজনা কমাতে পারি, তবে আরেকটি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে।

তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি অবগত হয়েছি। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টাটা করব। মঙ্গলবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পরেই রুহানির সঙ্গে বসেছি। এখন অবশ্য এর চেয়ে কিছু বলতে পারছি না। মধ্যস্থতার চেষ্টা করা ছাড়া এর বাইরে কিছু বলা সম্ভব নয়।

‘সৌদিতে তেল স্থাপনায় গত সপ্তাহের হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়। যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমানও আমাকে ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপ করতে বলেছেন,’ বললেন সাবেক এ ক্রিকেট কিংবদন্তি পাক প্রধানমন্ত্রী।

সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্প-রুহানির মুখোমুখি হওয়া নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোনও এ দুই নেতাকে বসাতে চেষ্টা করছেন। যদি এমন কিছু ঘটে, তবে সেটি হবে ঐতিহাসিক।

আলাদা এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেছে, তারা আলোচনায় বসতে চাচ্ছে। এখন সেটিই মনে হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা এখনও একমত হতে পারিনি।

ম্যাঁক্রোনের প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলেছে, সেও (ম্যাঁক্রোন) অবশ্য আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে। এ ছাড়া আরও কিছু লোক রয়েছে।

‘যার মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও রয়েছেন। বহুলোক, চান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল এখন চাচ্ছেন। সেও এ ক্ষেত্রে জড়িত। বহুলোক আমাদের এক টেবিলে বসাতে চাচ্ছে,’ বললো মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

কিন্তু সে ইমরান খানকে এমন কোনো অনুরোধ করেছে কিনা, জানতে চাইলে ট্রাম্প বলছে, ভালো, তিনি সেটি করতে চান। আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। কাজেই এমন কিছু ঘটার একটি সুযোগ রয়েছে।
আমেরিকায় উগ্র হিন্দুত্ববাদি মোদীর সমাবেশে মুসলিম সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা

আমেরিকায় উগ্র হিন্দুত্ববাদি মোদীর সমাবেশে মুসলিম সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। আমেরিকার হাস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘হাউডি মোদী’ অনুষ্ঠানে মুসলিম সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক তথা স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান হাসান মিনহাজকে সেখানে প্রবেশ করতে বাধা দিলে এ বিতর্ক উঠে। আর সেটি সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেতেই আরো অনেক মুসলিম সাংবাদিক জানান তাদেরও মুসলিম হবার দরুণ সেখানে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

গত রোববার ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে যুক্তরাষ্টে বসবাসকারী ভারতীয়রা।

প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায় অনুষ্ঠানে প্রবেশ করার মুখে হাসান মিনহাজের শুটিং টিম সহ তাকে প্রবেশে বাধা দেয়া হয়। এসময় হাসান এক কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে ভেতরে প্রবেশের অনুমতিপত্রের খোঁজ জানতে চাইলে তাকে জানানো হয় হাসানের জন্য কোন অনুমতিপত্র বরাদ্দ করা নেই। অথচ ভিডিওতে দেখা যায় টেবিলের সামনেই সাংবাদিকদের জন্য বেশ কিছু অনুমতিপত্র রাখা ছিল। ভিডিও-র পরের অংশে দেখা যায়, সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা অর্ধেকই ফাঁকা রয়েছে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর আরেক মার্কিন সাংবাদিক মারিয়া ক্যারি ভিডিওটি রিপোস্ট করে জানান, তিনিই একমাত্র মুসলিম সাংবাদিক নন, যাঁকে অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ ভারতের লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন সময়ে নেটফ্লিক্সে হাসান ‘প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট’ নামক একটি কমেডি অনুষ্ঠানে মোদীকে কটাক্ষ করেছিলেন। যা নিয়ে নেটিজেনদের ট্রোলিং-এর শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। ভিডিও-র পরের অংশে এক কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে হাসানকে জিজ্ঞেস করেন, ওই মজা করার জন্যই কি তাঁকে ভিতরে যেতে দেওয়া হল না? ওই কর্মকর্তা তা অস্বীকার করলেও হাসান বলেন, ওই জোক যে অনেকেরই পছন্দ হয়নি তা তিনি জানেন।
আমরা মোদিকে “ফাদার অব ইন্ডিয়া বলি” ডোনাল্ড ট্রাম্প

আমরা মোদিকে “ফাদার অব ইন্ডিয়া বলি” ডোনাল্ড ট্রাম্প


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মদির প্রসংশায় পঞ্চমুখ হয়ে বলেছে, আমরা মোদিকে ফাদার অব ইন্ডিয়া বলে আখ্যায়িত করি।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে মোদির প্রসংশায় ট্রাম্প তাকে ‘ফাদার অব ইন্ডিয়া’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।

ট্রাম্প বলে, প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন ভদ্রলোক ও মহান নেতা। আমার মনে আছে, যে আগে ভারতের অবস্থা ছিল খুবই খারাপ। সেখানে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ-দ্বন্দ্ব ছিল কিন্তু মোদি সবাইকে একজোটে নিয়ে কাজ করে চলেছে। বাবা যেমন সবাইকে আগলে একসঙ্গে নিয়ে চলে, মোদিও তাই করছে।

সেইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মোদিকে রকস্টার এলভিস প্রেসলির সঙ্গে তুলনা করেছে।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার সন্ধ্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস প্রদেশের রাজধানী হাস্টনে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী মোদি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য টুইট করে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানায় মোদি। টুইট বার্তায় মোদি লিখে, ‘প্রিয় ডোনাল্ড ট্রাম্প, হাস্টনে হাউডি মোদি অনুষ্ঠানে তোমার উপস্থিতি ভারত মার্কিন সম্পর্কের দিন নির্ণায়ক মুহূর্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই তুমি ভারত ও ভারতীয়দের বলিষ্ঠ বন্ধু হয়ে উঠেছ। তোমার উপস্থিতি ভারতীয় প্রতিনিধিত্বের প্রতি তোমার সম্মানের উদাহরণ। এর জবাবে মঙ্গলবার নিউইয়র্কে হাস্টনে মোদিকে একের পর এক বিশেষণে ভরিয়ে দিল ট্রাম্প।

24 September 2019

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মূল কারণ ট্রাম্পঃ সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মূল কারণ ট্রাম্পঃ সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি স্বীকার করেছে, আমেরিকা ইরানের সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তিভঙ্গ করায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

আর এ জন্য সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোষারোপ করছে। মার্কিন টিভি চ্যানেল সিবিএস নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সে এসব কথা বলে।

সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ইয়েমেনের সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলে, আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্যপূর্ণ নীতি-অবস্থানের মারাত্মক অভাব দেখা দিয়েছে।

আমরা ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে দেশটির বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করেছি। এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ প্রত্যাশিত ছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৮ সালের ৮ মে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতিগ্রহণ করে।

সে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী, বি-৫২ বোমারু বিমান ও এফ-২২ জঙ্গি বিমান প্রেরণ করে।

ইউরোপীয় দেশগুলো আমেরিকাকে ছাড়া এই সমঝোতা বাস্তবায়নের যে আশ্বাস দিয়েছে তার ওপর এখনও আস্থা রেখেছে তেহরান।

অন্যদিকে আমেরিকার একের পর এক আলোচনার প্রস্তাবের জবাবে তেহরান বলেছে, ওয়াশিংটন পরমাণু সমঝোতায় ফিরে এলেই কেবল তার সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইরান।