Showing posts with label অপরাধ. Show all posts
Showing posts with label অপরাধ. Show all posts

11 November 2019

ফেনীতে নেই ফাঁসির মঞ্চ, কুমিল্লা-চট্টগ্রামে যাচ্ছে নুসরাত হত্যার আসামিরা

ফেনীতে নেই ফাঁসির মঞ্চ, কুমিল্লা-চট্টগ্রামে যাচ্ছে নুসরাত হত্যার আসামিরা

ফাইল ছবি
স্টাফ রিপোর্টার।।ফেনী জেলা কারাগারে পৃথক কনডেম সেল ও ফাঁসির মঞ্চ না থাকায় নুসরাত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি অনুমোদন দিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা।

ফেনী জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে ১৪ জনকে কুমিল্লা ও দুইজন মহিলা আসামিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে। এদের মধ্যে ১৩ জনকে মঙ্গলবার কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে।

তিনি আরো জানান, মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজউদ দৌলার ১৩ তারিখ আদালতে মামলার দিন ধার্য আছে। এ জন্য আদালতের কার্যক্রম শেষে তাকে ওই দিনই কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে। আর বুধবার মহিলা আসামি কামরুন নাহার মনি ও উম্মে সুলতানা ওরফে পপিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- অধ্যক্ষ সিরাজউদ দৌলা, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, হাফেজ আব্দুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে তুহিন ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মোহাম্মদ শামীম, মাদরাসার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি রুহুল আমীন ও মহিউদ্দিন শাকিল।

২৪ অক্টোবর আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলার ১৬ আসামির সবাইকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ। আসামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান নুসরাত।

ফেনী জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের বলেন, যে সকল আসামির দীর্ঘ মেয়াদি শাস্তি ও মৃত্যুদণ্ড হয়, সে সকল আসামিদের জেলা কারাগারে না রেখে নিরাপত্তা জনিত কারণে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর জন্য কারাবিধিতে নির্দেশনা রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কারাগারগুলোতে জনবল ও কনডেম সেলের সংখ্যা বেশি। তাদের পরিচালনার জন্য যা যা প্রয়োজন সব সেখানে রয়েছে। ফেনী জেলা কারাগারে ফাঁসির কোন মঞ্চ নেই, সেখানে সব রয়েছে।
কুষ্টিয়ায় তাহাজ্জুদ নামাজরত মুয়াজ্জিনের ওপর হামলা

কুষ্টিয়ায় তাহাজ্জুদ নামাজরত মুয়াজ্জিনের ওপর হামলা



জেলা প্রতিনিধি।। কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় মসজিদে মো. এমদাদুল ইসলাম (৬০) নামে নামাজরত মুয়াজ্জিনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১০ নভেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের হিজলাবট জামে মসজিদে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার সময় মুয়াজ্জিন মসজিদের ভেতরে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়রত অবস্থায় ছিলেন। আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মুয়াজ্জিন মো. এমদাদুল ইসলাম বলেন, ফজরের আজানের কিছুটা সময় বাকি থাকায় আমি তাহাজ্জুদের নামাজে দাঁড়াই। এমন সময় পেছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাকে আঘাত করা হয়। এ সময় চিৎকার করলে কালো জ্যাকেট পরা এক ব্যক্তি পালিয়ে যায়। তবে ওই ব্যক্তি এক জোড়া স্যান্ডেল ফেলে গেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের হিজলাবট জামে মসজিদে ৫০ বছর ধরে মুয়াজ্জিন হিসেবে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করছেন এমদাদুল ইসলাম।

ওসমানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, আহত মুয়াজ্জিন এমদাদুল ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি সৎ মানুষ। সারাজীবন মসজিদ নিয়ে পড়ে আছেন তিনি। তার ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, মুয়াজ্জিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তার একটি ক্ষতে প্রায় ১৭টি সেলাই দেয়া হয়েছে।

খোকসা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান বলেন, সোমবার সকালে খবর পেয়ে ওই এলাকায় যাই। আহত মুয়াজ্জিনকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

08 November 2019

মৌলভীবাজারে ময়লার ভাগাড়ে নবজাতকের খণ্ডিত মাথা

মৌলভীবাজারে ময়লার ভাগাড়ে নবজাতকের খণ্ডিত মাথা


স্টাফ রিপোর্টার।। মৌলভীবাজার বড়লেখা উপজেলায় এক নবজাতকের খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দুইটার দিকে পৌরসভার পাখিয়ালা এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পাশের আবর্জনার ভাগাড় থেকে মাথাটি উদ্ধার করা হয়।

বড়লেখা থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক জানান, খবর পেয়ে নবজাতকের মাথার অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কেউ অবৈধভাবে গর্ভপাত ঘটিয়ে নবজাতকটিকে ময়লার ভাগাড়ে ফেলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক সময় এভাবে ফেলে গেলে কুকুর টেনে-হেঁচড়ে দেহ খেয়ে নিতে পারে।

07 November 2019

বাড়িতে মায়ের লাশ রেখে জেডিসি পরীক্ষা দিল মেয়ে!

বাড়িতে মায়ের লাশ রেখে জেডিসি পরীক্ষা দিল মেয়ে!



জেলা প্রতিনিধি।। বাড়িতে মায়ের লাশ রেখে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে জেমি আক্তার নামের এক জেডিসি পরীক্ষার্থী। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সমিরউদ্দিন স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের ২০১নং কক্ষে মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিশ্রামপুর দাখিল মাদরাসা থেকে জুনিয়র দাখিল পরীক্ষা (জেডিসি) দিচ্ছে সে।

বৃহস্পতিবার মায়ের লাশ বাড়িতে রেখে বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ওই পরীক্ষার্থী। জেমি আক্তার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের বিশ্রামপুর আগাটলা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে।

কেন্দ্র সচিব ও বড়পলাশবাড়ী আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ কুসুম উদ্দীন জানান, পুরো ৩ ঘণ্টা-ই পরীক্ষা দিয়েছেন ওই পরীক্ষার্থী। চোলে জল নিয়ে পরীক্ষা দিতে আসলেও শান্তনা প্রদানের সময় পরীক্ষা ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছে জেমি।

পরীক্ষার্থীর ভাই খাদেমুল ইসলাম জানান, গত দেড় বছর ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন তার মা রোকেয়া খাতুন (৩০)। গত তিন মাস হলো গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার ভোরে আনুমানিক সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার সময় তিনি মারা যান। দুপুরে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে মা রোকেয়া খাতুনকে। সকালে খালি মুখে চোখে জল নিয়ে পরীক্ষা দিতে গেছে তার আদরের ছোট বোন জেমি আক্তার। মাকে হারিয়ে ভাইবোন দুজনেই অসহায় হয়ে গেলেন বলে দুঃখ প্রকাশ করেন খাদেমুল।

পরীক্ষার্থী জেমি আক্তারের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার মো. আলাউদ্দীন আল আজাদ ও  জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম।
অন্ধ ছাত্রীকে চার মাস ধরে ধর্ষণ করলেন দুই হিন্দু অন্ধ শিক্ষক!

অন্ধ ছাত্রীকে চার মাস ধরে ধর্ষণ করলেন দুই হিন্দু অন্ধ শিক্ষক!



স্টাফ রিপোর্টার।। দৃষ্টিহীন ছাত্রীকে টানা চার মাস ধরে ধর্ষণ করলেন দুই দৃষ্টিহীন শিক্ষক! ধর্ষকদের মধ্যে একজনের বয়স ৬২। আর ওই ছাত্রীর বয়স ১৫ বছর। ভারতের রাজকোটের মন্দির শহর আম্বাজিতে এ ঘটনা ঘটেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, গত মাসে দীপাবলির ছুটিতে পাটান জেলার রাধানপুর তালুকায় নিজের গ্রাম প্রেমনগরে গিয়ে বোনের কাছে সব খুলে বলেন ওই কিশোরী। ছুটি শেষ হয়ে যাওয়ার পরও স্কুলে যেতে চাইছিল না সে। এতে সন্দেহ হয় পরিবারের। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী তার স্কুলের দুই শিক্ষক চমন ঠাকুর (৬২) ও জয়ন্তী ঠাকুরের (৩০) কুকীর্তির কথা জানায়। এরপরই পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয় অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় একটি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে গান শেখার জন্য গত জুলাইয়ে স্কুলটিতে ভর্তি হয় ওই কিশোরী। স্কুলে বিশেষভাবে সক্ষমদের ভোকেশনাল ট্রেনিং ও কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা হয়। স্কুলের হোস্টেলে থাকতো মেয়েটি।

গত ৪ নভেম্বর পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, ২ মাস আগে মিউজিক রুমে প্রথম মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন জয়ন্তী ঠাকুর। তিনদিন পর ওই একই ঘরে তাকে ফের ধর্ষণ করে চমন। এরপর নবরাত্রির আগে ফের জয়ন্তী মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকে যৌন নির্যাতন। সহ্য করতে না-পেরে স্কুলের অন্য তিনজন শিক্ষককে বিষয়টি জানিয়েছিল মেয়েটি।

আম্বাজির পুলিশ পরিদর্শক জেবি আগরওয়াত বলেন, এ ঘটনায় আমরা তদন্ত শুরু করেছি। অভিযুক্ত শিক্ষকেরা পালিয়েছেন। তাদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। এদিকে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ওই দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে স্কুল পরিচালনা কমিটি।