Showing posts with label দেশ বিরোধী চক্রান্ত. Show all posts
Showing posts with label দেশ বিরোধী চক্রান্ত. Show all posts

22 September 2019

নতুন চক্রান্ত, সীমান্তে ভিত্তিপ্রস্তর ফলকসহ যাবতীয় কাগজপত্রে বাংলাদেশের বদলে ভারতীয় নাম ঠিকানা লেখা

নতুন চক্রান্ত, সীমান্তে ভিত্তিপ্রস্তর ফলকসহ যাবতীয় কাগজপত্রে বাংলাদেশের বদলে ভারতীয় নাম ঠিকানা লেখা


স্টাফ রিপোর্টার।। বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থলবন্দর বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত। এর কাছেই নতুনভাবে নির্মিত হয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। এর অবস্থানও বাংলাদেশ সীমান্তে। শেওলা স্থলবন্দরের ওপারে ভারতীয় সীমান্তকে বলা হয় সুতারকান্দি স্থলবন্দর।

বিস্ময়কর হলেও সত্য, বাংলাদেশ সীমান্তের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঠিকানায় লেখা হয়েছে ভারতের সুতারকান্দি স্থলবন্দরের নাম। কী কারণে, কেন এমন হয়েছে এর সদুত্তর দিতে পারছে না কেউ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শেওলা স্থলবন্দরে প্রাণিসম্পদ কোয়ারেনটাইন স্টেশন নির্মাণের পর ভবনের প্রধান ফটকে ভারতীয় স্থলবন্দরের ঠিকানা যুক্ত করে অধিদপ্তর। ভিত্তিপ্রস্তর ফলকসহ যাবতীয় কাগজপত্রেও শেওলা স্থলবন্দর না লিখে সুতারকান্দি স্থলবন্দর লেখা রয়েছে। এ নিয়ে বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী, স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

নাম বিভ্রাটের বিষয়টি ধরা পড়ে মঙ্গলবার বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেখে। দুই দেশের সীমান্ত বাহিনী সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে প্রাণিসম্পদ কোয়ারেনটাইন স্টেশনের সভাকক্ষে বৈঠক করে। গণমাধ্যমে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৫২ ব্যাটালিয়নের দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রাণিসম্পদ কোয়ারেনটাইন স্টেশন সুতারকান্দি স্থলবন্দর উল্লেখ করা হলে সাংবাদিকরা অবাক হন।

শেওলা স্থলবন্দর ব্যবহারকারী কয়লা ব্যবসায়ী জাহেদ ইকবাল বলেন, ‘শুল্ক স্টেশন, ইমিগ্রেশনসহ সব জায়গায় শেওলা লেখা থাকলেও প্রাণিসম্পদ কোয়ারেনটাইন স্টেশনে সুতারকান্দি লেখা রয়েছে। ফলে অনেকের কাছে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ভবনটি বাংলাদেশের না ভারতের। এটা দায়িত্বশীলদের খামখেয়ালিপনার কারণে হয়েছে নাকি নতুন কোন চক্রান্ত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে নির্মিত এ কোয়ারেনটাইন স্টেশনের গোড়াতেই গলদ রয়েছে। ডিও লেটার থেকে শুরু করে একনেকে অনুমোদন পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ কোয়ারেনটাইন স্টেশন নির্মাণের প্রতিটি পদক্ষেপে দায়িত্বশীলরা শেওলা স্থলবন্দরের জায়গায় ভারতের সুতারকান্দি স্থলবন্দর নাম ব্যবহার করেছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রঞ্জিত কুমার আচার বলে, ‘ভবন নির্মাণের শুরুতে আমাদের কাছে ভুলটি ধরা পড়ে। বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আরিফুর রহমান বলেন, ‘আসলে এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। লোকমুখে শুনে হয়তো দায়িত্বশীলরা এমনটি করেছেন। এটি সংশোধন করার জন্যও তাঁদের অবহিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দায়সারাভাব দেখায় জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আতিয়ার রহমান। শেওলা স্থলবন্দরের জায়গায় সুতারকান্দি স্থলবন্দর লেখায় কোনো সমস্যা হয়নি বলে মন্তব্য করে সে।

তবে বিষয়টিকে অমার্জনীয় উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. এ কে এম মনিরুল হক বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশোধন করা হবে।

26 August 2019

চট্রগ্রামকে ভারতের অংশ দাবীর এক সপ্তাহের মাথায় সেখানে নতুন হিন্দু ডিসি নিয়োগ কেন

চট্রগ্রামকে ভারতের অংশ দাবীর এক সপ্তাহের মাথায় সেখানে নতুন হিন্দু ডিসি নিয়োগ কেন

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ফাইল ফটো
স্টাফ রিপোর্ট।। জামালপুরের পর চুয়াডাঙ্গা ও খাগড়াছড়িতে নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব মুহম্মদ নজরুল ইসলাম সরকার এবং খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাসকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব এবং খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শহীদুল ইসলামকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরকে ওএসডি করা হয়। তার বদলে নতুন ডিসি হিসেবে নিয়োগ পান পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ এনামুল হক।

তবে ডিসি রদবদলে কোন সমস্যা না হলেও ভাবনার বিষয় হচ্ছে, খাগড়াছড়ির পুরাতন ডিসি শহীদুল ইসলামকে পরিবর্তন করে প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাসকে নতুন ডিসি করা নিয়ে। সকলেই অবগত আছেন যে মাত্র কিছুদিন আগে খাগড়াছড়ি সীমান্তের ওপর পাশে ত্রিপুরার সন্ত্রাসী চাকমা গোষ্ঠী পার্বত্য জেলাগুলোকে ভারতের অংশ করতে আন্দোলন শুরু করলো, আর সেই দাবীর সপ্তাহ খানেকের মধ্যে মুসলিম ডিসিকে পরিবর্তন করে হিন্দু ডিসি করা হলো। এই ঘটনাগুলির মধ্যে কোন সংযোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত।

18 August 2019

ফেসবুকে বাংলার পাশাপাশি চাকমাদের জন্য আলাধা ভাষা সংযোজন করেছে কতৃপক্ষ

ফেসবুকে বাংলার পাশাপাশি চাকমাদের জন্য আলাধা ভাষা সংযোজন করেছে কতৃপক্ষ


স্টাফ রিপোর্টার।। বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাংলার এবার স্থান করে নিলো চাকমা ভাষা। সম্প্রতি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে চাকমা ভাষাকে যুক্ত করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

প্রায় এক দশক ধরে চাকমা ভাষা নিয়ে ডিজিটাল প্লাটফর্মে নিরলসভাবে কাজ করা জ্যোতি চাকমা জানা, বাংলাদেশ, ভারত ও অন্যান্য দেশগুলো থেকে প্রায় ১০-১৫ লাখ চাকমা ভাষাভাষী ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে।

ডিজিটাল প্লাটফর্মে চাকমা ভাষা নিয়ে জ্যোতি চাকমার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে বিভূতি চাকমা। ফেসবুকের দেওয়া এ স্বীকৃতি চাকমা সম্প্রদায়ের জন্যে বেশ আনন্দের খবর বলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জ্যোতি চাকমা।

জ্যোতি চাকমা বলে, ফেসবুক সাম্প্রতিক এই আপডেট আমাদের জানায়নি। আমরা নিজেরাই এটা দেখতে পাই। গুগল ট্রান্সলেটে চাকমা ভাষা যুক্ত করার ব্যাপারেও এখন আমরা কাজ করছি যাচ্ছি বলে জানা সে

সে বলেছে, অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ডিভাইসের জন্য গুগল ১ আগস্ট থেকে চাকমা কি বোর্ড সংযোজন করেছে। এখন গুগল অনুবাদে চাকমা ভাষার অন্তর্ভুক্তির জন্য কাজ করা হচ্ছে বলে জানা সে

15 August 2019

কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত কি সঠিক নাকি আত্মঘাতী? মাথা ব্যথায় কি মাথা কেটে ফেলতে হবে নাকি?

কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত কি সঠিক নাকি আত্মঘাতী? মাথা ব্যথায় কি মাথা কেটে ফেলতে হবে নাকি?

পুরান ঢাকার নবাবপুরে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার স্তূপ। ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ রিপোর্ট।। কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া রফতানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ আবদুল লতিফ বকসী।

বিবৃতিতে বলা হয়, উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাঁচা চামড়া রফতানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে- নির্ধারিত মূল্যে কোরবানির পশুর চামড়া ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে না। এ বিষয়ে চামড়া শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এ ছাড়া কাঁচা চামড়ার গুণাগুণ যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য স্থানীয়ভাবে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চামড়া সংরক্ষণের জন্য ব্যবসায়ী ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কাচা চামড়া মানে র-চামড়া। কোন কিছু র-জিনিস রফতানি করা দেশের জন্য ক্ষতিকর। যেমন- গম। গম হলো -র। গম বিক্রি করলে যদি ১০ টাকা পান, সেই গম থেকে যদি আটা ভাঙ্গান তবে পাবেন ২৫ টাকা। সেই আটা দিয়ে যদি রুটি বানান তবে পাবেন ১২৫ টাকা। এখন কথা হলো রগম রফতানি করা লাভজনক, নাকি রুটি রফতানি করা লাভজনক।
সংবাদ সম্মেলনে বিটিএ নেতারা। ছবি: সংগৃহীত
দেশীয় শিল্প রক্ষায় কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ট্যানারি মালিকরা। তারা বলেছেন, কাঁচা চামড়া বিদেশে রফতানি হলে দেশীয় শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়বে।

বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক বৈঠক শেষে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ট্যানারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ)। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইলিয়াছুর রহমান বাবু, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান ও ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম প্রমুখ।

এর আগে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে বিটিএ নেতারা বলেন, ২০ আগস্ট থেকে নিজস্ব প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্ধারিত দরে লবনযুক্ত চামড়া সংরক্ষণ করা হবে। কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশীয় শিল্পের ক্ষতি বয়ে আনবে।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের সভাপতি মো. শাহিন আহমেদ। তিনি বলেন, আমরা ২০ আগস্ট থেকে চামড়া সংগ্রহ শুরু করবো। সেই সময় চামড়ার বাজার স্থিতিশীল থাকবে। আশা করছি এই সময়ের মধ্যে সরকার তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে।

এর আগে মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বকসী জানান, উপযুক্ত মূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাঁচা চামড়া রফতানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মন্ত্রণালয় জানায়, বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, নির্ধারিত মূল্যে কোরবানির পশুর চামড়া কেনাবেচা হচ্ছে না। এ বিষয়ে চামড়াশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীর দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

একইসঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্ধারিত মূল্যে কাঁচা চামড়া বেচাকেনা নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাওয়া হয়।

এদিকে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম অস্বাভাবিক কমে যাওয়ার জন্য চামড়া ব্যবসায়ীদের দোষারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি দাম কমার পেছনে ব্যবসায়ীদের কারসাজি রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন।

বুধবার সকালে রংপুর নগরীর শালবন এলাকায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে মালিক ও চামড়া ব্যবসায়ীদের নিয়ে সভা করে আমরা চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা লক্ষ্য করলাম- ঈদের দিন দাম এমন কমে এলো, যা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে আমরা কাঁচা চামড়া রফতানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, যখনই আমরা কোনো উদ্যোগ নিই, তখনই এটির বিরুদ্ধাচারণ করা হয়। চামড়ার দাম নিয়েও এমনটি হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা বলছেন- কাঁচাচামড়া রফতানি করলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তিনি বলেন, কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ীর জন্য কোনোভাবেই চামড়াশিল্পকে আমরা ধ্বংস করে দিতে পারি না।

তবে আমাদের এ্যানালাইসিস বলছে বাণিজ্যমন্ত্রীর এরূপ উদ্ভট সিদ্ধান্ত হবে আত্মঘাতী। যা হবার তা অলরেডি হয়ে গেছে। আগামীতে যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে পুরোদমে। স্বরনীয় যে, কাচা চামড়া হচ্ছে র-চামড়া। এটা কিছু প্রসেসিং করলে প্রতিটির দাম কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে। একধাপ পার হলেই আজকের ২০০/৫০০ টাকার চামড়া ৫ হাজার টাকায় গিয়ে পৌছায়, আরেক ধাপ অর্থাৎ ফিনিশিং দিলেই ১০ হাজার টাকা। এরপর সেই চামড়া থেকে কোন প্রডাক্ট বানালে তার দাম ২৫ হাজার টাকায় পৌছাবে। দেখা যাচ্ছে আমাদের দেশের চামড়া দিয়ে অন্যরা কোটিপতি হয়ে যাচ্ছে। যেমনভাবে আমাদের সোনালি আঁশ পাটে ভারতে তৈরি হয়েছে পাট কারখানা। তেমনিভাবে আমাদের দেশের কাচা চামড়া দিয়ে ভারতের ট্যনারি বড় হচ্ছে। আর আমরা বঞ্চিত হচ্ছি হাজার হাজার কোটি টাকা মুনাফা হতে।

09 August 2019

বিমানবন্দরের জন্য বাংলাদেশের জমি ভারতকে দেয়ার ব্যাপারে পর্যালোচনা চলছেঃ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বিমানবন্দরের জন্য বাংলাদেশের জমি ভারতকে দেয়ার ব্যাপারে পর্যালোচনা চলছেঃ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী


স্টাফ রিপোর্ট।। ডয়েচে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন, বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য ভারতের জমি চেয়ে প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের কাছ থেকে অফিসিয়াল প্রস্তাব পাওয়ার পর সিভিল এভিয়শনকে বিষয়টি পর্যালোচনা করতে বলা হয়েছে, তারা কাজও শুরু করেছে, এদের প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তবে বাংলাদেশের স্বার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে এ বিষয়ে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে দুইজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, ভারতের ওই বিমানবন্দরে যদি উভয় দেশের ইমিগ্রেশন চালু হয় তবে প্রস্তাবটি বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে।

ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণ করতে ভারত বাংলাদেশের পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জমি চেয়ে মৌখিক প্রস্তাব রেখেছে বলে উভয় দেশের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে সমালোচনাও করেন কেউ কেউ।

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘ব্রিটিশ আমলের ওই এয়ারপোর্টে (আগরতলা বিমানবন্দর) নিরাপদে প্লেন অবতরণে ক্যাট আই লাইট স্থাপেনর জন্য (জমি চেয়ে) তারা অনুরোধপত্র দিয়েছে, আমরা সিভিল এভিয়শনকে বিষয়টি পর্যালোচনা করার জন্য বলেছি এবং তাদের কারিগরি কমিটি এ নিয়ে কাজ করছে। সিভিল এভিয়েশন বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর আবার আলোচনা করব, এরপর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন, যদি বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশ ওই বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারে, তবে ভারতের প্রস্তাবটি বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে। আসলে দেখা দরকার বিষয়টি আসলে কী? এটা হতে পারে দুটি দেশ মিলে একই এয়ারপোর্ট ব্যবহার করছে, এটা সেটা কিনা। বিশ্বে এ ধরনের এয়ারপোর্ট আছেকিন্তু সমস্যা হয়ে গেছে বিদেশের উদাহরণ এখানে দেয়া ঠিক না। কারণ দক্ষিণ এশিয়ার ইমিগ্রেশন পদ্ধতি বা কারেন্সি এক না।

বাংলাদেশে এভিয়েশন নিয়ে কাজ করছে ট্রিউন প্রাইভেট লিমিলেট। এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, ‘কিসের ভিত্তিতে ভারত জমি চায়? লিজ, সত্বত্যাগ করে, নাকি যৌথ মালিকানায়- তা আমরা এখনও জানি না।

তিনি বলেন, ‘লিজ হলে এক রকম, স্বত্বত্যাগ করে হলে আরেক রকম, তবে যৌথ মালিকানাধীনে হলে সেটা হতে পারে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কনসিডার করা যেতে পারে। তবে স্বার্বভৌমত্বটা নিশ্চিত করতে হবে। লিজ হলে সেটার একটা নীতি থাকবে, বাংলাদেশও বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবে। এসব যতক্ষণ না জানা যাচ্ছে, ততক্ষণ সুস্পষ্ট মতামতটা দেয়া যাচ্ছে না।