Showing posts with label সৌদি. Show all posts
Showing posts with label সৌদি. Show all posts

05 November 2019

ক্ষমতায় আসার পর একনাগাড়ে নিপীড়ন ও নির্যাতন চালিয়ে চালাচ্ছেন সৌদি যুবরাজ

ক্ষমতায় আসার পর একনাগাড়ে নিপীড়ন ও নির্যাতন চালিয়ে চালাচ্ছেন সৌদি যুবরাজ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। ক্ষমতায় আসার পর ব্যাপক সংস্কারে হাত দিয়ে বিশ্বজুড়ে নজর কাড়লেও নিজের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে বিরোধীদের ওপর একনাগাড়ে ঘোর নিপীড়ন ও নির্যাতন চালিয়ে এসেছেন সৌদি আরবের সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমান।

একটি মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গেছে। গেল বছরের অক্টোবরে মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার ঘটনার পর এমন একটি ধারনা তৈরি হয়েছে যে এই নিপীড়নের পথ থেকে তিনি সরে এসেছেন।

কিন্তু সোমবার হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, যুবরাজের সমালোচকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও তাদের পরিবারকে হয়রানিসহ নির্যাতনমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ তাদের পিছু ছাড়ছে না।

নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থাটির ৬২ পাতার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবরাজ ক্ষমতায় আসার পর সৌদি আরবের বিখ্যাত আলেম, নারী মানবাধিকারকর্মী ও রাজপরিবারের সদস্যসহ বিপুল সংখ্যক লোক তার নির্যাতনের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন।

২০১৭ সালের জুন থেকে রক্ষণশীল মুসলমান দেশটির কার্যত শাসকে পরিণত হয়েছে বাদশাহ সালমানের এই ছেলে।

এই পদোন্নতির পরে সৌদিতে তার রাজনৈতিক উত্থানের পথে কাঁটা হয়ে পড়তে পারে এমন যে কাউকে সম্পূর্ণভাবে কোণঠাসা করে রেখেছেন কর্তৃপক্ষ।

হিউম্যান রাইট ওয়াচ বলছে, সাবেক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযানের মধ্য দিয়ে তার শুদ্ধি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশের বিচার ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে রয়েল কোর্টের তত্ত্বাবধানেও নিয়ে আসেন তিনি।

এরপর থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষ ধারাবাহিক গ্রেফতারি অভিযান অব্যাহত রেখেছে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মুসলিম ধর্মীয় নেতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীসহ ৭০ জন সমালোচককে কারাগারে পাঠিয়েছেন যুবরাজ।

একই বছরের নভেম্বরে অন্তত ৪০ জন অভিজাত যুবরাজ, ব্যবসায়ীকে রিয়াদের রিটজ-কার্লটন হোটেলের আটকে রাখেন তিনি।

অভিযানকে রাষ্ট্রীয় ভাণ্ডার থেকে অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে চালিয়ে দেন পশ্চিমা বিশ্বে এমবিএস নামে পরিচিত মোহাম্মদ বিন সালমান।

পরের বছর মে থেকে তার এই শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছিল। তখন কয়েক ডজন নারী অধিকার কর্মীকে আটক করা হয়। তাদের অনেককে কারা হেফাজতে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এইচআরডব্লিউ বলছে, অভিযানের পাশাপাশি সরকারি সংবাদমাধ্যমে আটকদের নিয়ে নিন্দা ও অপরাদ রটানো হয়েছে।

‘সরকারি নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় শান্তিপূর্ণ সমালোচনার জন্য নাগরিকদের আটক সৌদি আরবে নতুন কোনো ঘটনা না,’ জানায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

‘কিন্তু ২০১৭ সালের পরবর্তী আটকের প্রবাহ উল্লেখযোগ্য ও ভিন্ন ধরনের। খুবই কম সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক লোককে অভিযানের লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। পাশাপাশি নিপীড়নের নতুন চর্চাও প্রবর্তন করা হয়েছে।’

ধরপাকড়ের পাশাপাশি সংস্কারের সঙ্গে আধুনিকতার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন মোহাম্মদ বিন সালমান। বিশেষ করে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমোদন, পুরুষ সঙ্গী ছাড়াই বিদেশ ভ্রমণ ও পাসপোর্ট ইস্যুর করছে তার সরকার।

বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ জানায়, মোহাম্মদ বিন সালমান বিনোদনের একটি খাত সৃষ্টি করেছেন। নারীদের ভ্রমণ ও গাড়ি চালানোর অনুমোদন দিয়েছেন। কিন্তু দেশের প্রধান সংস্কারপন্থী ও মানবাধিকার কর্মীদের তার নজরদারিতে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ তাদের মধ্যে অনেকেই সংস্কারের ডাক দিয়েছিলেন।

মানবাধিকার সংস্থাটির মতে, একটি সত্যিকার সংস্কারগামী সৌদি আরব তাদের গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকারকর্মীদের হয়রানি, আটক ও নির্যাতনের শিকার বানাবে না।

তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটের সাংবাদিক খাসোগিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এই অপরাধ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। এ ঘটনার পর এখন পর্যন্ত ৩০ জনকে আটক ও গ্রেফতার করা হয়েছে।

29 September 2019

ব্যক্তিগত বিবাদের কারণে পতিপক্ষের গুলিতে সৌদি বাদশাহ সালমানের দেহরক্ষী নিহত

ব্যক্তিগত বিবাদের কারণে পতিপক্ষের গুলিতে সৌদি বাদশাহ সালমানের দেহরক্ষী নিহত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের দেহরক্ষী মেজর জেনারেল আব্দুল আজিজ আল ফাঘাম গুলিতে নিহত হয়েছেন। ব্যক্তিগত বিবাদের কারণে তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

গতকাল জেদ্দায় তার বন্ধুর বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন ফাঘাম। সেখানেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সৌদি পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, আব্দুল আজিজ আল ফাঘাম জেদ্দাতে নিহত হয়েছেন। তিনি তার বন্ধু তুর্কি আল সাবতির বাসা বেড়াতে গিয়েছিলেন। সে সময় ওই বাসায় মামদৌহ বিন মিশাল আল আলি নামের এক ব্যক্তিও বেড়াতে আসেন। একপর্যায়ে আল আলি ও আল ফাঘাম কথাবার্তার  তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় আল আলি পিস্তল দিয়ে আল ফাঘামকে গুলি করেন। দুজনের মধ্যে ব্যক্তিগত ও অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে তর্কবিতর্ক হয়েছিল বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে আল আলি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এ সময় পুলিশ পাল্টা গুলি ছুঁড়লে আল আলি নিহত হন। পরে আল ফাঘামকে হাসপাতালে নেয়া হলে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় তুর্কি আল সাবতি ও তার এক ফিলিপিনো কর্মচারীসহ পাঁচ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আহত হন। সূত্রঃ খালিজ টাইমস, আল-আরাবিয়া।

26 September 2019

অবশেষে সাংবাদিক খাসোগি হত্যাকাণ্ডের দায় সৌদি যুবরাজ নিয়েছে (ভিডিও)

অবশেষে সাংবাদিক খাসোগি হত্যাকাণ্ডের দায় সৌদি যুবরাজ নিয়েছে (ভিডিও)


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। তুরস্কের ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাসোগির চাঞ্চল্যকার হত্যাকাণ্ডের দায় নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমান।

তিনি বলেন, আমার নজরদারিতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

গত বছরের অক্টোবরে সৌদি আরবের একদল আততায়ী মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের ওই সাংবাদিককে নির্মমভাবে হত্যা করে।

পিবিএসের একটি প্রামাণ্যচিত্রে দায় স্বীকার করে এই বক্তব্য দিয়েছেন পশ্চিমা বিশ্বে এমবিএস নামে পরিচিত ওই যুবরাজ। আগামী সপ্তাহে ওই প্রামাণ্যচিত্রটি সম্প্রচার করা হবে।

বিশ্ব বিখ্যাত ওই সাংবাদিককে হত্যাকাণ্ড নিয়ে এর আগে প্রকাশ্যে কথা বলেননি সৌদি আরবের কার্যত নেতা মুহম্মদ বিন সালমান। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ও পশ্চিমা সরকারগুলো আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য তাকেই দায়ী করে আসছিল।

কিন্তু সৌদি কর্মকর্তারা দাবি করেন, এতে তার কোনো হাত ছিল না।

সৌদি কনস্যুলেটে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন ওঠে। এতে বিশ্বজুড়ে যুবরাজের ভাবমর্যাদা যেমন প্রশ্নের মুখে পড়েছে, তেমনি সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহকারী সৌদি অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করতে তার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাও বাধার মুখে রয়েছে।

ধর্মীয় নীতিতে গড়ে ওঠা সৌদি সমাজকেও উন্মুক্ত করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন সৌদির এ প্রভাবশালী যুবরাজ। তবে ওই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপে সফরে যাননি।

মার্কিন দাতব্য সংস্থা গণসম্প্রচার সার্ভিসের (পিবিএস) মার্টিন স্মিথকে তিনি বলেন, ‘এটা আমার নজরদারিতে ঘটেছে। আমি সব দায়িত্ব নিচ্ছি, কারণ এটা আমার নজরদারিতে ঘটেছে।’ ‘সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরিশিরোনামের প্রামাণ্যচিত্রটির প্রাক-প্রচার নিরীক্ষা থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।

জামাল খাসোগির মৃত্যুবার্ষিকীর এক বছর পূর্ণ হওয়াকে সামনে রেখে আগামী ১ অক্টোবর ওই প্রামাণ্যচিত্রটি সম্প্রচার করা হবে।

প্রথম দিকে ওই হত্যাকাণ্ডে যোগসাজশের কথা অস্বীকার করে দুর্বৃত্তদের দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন সৌদি কর্মকর্তারা। সরকারি কৌঁসুলি বলেন, তখনকার গোয়েন্দা উপপ্রধান তাকে প্রত্যাবাসনের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

তখনকার শীর্ষ রাজকীয় উপদেষ্টা সৌদ আল-কাহতানি স্কাইপের মাধ্যমে খাসোগিকে হত্যার নির্দেশ দেন। অভিযানের আগে খাসোগির তৎপরতাবিষয়ক আততায়ী দলকে তিনি এ নির্দেশনা দিয়েছিলেন বলে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে।

মার্টিন স্মিথের উদ্ধৃতি অনুসারে, তার (যুবরাজ) জ্ঞাতসার ছাড়া এই হত্যাকাণ্ড কীভাবে সম্ভব প্রশ্নে মুহম্মদ বিন সালমান বলেন, আমাদের দুই কোটি জনসংখ্যা রয়েছেন। আর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ৩০ লাখ।

হত্যাকারীরা সরকারি প্রাইভেট বিমান ব্যবহার করেছিলেন কিনা প্রশ্নে সৌদি কার্যত নেতা বলেন, বিষয়গুলো দেখভাল করার জন্য আমাদের মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা রয়েছেন। তারা দায়ী। তা করার কর্তৃত্ব তাদের রয়েছে।

গত জুনে এক সৌদি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, খাসোগি হত্যাকাণ্ডে দায়ীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে রিয়াদকে চাপে রেখেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

খুবই গোপনীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১১ সৌদি সন্দেহভাজনকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। কিন্তু হাতেগোনা কয়েকটা শুনানি হয়েছে মাত্র।

এ ঘটনায় তদন্ত করতে যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমান ও জ্যেষ্ঠ সৌদি কর্মকর্তাদের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট খাসোগিকে গত বছরের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। তুর্কি নারী খাদিজা সেনগিজকে বিয়ে করতে আগের বিয়ের কাগজপত্র আনতে সেদিন তিনি ওই কনস্যুলেটে গিয়েছিলেন।

তার মরদেহ কেটে টুকরো টুকরো করে ওই ভবন থেকে সরানো হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়। এ পর্যন্ত তার মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

23 September 2019

সৌদির বিমান হামলায় ইয়েমেনের এক মসজিদে একই পরিবারের ৫ জন নিহত

সৌদির বিমান হামলায় ইয়েমেনের এক মসজিদে একই পরিবারের ৫ জন নিহত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা বলেছেন, দেশটির ওমরান প্রদেশে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় একটি পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আল-মাসিরাহ টেলিভিশনের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন তথ্য জানিয়েছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট একটি মসজিদে হামলা চালায়। হামলা শুরু হওয়ার সময় নিহতরা ওই মসজিদে আশ্রয় নিয়েছিলেন। একই পরিবারের আরও দুটি শিশু নিখোঁজ রয়েছে।

তাদের খোঁজে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তল্লাশি চলছে। এ বিষয়ে সৌদি আরবের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এমন এক সময়ে এই হামলা চালানো হয়েছে, যার সপ্তাহখানেক আগে সৌদি আরবের দুটি তেল স্থাপনায় হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় দেশটির তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে পড়েছিল।

যদিও সৌদি ও যুক্তরাষ্ট্র ওই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করছে। ইরান বারবার সেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এদিকে শান্তি উদ্যোগের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে সব ধরনের হামলা বন্ধ করার যে প্রস্তাব হুতি বিদ্রোহীরা দিয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বিবিসি জানিয়েছে, এই প্রস্তাব যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানোর ইচ্ছার শক্তিশালী বার্তা দিতে পারে বলে এক বিবৃতিতে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘ।

সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এক সপ্তাহ পর হুতিরা এ প্রস্তাবটি দিয়েছে।

22 September 2019

ইমরান খানকে বাণিজ্যিক বিমান থেকে নামিয়ে নিজের ব্যক্তিগত বিমানে নিউইয়র্ক পাঠিয়েছে এমবিএস

ইমরান খানকে বাণিজ্যিক বিমান থেকে নামিয়ে নিজের ব্যক্তিগত বিমানে নিউইয়র্ক পাঠিয়েছে এমবিএস


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। সৌদি আরব সফর শেষে নিউইয়র্কে রওনা দেয়ার সময় পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেছে সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মুহম্মদ বিন সালমান।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্র যেতে ইমরান খানকে নিজের ব্যক্তিগত বিমানটি দিয়েছে যুবরাজ। দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

ইন্ডিয়া টুডের খবর বলছে, শনিবার সৌদি যুবরাজের একটি বিশেষ বিমানে নিউইয়র্কে পৌঁছান ইমরান খান।

খবরে জানা গেছে, নিউইয়র্ক যেতে যখন তিনি একটি বাণিজ্যিক বিমানে উঠছিলেন, তখন তাকে থামিয়ে দেয় যুবরাজ। এরপর এ সফরের জন্য তাকে নিজের ব্যক্তিগত বিশেষ বিমানটি ব্যবহারের অনুরোধ জানান এমবিএসখ্যাত মুহম্মদ বিন সালমান।

এ সময় ইমরান খানকে যুবরাজ বলে, আপনি আমাদের বিশেষ অতিথি, কাজেই আমার বিশেষ বিমানে আপনি যুক্তরাষ্ট্র যাবেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরাইশি, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. আবদুল হাফিজ শেখ, প্রবাসী পাকিস্তানি বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী জুলফিকার আব্বাস বুখারী এ সময় ইমরান খানের সঙ্গে ছিলেন।

দুদিনের সফরে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদি ও যুবরাজ মুহম্মদ বিন সালমান ছাড়াও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন।

কিছু সংবাদমাধ্যম বলছে, সৌদি এয়ারলাইনসের একটি চার্টার্ড বিমানে মদিনা মুনাওয়ারা থেকে ইমরান খান নিউইয়র্ক সফরে গেছেন।

গণমাধ্যমে কুরাইশি বলেন, কাশ্মীরে কী ঘটছে, তা নিয়ে বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সাত দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন ইমরান খান।