Showing posts with label আমেরিকা. Show all posts
Showing posts with label আমেরিকা. Show all posts

26 September 2019

নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সাথে মধ্যাহ্নভোজের পূর্বে তাকে কিসের ফাইল হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী!

নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সাথে মধ্যাহ্নভোজের পূর্বে তাকে কিসের ফাইল হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী!


স্টাফ রিপোর্টার।। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের মধ্যাহ্নভোজে দুই নেতার মধ্যে দুই দফা বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়।

বেলা সোয়া ১টার দিকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি পরে হাস্যোজ্জ্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভোজসভায় যোগ দেন, বসেন মিসরের স্বৈরশাসক সিসির পাশে। এর কিছুক্ষণ পরই সেখানে আসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই নেতার মধ্যে প্রথমে কুশল বিনিময় হয়, পরে কিছু সময় তারা আন্তরিকভাবে কথা বলেন।

মধ্যাহ্নভোজে একই টেবিলে বসেন শেখ হাসিনা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একটি ফাইল হস্তান্তর করেন। ভোজের আগেই ট্রামকে ফাইলটি গুরুত্বের সঙ্গে পড়তে দেখা গেছে। তবে ওই কথোপকথনে তাদের মধ্যে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা জানা যায়নি।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা সোয়া ১টার দিকে জাতিসংঘ সদর দফতরের মূল ভবনের দ্বিতীয় তলার নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জে মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের দেয়া মধ্যাহ্ন ভোজ সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দেয়া ১৯৬টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান বা তাদের প্রতিনিধিদের সম্মানে এ মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন গুতেরেস।

মধ্যাহ্নভোজে জাতিসংঘ মহাসচিবসহ একই টেবিলে বসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলসহ বিশ্বের পনেরো শীর্ষ নেতা। জাতিসংঘের প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের জন্য আসন ছিল নির্ধারিত। আসনের ওপরে সবার নাম লেখা ছিল। তবে ফাঁকা থাকের তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের চেয়ার, তিনি মিসরের স্বৈরশাসক সিসি একিই টেবিলে বসার কারনে ট্রাম্পের সাথে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেন নি। মধ্যাহ্ন ভোজ সভা শুরুর দিকে বক্তব্য রাখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বক্তব্যে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্বাগত জানায়। সে বলে, জাতিসংঘ আমাদের সবার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংস্থাটির অভূতপূর্ব কর্মকাণ্ডের জন্য ভূয়সী প্রশংসা করে মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে ধন্যবাদ জানায় ট্রাম্প।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলে, ‘আগামী বছর জাতিসংঘের ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন করব আমরা। আর এবার আমরা উদযাপন করছি, বিশ্বের মানবজাতির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব চাঁদে অবতরণের পঞ্চাশতম বার্ষিকী।’ অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলে, ‘চাঁদে অবতরণের পরপরই মহাকাশচারী জাতিসংঘে এসেছিলেন এবং সে সময় ভিড় এত বেশি ছিল যে তাদের উত্তর লনে যেতে হয়েছিল।’

জাতিসংঘ মহাসচিব এরপর নীল আর্মস্ট্রংয়ের একটি উক্তি উদ্ধৃত করে- ‘আমরা পৃথিবীর নাগরিকরা যারা পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার কারণগুলোর সমাধান করতে পারি তারা এতে বসবাসের সমস্যাগুলোরও সমাধান করতে পারি।’ গুতেরেস বলে, নীল আর্মস্ট্রংয়ের এ উক্তি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার হোক, যাতে আমরা একসঙ্গে এমন একটি পৃথিবী তৈরি করতে পারি যেখানে সবাই শান্তিতে এবং সমৃদ্ধিতে বসবাস করতে পারবে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মধ্যাহ্ন ভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কি কথা হয়েছে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, তাদের মধ্যে আন্তরিক আলোচনা হয়েছে। এরচেয়ে বিস্তারিত আর কিছু বলতে চাননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া নৈশভোজেও অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা এতে যোগ দেন।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কঃ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে আসছে? বাংলাদেশে নিয়োগ পাওয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রায়ই বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে বা সক্রিয় হতে দেখা যায়? এরপর বিভিন্ন সময়ে এ সম্পর্কে যোগ হয়েছে নানা মাত্রা? বর্তমানে দেশটি বাংলাদেশের প্রধান রফতানি-গন্তব্য এবং রেমিটেন্সের অন্যতম উৎস।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশ চায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আশরাফুজ্জামান ও শেখ মুজিবের খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দীর্ঘদিন ধরেই দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ।

25 September 2019

ইরান ও আমেরিকার মধ্যস্থতায় ভূমিকা রাখতে চান ইমরান খানঃ ট্রাম্প

ইরান ও আমেরিকার মধ্যস্থতায় ভূমিকা রাখতে চান ইমরান খানঃ ট্রাম্প


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে ভূমিকা রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে অনুরোধ করেছে।

যদিও ট্রাম্প আভাস দিয়েছে, ইমরান খানই তার কাছে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। কিন্তু কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্প ও ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইমরান খান। এর আগে দুদিনের সৌদি সফরে যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও তার বৈঠক হয়েছে। যুবরাজও তাকে একই অনুরোধ করেছেন বলে দাবি করেন ইমরান খান।

নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের এই সমাবেশে সাংবাদিকদের ইমরান খান বলেন, ট্রাম্প আমাকে বলেছেন- যদি আমি উত্তেজনা কমাতে পারি, তবে আরেকটি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে।

তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি অবগত হয়েছি। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টাটা করব। মঙ্গলবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পরেই রুহানির সঙ্গে বসেছি। এখন অবশ্য এর চেয়ে কিছু বলতে পারছি না। মধ্যস্থতার চেষ্টা করা ছাড়া এর বাইরে কিছু বলা সম্ভব নয়।

‘সৌদিতে তেল স্থাপনায় গত সপ্তাহের হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়। যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমানও আমাকে ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপ করতে বলেছেন,’ বললেন সাবেক এ ক্রিকেট কিংবদন্তি পাক প্রধানমন্ত্রী।

সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্প-রুহানির মুখোমুখি হওয়া নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোনও এ দুই নেতাকে বসাতে চেষ্টা করছেন। যদি এমন কিছু ঘটে, তবে সেটি হবে ঐতিহাসিক।

আলাদা এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেছে, তারা আলোচনায় বসতে চাচ্ছে। এখন সেটিই মনে হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা এখনও একমত হতে পারিনি।

ম্যাঁক্রোনের প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলেছে, সেও (ম্যাঁক্রোন) অবশ্য আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে। এ ছাড়া আরও কিছু লোক রয়েছে।

‘যার মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও রয়েছেন। বহুলোক, চান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল এখন চাচ্ছেন। সেও এ ক্ষেত্রে জড়িত। বহুলোক আমাদের এক টেবিলে বসাতে চাচ্ছে,’ বললো মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

কিন্তু সে ইমরান খানকে এমন কোনো অনুরোধ করেছে কিনা, জানতে চাইলে ট্রাম্প বলছে, ভালো, তিনি সেটি করতে চান। আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। কাজেই এমন কিছু ঘটার একটি সুযোগ রয়েছে।
আমেরিকায় উগ্র হিন্দুত্ববাদি মোদীর সমাবেশে মুসলিম সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা

আমেরিকায় উগ্র হিন্দুত্ববাদি মোদীর সমাবেশে মুসলিম সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। আমেরিকার হাস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘হাউডি মোদী’ অনুষ্ঠানে মুসলিম সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক তথা স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান হাসান মিনহাজকে সেখানে প্রবেশ করতে বাধা দিলে এ বিতর্ক উঠে। আর সেটি সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেতেই আরো অনেক মুসলিম সাংবাদিক জানান তাদেরও মুসলিম হবার দরুণ সেখানে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

গত রোববার ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে যুক্তরাষ্টে বসবাসকারী ভারতীয়রা।

প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায় অনুষ্ঠানে প্রবেশ করার মুখে হাসান মিনহাজের শুটিং টিম সহ তাকে প্রবেশে বাধা দেয়া হয়। এসময় হাসান এক কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে ভেতরে প্রবেশের অনুমতিপত্রের খোঁজ জানতে চাইলে তাকে জানানো হয় হাসানের জন্য কোন অনুমতিপত্র বরাদ্দ করা নেই। অথচ ভিডিওতে দেখা যায় টেবিলের সামনেই সাংবাদিকদের জন্য বেশ কিছু অনুমতিপত্র রাখা ছিল। ভিডিও-র পরের অংশে দেখা যায়, সাংবাদিকদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা অর্ধেকই ফাঁকা রয়েছে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর আরেক মার্কিন সাংবাদিক মারিয়া ক্যারি ভিডিওটি রিপোস্ট করে জানান, তিনিই একমাত্র মুসলিম সাংবাদিক নন, যাঁকে অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ ভারতের লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন সময়ে নেটফ্লিক্সে হাসান ‘প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট’ নামক একটি কমেডি অনুষ্ঠানে মোদীকে কটাক্ষ করেছিলেন। যা নিয়ে নেটিজেনদের ট্রোলিং-এর শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। ভিডিও-র পরের অংশে এক কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে হাসানকে জিজ্ঞেস করেন, ওই মজা করার জন্যই কি তাঁকে ভিতরে যেতে দেওয়া হল না? ওই কর্মকর্তা তা অস্বীকার করলেও হাসান বলেন, ওই জোক যে অনেকেরই পছন্দ হয়নি তা তিনি জানেন।
আমরা মোদিকে “ফাদার অব ইন্ডিয়া বলি” ডোনাল্ড ট্রাম্প

আমরা মোদিকে “ফাদার অব ইন্ডিয়া বলি” ডোনাল্ড ট্রাম্প


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মদির প্রসংশায় পঞ্চমুখ হয়ে বলেছে, আমরা মোদিকে ফাদার অব ইন্ডিয়া বলে আখ্যায়িত করি।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে মোদির প্রসংশায় ট্রাম্প তাকে ‘ফাদার অব ইন্ডিয়া’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।

ট্রাম্প বলে, প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন ভদ্রলোক ও মহান নেতা। আমার মনে আছে, যে আগে ভারতের অবস্থা ছিল খুবই খারাপ। সেখানে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ-দ্বন্দ্ব ছিল কিন্তু মোদি সবাইকে একজোটে নিয়ে কাজ করে চলেছে। বাবা যেমন সবাইকে আগলে একসঙ্গে নিয়ে চলে, মোদিও তাই করছে।

সেইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মোদিকে রকস্টার এলভিস প্রেসলির সঙ্গে তুলনা করেছে।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার সন্ধ্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস প্রদেশের রাজধানী হাস্টনে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী মোদি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য টুইট করে ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানায় মোদি। টুইট বার্তায় মোদি লিখে, ‘প্রিয় ডোনাল্ড ট্রাম্প, হাস্টনে হাউডি মোদি অনুষ্ঠানে তোমার উপস্থিতি ভারত মার্কিন সম্পর্কের দিন নির্ণায়ক মুহূর্ত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই তুমি ভারত ও ভারতীয়দের বলিষ্ঠ বন্ধু হয়ে উঠেছ। তোমার উপস্থিতি ভারতীয় প্রতিনিধিত্বের প্রতি তোমার সম্মানের উদাহরণ। এর জবাবে মঙ্গলবার নিউইয়র্কে হাস্টনে মোদিকে একের পর এক বিশেষণে ভরিয়ে দিল ট্রাম্প।

24 September 2019

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মূল কারণ ট্রাম্পঃ সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মূল কারণ ট্রাম্পঃ সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি স্বীকার করেছে, আমেরিকা ইরানের সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তিভঙ্গ করায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

আর এ জন্য সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোষারোপ করছে। মার্কিন টিভি চ্যানেল সিবিএস নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সে এসব কথা বলে।

সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ইয়েমেনের সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলে, আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্যপূর্ণ নীতি-অবস্থানের মারাত্মক অভাব দেখা দিয়েছে।

আমরা ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে দেশটির বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করেছি। এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ প্রত্যাশিত ছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৮ সালের ৮ মে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতিগ্রহণ করে।

সে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী, বি-৫২ বোমারু বিমান ও এফ-২২ জঙ্গি বিমান প্রেরণ করে।

ইউরোপীয় দেশগুলো আমেরিকাকে ছাড়া এই সমঝোতা বাস্তবায়নের যে আশ্বাস দিয়েছে তার ওপর এখনও আস্থা রেখেছে তেহরান।

অন্যদিকে আমেরিকার একের পর এক আলোচনার প্রস্তাবের জবাবে তেহরান বলেছে, ওয়াশিংটন পরমাণু সমঝোতায় ফিরে এলেই কেবল তার সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইরান।

23 September 2019

প্রবাসী উইঘুরদের চীনের কাছে হস্তান্তর করা হবেনাঃ যুক্তরাষ্ট্র

প্রবাসী উইঘুরদের চীনের কাছে হস্তান্তর করা হবেনাঃ যুক্তরাষ্ট্র


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা চীনের প্রবাসী উইঘুরদের বেইজিং-এর কাছে হস্তান্তর না করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রবিবার কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে এক বৈঠকে দেশগুলোর প্রতি এ আহ্বান জানান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।

মাইক পম্পেও বলেন, উইঘুর মুসলমানদের চীনে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে বেইজিং-এর দাবি যেন নাকচ করে দেয় মধ্য এশিয়ার দেশগুলো।

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মধ্য এশীয় দেশগুলোর সহায়তা চান মাইক পম্পেও। তিনি বলেন, এ লড়াইয়ে দেশগুলোর পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে চীনে উইঘুর নিপীড়নের বিষয়টির সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগসূত্র নেই। প্রকৃতপক্ষে চীন জিনজিয়াং অঞ্চল থেকে তার মুসলিম জনগোষ্ঠীকে মুছে দিতে চায়।

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশ উইঘুর মুসলিম। এই প্রদেশটি তিব্বতের মত স্বশাসিত একটি অঞ্চল। বিদেশি মিডিয়ার ওপর এখানে প্রবেশের ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু গত বেশ কয়েক ধরে বিভিন্ন সূত্রে খবর আসছে যে, সেখানে বসবাসরত উইঘুরসহ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা গণগ্রেফতারের শিকার হচ্ছে।

২০১৮ সালের আগস্টে জেনেভায় চীনের ওপর জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক কমিটির দুই দিনের বিশেষ সভায় উঠে আসে চীনে উইঘুরদের বন্দিশিবিরে আটকে রাখার বিষয়টি। সভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক কমিটির জাতিগত বৈষম্য বিষয়ক সংস্থা জানায়, চীনে ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমকে আটকে রাখা হয়েছে। চীনা কর্তৃপক্ষ স্বায়ত্তশাসিত উইঘুর প্রদেশকে কার্যত ‘বিশাল একটি বন্দিশিবিরে’ পরিণত করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলোও জাতিসংঘের কাছে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দিয়েছে। এসব প্রতিবেদনে উইঘুর মুসলিমদের গণহারে আটকের অভিযোগ তোলা হয় চীনের বিরুদ্ধে। তবে উইঘুরদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নকে ‘সন্ত্রাস ও চরমপন্থা’র বিরুদ্ধে লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকে বেইজিং।

চীনকে কেন অভিযুক্ত করা হচ্ছে?

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিটির কাছে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, উইঘুর মুসলিমদের গণহারে ধরে বিভিন্ন বন্দিশিবিরে নেওয়া হচ্ছে। এরপর সেসব শিবিরে তাদের জোর করে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর প্রতি আনুগত্য প্রকাশে বাধ্য করা হচ্ছে।

নির্বাসিত উইঘুর মুসলিমদের সংগঠন ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস তাদের এক রিপোর্টে বলেছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই উইঘুরদের আটক করা হচ্ছে। তাদের জোর করে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে স্লোগান দিতে বলা হচ্ছে।

ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস জানিয়েছে, বন্দিদের ঠিকমত খাবার দেওয়া হয় না এবং নানাভাবে নির্যাতন করা হয়। অধিকাংশ বন্দিকে দীর্ঘদিন আটকে রাখলেও তাদের অভিযুক্ত করা হয় না এবং কোনও আইনি সহায়তা নিতেও দেওয়া হয় না।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঈশ্বরে বিশ্বাস না করা চীনের কমিউনিস্ট পার্টি বিদেশি ধর্মীয় প্রভাব নিয়ে শঙ্কায় পড়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ এখন ‘সিনিসাইজ রিলিজিওন’ নামে এক প্রচারণা শুরু করেছে যাতে বলা হচ্ছে ‘ধর্মকে যতটা পারো চীনের মতো করে নাও।’ ইতোমধ্যেই সরকারিভাবে উইঘুরদের ঘরে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে হান সম্প্রদায়ের ‘গুপ্তচরদের।’ চীনের সরকারি এসব কর্মচারীরা উইঘুর পরিবারের সঙ্গে থাকেন, যাতে তাদেরকে ‘চীনা সংস্কৃতি’র সঙ্গে মানিয়ে নিতে সহায়তা করতে এবং প্রয়োজনে সরকারকে উইঘুরদের ‘অগ্রহণযোগ্য’ জীবনযাপন পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য দিতে পারেন।

আল জাজিরা জানিয়েছে, হান সম্প্রদায়ের ১০ লাখেরও বেশি সরকারি চাকরিজীবীকে উইঘুরদের পরিবারের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরা উইঘুর পরিবারের ‘সদস্য’ হয়ে পরিবারগুলোর ওপর নজরদারি করছে। এর বাইরে সরাসরি বন্দিশিবিরে রয়েছেন আরও বিপুল সংখ্যক উইঘুর মুসলিম। সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি, টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
কট্টর ইসলামপন্থীদের একসাথে মোকাবিলা করার অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের

কট্টর ইসলামপন্থীদের একসাথে মোকাবিলা করার অঙ্গীকার যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। মৌলবাদী ইসলামি কট্টরপন্থীদের মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত বদ্ধপরিকর। উভয়েই নিজ নিজ দেশকে কথিত নিরাপদ রাখার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করছে। তারা বলছে, আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে হবে। স্থানীয় সময় রবিবার বিকালে হাউস্টনে হাউডি মোদি শীর্ষক সমাবেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রের উগ্রপন্থী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সে বলেছে, আজ আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সামরিক বাহিনীর সব সাহসী সদস্যদের সম্মান জানাই, যারা আমাদের স্বাধীনতার সুরক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন। মৌলবাদী ইসলামপন্থীদের কবল থেকে নিরপরাধ মানুষের সুরক্ষায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে একই মঞ্চে ছিল ভারতের আরেক উগ্র হিন্দুত্ববাদি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্রাম্পের ভাষায়, “প্রধানমন্ত্রী মোদি, আমি তোমার সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি... আগের চেয়েও দেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে চাই। হোয়াইট হাউসে ভারতের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ভালো বন্ধু আগে কখনও ছিল না।” পুরো দুনিয়া মোদি-র নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী, সার্বভৌম ভারত প্রত্যক্ষ করছে বলেও মন্তব্য করে ট্রাম্প।

২০১৯ সালের জুনে ভারতের বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা যুক্ত দেশের মর্যাদা কেড়ে নিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ২২টি আমেরিকান পণ্যের ওপরে শুল্ক আরোপ করে দিল্লি। এ নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে তৈরি হওয়া অস্থিরতা দৃশ্যত ঢেকে দিয়েছে হাউডি মোদি অনুষ্ঠানের মঞ্চ। এদিনের অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, “আজকের মতো আমেরিকায় কখনও বিনিয়োগ করেনি ভারত। অন্যদিকে আমরাও ভারতে সেটাই করছি।

মোদি-র সঙ্গে একই মঞ্চে উপস্থিত হওয়াকে শক্তি ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বিশ্বের বৃহত্তম ও পুরানো গণতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আখ্যায়িত করে ট্রাম্প।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলে, “আমরা বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ করেছি। প্রত্যেকবারই ট্রাম্প ছিল উষ্ণ, বন্ধুত্ত্বপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য, উৎসাহী এবং বুদ্ধিমান... তার নেতৃত্বের ক্ষমতা, আমেরিকার জন্য তার স্বপ্ন, প্রত্যেক আমেরিকান নাগরিকের জন্য উদ্বেগ, আমেরিকার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বিশ্বাস এবং যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও মহান করে তোলার প্রচেষ্টা লক্ষ্য করেছি। সে ইতোমধ্যেই আমেরিকার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তুলেছে। বিশ্ব এবং আমেরিকার জন্য তিনি অনেক কিছু করেছে।” সূত্র: এনডিটিভি।
শুধুমাত্র মুসলিম বলে বিদ্বেষবশত অ্যামেরিকান বিমান থেকে নামিয়ে দেয়া হলো দুই ব্যক্তিকে

শুধুমাত্র মুসলিম বলে বিদ্বেষবশত অ্যামেরিকান বিমান থেকে নামিয়ে দেয়া হলো দুই ব্যক্তিকে

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রউফ আলখাওয়ালদেহ (বামে) ও ইসাম আবদুল্লাহ (মধ্যে)
আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবন্দরে মুসলিম বলে দুই ব্যক্তিকে বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ওই দুই ব্যক্তির নাম আব্দুর রউফ আলখাওয়ালদেহ ও ইসাম আবদুল্লাহ।

জানা গেছে, তারা দুজনেই টেক্সাসের ডালাসের বাসিন্দা। ঘটনার দিন তারা বাড়ি ফিরছিলেন। আব্দুর রউফ আলখাওয়ালদেহ ও ইসাম আবদুল্লাহ’র অভিযোগ, তারা মুসলিম বলে বিমান থেকে তাদের নামিয়ে দেয়া হয়। তাদের জানানো হয়েছিল, ক্রু সদস্য ও অন্যান্য যাত্রী তাদের সঙ্গে যাত্রা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছিলেন না, অপরাধ হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে তাদের ধর্ম ইসলাম কে।

আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, ‘এই দিনটি তার জীবনে সবচেয়ে অপমানজনক’। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ও উদ্বেগ প্রকাশ করে তাদের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর– বার্মিংহাম থেকে ডালাসে যাওয়ার জন্য ওই দুই মুসলিম ব্যাক্তি টিকিট বুক করেছিলেন। আমেরিকান এয়ারলাইন্সের আওতাধীন মিসা এয়ারলাইন্স নামে একটি আঞ্চলিক সংস্থা রয়েছে। সেই সংস্থার বিমানে তারা আলাদাভাবেই যাত্রা করছিলেন। বিমানে চাপার সময় একে অপরকে চিনতে পেরে দূর থেকে হাত দেখান। সেটাই হয়ে যায় কাল।

এরপরেই বিমানের ঘোষিকা জানান, ওই বিমানের সময় পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। তখন আবদুল্লাহ শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। আবদুল্লাহ দেখেন, দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে এক বিমান সেবিকা আড়ি পাতচ্ছেন।

এরপর বিমানের ক্রু সদস্যরা যাত্রীদের জানান, বিমানটি বাতিল হয়ে গেছে এবং তাদের বিমান থেকে নামতে হবে। আলখাওয়ালদেহ জানান, ‘এক বিমান সেবিকা তখনই এক যাত্রীর কানে ফিসফিস করে বলেন যে নিরাপত্তার খাতিরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।’

বিমান থেকে নামার পর সাদা পোশাকে একজন এফবিআই এজেন্ট তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। একটি আলাদা ঘরে নিয়ে গিয়ে তার নাম ও কাজের বিষয়ে জানতে চান। দীর্ঘক্ষণ তাদের জিনিস পত্রে তল্লাশি চালান।

কী কারণে এমনভাবে তল্লাশি চালানো হচ্ছে? এ বিষয়ে আবদুল্লাহ জিজ্ঞাসা করলে ওই এজেন্ট জানান, বিমানের ক্রু সদস্যরা পুলিশে খবর দিয়েছিল। তার সঙ্গে যাত্রা করতে ক্রু সদস্যরা ভরসা পাচ্ছেন না।

ওই এজেন্ট আরও বলেন, ক্রু সদস্যদের দাবি ছিল, সেখানে গিয়ে আবদুল্লাহ দু’বার বাথরুমে ফ্ল্যাস করেছেন। তাতে তাদের মনে সন্দেহ দানা বেঁধেছে।

আবদুল্লাহ বলেছেন, মুসলিম হওয়ার কারণেই তাকে এমন পক্ষপাতমূলক আচরণের সম্মূখীন হতে হয়েছে। তবে বিমান কতৃপক্ষ বলছে আমরা সকলকেই ইতিবাচক পরিষেবা দেয়ার চেষ্টা করে থাকি। বিষয়টির অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে।

22 September 2019

অ্যামেরিকায় বড় বিক্ষোভের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদি মোদি

অ্যামেরিকায় বড় বিক্ষোভের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদি মোদি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। কাশ্মীরে দমনপীড়নের দায়ে টেক্সাসের হাস্টনে ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর উপলক্ষে বিক্ষোভের আয়োজন করেছেন মার্কিন বংশোদ্ভূত কাশ্মীরিরা।

যে স্টেডিয়ামটিতে মোদির রোববারের সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে, সেটির বাইরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে। মোদির সঙ্গে ওই সমাবেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও থাকবে।

মোদির বিরুদ্ধে মার্কিন কাশ্মীরিদের অভিযোগ, উপত্যকাটিতে সে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর জন সিফটন বলে, মোদি যখন দেশের বাইরে, তখন তার জন্য এটা কোনো উদ্বেগ তৈরি করবে না। সে ভারতের অন্য প্রধানমন্ত্রীদের মতো না।

সে আরো বলেছে, নয়াদিল্লিতে মোদি হল এক ধরনের বুদ্বুদ। এখন দেশের বাইরে গিয়ে তার বিস্ফোরিত হওয়ার এবং কাশ্মীরে যা ঘটছে, তা নিয়ে কিছুটা সমালোচনার শোনার সময়।

গত ৫ আগস্ট কাশ্মীরের বিশেষ স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা কেড়ে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্বাবাদী সরকার। এরপর থেকে মুসলমান অধ্যুষিত রাজ্যটিতে যোগাযোগ অচলাবস্থা চলছে।

এদিকে কাশ্মীর দখল এবং সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে করা একটি মামলায় ২১ দিনের মধ্যে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকারের অন্যান্য সদস্যকে জবাব দিতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।

হাস্টনে মার্কিন জেলা আদালতে কাশ্মীর খালিস্তান রেফারেন্ডাম ফ্রন্ট একটি অভিযোগ দাখিল করলে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

অভিযোগে ফ্রন্ট বলছে, গত ৫ আগস্ট হিন্দুত্ববাদী মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার কাশ্মীর দখল করে নিয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ওই ভূখণ্ডকে মোদি সরকার ভারতের অন্তর্ভুক্ত করেছে।

মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অবৈধ দখলদারিত্বের দায়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিহ শাহ ও কানওয়াল জিৎ সিংকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে এ মামলায়।

দীর্ঘ এবং নজিরবিহীন কারফিউ জারি, যোগাযোগ অচলাবস্থা, বাসিন্দাদের মৌলিক প্রয়োজন অস্বীকার, অবৈধ আটক, গুম, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে গত ১৪ সেপ্টেম্বরে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে আসামিদের নিয়ন্ত্রণে ভূখণ্ডটির পরিস্থিতিকে ভীতিকর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে ভারতীয় বাহিনীর সংঘটিত সহিংসতা ও ভীতিপ্রদর্শনের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

কয়েকটি গ্রামের অর্ধশতাধিক প্রত্যক্ষদর্শী এপিকে বলেন, উপত্যকাটিতে ভারতীয় সরকার মারাত্মক নিরাপত্তা ধরপাকড় চালাচ্ছে। স্থানীয় লোকদের বেধরক পিটিয়েছে ভারতীয় সেনারা। কখনো কখনো লোকজনকে ধরে বৈদ্যুতিক শকও দেয়া হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে।
সৌদি আরবের অনুরোধে আমেরিকার সেনা মোতায়েন পবিত্র ভূমিতে

সৌদি আরবের অনুরোধে আমেরিকার সেনা মোতায়েন পবিত্র ভূমিতে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। সৌদি আরবের অনুরোধে এবার দেশটিতে সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতেও সেনা মোতায়েন করবে মার্কিন প্রশাসন। তবে দেশ দুইটিতে কতজন সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে তা উল্লেখ করা হয়নি। খবর বিবিসির।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা জোরদারে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাড়তি সেনাসদস্য এবং সামিরক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হবে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এস্পার এই ঘোষণা দেয়।

সে জানান, দেশ দুইটির অনুরোধের প্রেক্ষিতেই তাদের সহায়তার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সে আরো জানায়, সৌদি ও আরব আমিরাতের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করবে।

এর আগে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেয়। তবে সেসময় সে সামরিক দ্বন্দ্ব এড়ানোর ইঙ্গিত দেয়।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের দুটি বৃহৎ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে করে সৌদির তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে। এ হামলার দায় স্বীকার করে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত শিয়াপন্থী হুথি বিদ্রোহীরা। তবে এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব।

20 September 2019

হোয়াইট হাউসের কাছেই খ্রিস্টান জঙ্গিদের গুলিতে নিহত ১ আহত অনেক

হোয়াইট হাউসের কাছেই খ্রিস্টান জঙ্গিদের গুলিতে নিহত ১ আহত অনেক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। হোয়াইট হাউসের কাছেই ওয়াশিংটন ডিসির রাস্তায় খ্রিস্টান জঙ্গিদের গোলাগুলিতে এক ব্যক্তি নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে হোয়াইট হাউস থেকে তিন কিলোমিটার দূরে কলাম্বিয়া হাইটসে এ ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি কিংবা কী কারণে গোলাগুলি হয়েছে সেটাও পরিষ্কারভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

মেট্রোপলিটন পুলিশের কমান্ডার স্টুয়ার্ট এমেরম্যান বলেছে, সচারচর গোলাগুলির ঘটনা যে রকম হয়; এটা তেমন ঘটনা ছিল না।

সে বলেছে, ফোরটিনথ স্ট্রিট ও কলাম্বিয়া রোডের ক্রসিংয়ে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের উঠানের বাইরে গোলাগুলি হয়েছে।

‘গোলাগুলির কারণ খুঁজতে গোয়েন্দারা প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলছে এবং আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছে।’

আহত সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও সবাই প্রাণে বেঁচে যাবে বলে আশা প্রকাশ করে ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

এমেরম্যান বলেছে, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে গোয়েন্দারা। এছাড়া রোড আইল্যান্ড এনইতে দ্বিতীয় এক গোলাগুলিতে তিন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। কর্মকর্তা সিয়ান হিকম্যান বলেছে, আহতদের মধ্যে এক ব্যক্তি অচেতন অবস্থায় রয়েছে। তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।
হিন্দুত্ববাদি মোদিকে কাশ্মীর দখলের ব্যাখ্যা দিতে বলেছে মার্কিন আদালত

হিন্দুত্ববাদি মোদিকে কাশ্মীর দখলের ব্যাখ্যা দিতে বলেছে মার্কিন আদালত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। কাশ্মীর দখল এবং সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে করা একটি মামলায় ২১ দিনের মধ্যে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকারের অন্যান্য সদস্যকে জবাব দিতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।

টেক্সাসের হাউসটনে মার্কিন জেলা আদালতে কাশ্মীর খালিস্তান রেফারেন্ডাম ফ্রন্ট একটি অভিযোগ দাখিল করলে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।-খবর ডন অনলাইনের

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একটি যৌথ সমাবেশে ভাষণ দেয়ার কথা রয়েছে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

অভিযোগে ফ্রন্ট বলছে, গত ৫ আগস্ট হিন্দুত্ববাদী মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার কাশ্মীর দখল করে নিয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ওই ভূখণ্ডকে মোদি সরকার ভারতের অন্তর্ভুক্ত করেছে।

মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অবৈধ দখলদারিত্বের দায়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিহ শাহ ও কানওয়াল জিৎ সিংকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে এ মামলায়।

দীর্ঘ এবং নজিরবিহীন কারফিউ জারি, যোগাযোগ অচলাবস্থা, বাসিন্দাদের মৌলিক প্রয়োজন অস্বীকার, অবৈধ আটক, গুম, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে গত ১৪ সেপ্টেম্বরে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেসের(এপি) একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে আসামিদের নিয়ন্ত্রণে ভূখণ্ডটির পরিস্থিতিকে ভীতিকর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে ভারতীয় বাহিনীর সংঘটিত সহিংসতা ও ভীতিপ্রদর্শনের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

কয়েকটি গ্রামের অর্ধশতাধিক প্রত্যক্ষদর্শী এপিকে বলেন, উপত্যকাটিতে ভারতীয় সরকার মারাত্মক নিরাপত্তা ধরপাকড় চালাচ্ছে। স্থানীয় লোকদের বেধরক পিটিয়েছে ভারতীয় হানাদার বাহিনী। কখনো কখনো লোকজনকে ধরে বৈদ্যুতিক শকও দেয়া হয়েছে, এবং অনেক যুবক কে হত্যা করা হয়েছে বলেও খবরে বলা হয়েছে।