Showing posts with label অপরাধ. Show all posts
Showing posts with label অপরাধ. Show all posts

11 November 2019

ফেনীতে নেই ফাঁসির মঞ্চ, কুমিল্লা-চট্টগ্রামে যাচ্ছে নুসরাত হত্যার আসামিরা

ফেনীতে নেই ফাঁসির মঞ্চ, কুমিল্লা-চট্টগ্রামে যাচ্ছে নুসরাত হত্যার আসামিরা

ফাইল ছবি
স্টাফ রিপোর্টার।।ফেনী জেলা কারাগারে পৃথক কনডেম সেল ও ফাঁসির মঞ্চ না থাকায় নুসরাত হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি অনুমোদন দিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা।

ফেনী জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে ১৪ জনকে কুমিল্লা ও দুইজন মহিলা আসামিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে। এদের মধ্যে ১৩ জনকে মঙ্গলবার কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে।

তিনি আরো জানান, মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজউদ দৌলার ১৩ তারিখ আদালতে মামলার দিন ধার্য আছে। এ জন্য আদালতের কার্যক্রম শেষে তাকে ওই দিনই কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে। আর বুধবার মহিলা আসামি কামরুন নাহার মনি ও উম্মে সুলতানা ওরফে পপিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- অধ্যক্ষ সিরাজউদ দৌলা, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, হাফেজ আব্দুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে তুহিন ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মোহাম্মদ শামীম, মাদরাসার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি রুহুল আমীন ও মহিউদ্দিন শাকিল।

২৪ অক্টোবর আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলার ১৬ আসামির সবাইকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ। আসামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান নুসরাত।

ফেনী জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদের বলেন, যে সকল আসামির দীর্ঘ মেয়াদি শাস্তি ও মৃত্যুদণ্ড হয়, সে সকল আসামিদের জেলা কারাগারে না রেখে নিরাপত্তা জনিত কারণে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর জন্য কারাবিধিতে নির্দেশনা রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কারাগারগুলোতে জনবল ও কনডেম সেলের সংখ্যা বেশি। তাদের পরিচালনার জন্য যা যা প্রয়োজন সব সেখানে রয়েছে। ফেনী জেলা কারাগারে ফাঁসির কোন মঞ্চ নেই, সেখানে সব রয়েছে।
কুষ্টিয়ায় তাহাজ্জুদ নামাজরত মুয়াজ্জিনের ওপর হামলা

কুষ্টিয়ায় তাহাজ্জুদ নামাজরত মুয়াজ্জিনের ওপর হামলা



জেলা প্রতিনিধি।। কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় মসজিদে মো. এমদাদুল ইসলাম (৬০) নামে নামাজরত মুয়াজ্জিনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১০ নভেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের হিজলাবট জামে মসজিদে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার সময় মুয়াজ্জিন মসজিদের ভেতরে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়রত অবস্থায় ছিলেন। আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মুয়াজ্জিন মো. এমদাদুল ইসলাম বলেন, ফজরের আজানের কিছুটা সময় বাকি থাকায় আমি তাহাজ্জুদের নামাজে দাঁড়াই। এমন সময় পেছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাকে আঘাত করা হয়। এ সময় চিৎকার করলে কালো জ্যাকেট পরা এক ব্যক্তি পালিয়ে যায়। তবে ওই ব্যক্তি এক জোড়া স্যান্ডেল ফেলে গেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের হিজলাবট জামে মসজিদে ৫০ বছর ধরে মুয়াজ্জিন হিসেবে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করছেন এমদাদুল ইসলাম।

ওসমানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, আহত মুয়াজ্জিন এমদাদুল ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি সৎ মানুষ। সারাজীবন মসজিদ নিয়ে পড়ে আছেন তিনি। তার ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, মুয়াজ্জিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তার একটি ক্ষতে প্রায় ১৭টি সেলাই দেয়া হয়েছে।

খোকসা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান বলেন, সোমবার সকালে খবর পেয়ে ওই এলাকায় যাই। আহত মুয়াজ্জিনকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

08 November 2019

মৌলভীবাজারে ময়লার ভাগাড়ে নবজাতকের খণ্ডিত মাথা

মৌলভীবাজারে ময়লার ভাগাড়ে নবজাতকের খণ্ডিত মাথা


স্টাফ রিপোর্টার।। মৌলভীবাজার বড়লেখা উপজেলায় এক নবজাতকের খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দুইটার দিকে পৌরসভার পাখিয়ালা এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পাশের আবর্জনার ভাগাড় থেকে মাথাটি উদ্ধার করা হয়।

বড়লেখা থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক জানান, খবর পেয়ে নবজাতকের মাথার অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কেউ অবৈধভাবে গর্ভপাত ঘটিয়ে নবজাতকটিকে ময়লার ভাগাড়ে ফেলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক সময় এভাবে ফেলে গেলে কুকুর টেনে-হেঁচড়ে দেহ খেয়ে নিতে পারে।

07 November 2019

বাড়িতে মায়ের লাশ রেখে জেডিসি পরীক্ষা দিল মেয়ে!

বাড়িতে মায়ের লাশ রেখে জেডিসি পরীক্ষা দিল মেয়ে!



জেলা প্রতিনিধি।। বাড়িতে মায়ের লাশ রেখে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে জেমি আক্তার নামের এক জেডিসি পরীক্ষার্থী। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সমিরউদ্দিন স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের ২০১নং কক্ষে মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিশ্রামপুর দাখিল মাদরাসা থেকে জুনিয়র দাখিল পরীক্ষা (জেডিসি) দিচ্ছে সে।

বৃহস্পতিবার মায়ের লাশ বাড়িতে রেখে বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ওই পরীক্ষার্থী। জেমি আক্তার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের বিশ্রামপুর আগাটলা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে।

কেন্দ্র সচিব ও বড়পলাশবাড়ী আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ কুসুম উদ্দীন জানান, পুরো ৩ ঘণ্টা-ই পরীক্ষা দিয়েছেন ওই পরীক্ষার্থী। চোলে জল নিয়ে পরীক্ষা দিতে আসলেও শান্তনা প্রদানের সময় পরীক্ষা ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছে জেমি।

পরীক্ষার্থীর ভাই খাদেমুল ইসলাম জানান, গত দেড় বছর ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন তার মা রোকেয়া খাতুন (৩০)। গত তিন মাস হলো গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার ভোরে আনুমানিক সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার সময় তিনি মারা যান। দুপুরে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে মা রোকেয়া খাতুনকে। সকালে খালি মুখে চোখে জল নিয়ে পরীক্ষা দিতে গেছে তার আদরের ছোট বোন জেমি আক্তার। মাকে হারিয়ে ভাইবোন দুজনেই অসহায় হয়ে গেলেন বলে দুঃখ প্রকাশ করেন খাদেমুল।

পরীক্ষার্থী জেমি আক্তারের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার মো. আলাউদ্দীন আল আজাদ ও  জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম।
অন্ধ ছাত্রীকে চার মাস ধরে ধর্ষণ করলেন দুই হিন্দু অন্ধ শিক্ষক!

অন্ধ ছাত্রীকে চার মাস ধরে ধর্ষণ করলেন দুই হিন্দু অন্ধ শিক্ষক!



স্টাফ রিপোর্টার।। দৃষ্টিহীন ছাত্রীকে টানা চার মাস ধরে ধর্ষণ করলেন দুই দৃষ্টিহীন শিক্ষক! ধর্ষকদের মধ্যে একজনের বয়স ৬২। আর ওই ছাত্রীর বয়স ১৫ বছর। ভারতের রাজকোটের মন্দির শহর আম্বাজিতে এ ঘটনা ঘটেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, গত মাসে দীপাবলির ছুটিতে পাটান জেলার রাধানপুর তালুকায় নিজের গ্রাম প্রেমনগরে গিয়ে বোনের কাছে সব খুলে বলেন ওই কিশোরী। ছুটি শেষ হয়ে যাওয়ার পরও স্কুলে যেতে চাইছিল না সে। এতে সন্দেহ হয় পরিবারের। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী তার স্কুলের দুই শিক্ষক চমন ঠাকুর (৬২) ও জয়ন্তী ঠাকুরের (৩০) কুকীর্তির কথা জানায়। এরপরই পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয় অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় একটি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে গান শেখার জন্য গত জুলাইয়ে স্কুলটিতে ভর্তি হয় ওই কিশোরী। স্কুলে বিশেষভাবে সক্ষমদের ভোকেশনাল ট্রেনিং ও কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা হয়। স্কুলের হোস্টেলে থাকতো মেয়েটি।

গত ৪ নভেম্বর পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, ২ মাস আগে মিউজিক রুমে প্রথম মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন জয়ন্তী ঠাকুর। তিনদিন পর ওই একই ঘরে তাকে ফের ধর্ষণ করে চমন। এরপর নবরাত্রির আগে ফের জয়ন্তী মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকে যৌন নির্যাতন। সহ্য করতে না-পেরে স্কুলের অন্য তিনজন শিক্ষককে বিষয়টি জানিয়েছিল মেয়েটি।

আম্বাজির পুলিশ পরিদর্শক জেবি আগরওয়াত বলেন, এ ঘটনায় আমরা তদন্ত শুরু করেছি। অভিযুক্ত শিক্ষকেরা পালিয়েছেন। তাদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। এদিকে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর ওই দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে স্কুল পরিচালনা কমিটি।
ধানমণ্ডিতে জোড়া খুনের আসামি সুরভীসহ ৫ জন রিমান্ডে

ধানমণ্ডিতে জোড়া খুনের আসামি সুরভীসহ ৫ জন রিমান্ডে

ছবিঃ সংগৃহীত


স্টাফ রিপোর্টার
।।
 ধানমণ্ডিতে দুই নারীকে হত্যা মামলায় বাসায় নতুন কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদাসহ (২২) পাঁচ আসামির প্রত্যেকের পাঁচদিন করে রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূইয়া আসামিদের রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন- বাসার ম্যানেজার মো. গাউসুল আযম প্রিন্স (৪২), সিকিউরিটি গার্ড মো. নুরুজ্জামান (৪২), রুবার স্বামীর বডিগার্ড বাচ্চু (৩৪) ও ইলেক্ট্রিশিয়ান মো. বেলায়েত হোসেন (৩২)।

এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলম এ আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামি সুরভী আক্তার নাহিদা অপর আসামিদের যোগসাজশে জোড়া খুন ও লুণ্ঠনের ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। এটি একটি চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর মামলা। এ খুনের সঙ্গে আসামিদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এই জোড়া খুন ও লুণ্ঠন কার নির্দেশে হয়েছে? প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তারীদের চিহ্নিত ও গ্রেফতার করাসহ মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ একান্ত জরুরি।

রাষ্ট্রপক্ষে থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই আশরাফ ও আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ আসামিদের রিমান্ড চেয়ে শুনানি করেন।

শুনানিতে তারা বলেন, একা কাজের মেয়ের পক্ষে জোড়া খুন করা সম্ভব নয়। এ খুনের নেপথ্যে আরও অনেকেই জড়িত আছেন। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

অপরদিকে আসামি প্রিন্স ও নুরুজ্জামানের পক্ষে আইনজীবী রিয়াজ মাহমুদ ও মো. রেজাউল করিম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন প্রার্থনা করেন।

শুনানিতে তারা আসামিদের নির্দোষ দাবি করেন এবং শত্রুতাবশত তাদের আসামি করা হয়েছে বলে দাবি করেন। এরপর আদালত আসামিদের কাছে তাদের নাম ও কী করেন- তা জানতে চান। সব আসামিরা- তারা কী কাজ করেন তা আদালতকে জানান। এ সময় সুরভী শুধু নামই বলেন। আদালতে কিছু বলার আছে কিনা- তা জানতে চাইলেও তিনি (সুরভী) জবাব দেননি।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের জামিন নাকচ করে রিমান্ডের ওই আদেশ দেন।

এর আগে গত ৩ নভেম্বর নিহত আফরোজা বেগমের মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা (৪২) বাদী হয়ে রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ধানমণ্ডি-২৮ নম্বর রোডের ২১ নম্বর বাসার ই-৫ নম্বর ফ্ল্যাটে স্বামী-সন্তানসহ রুবা বাস করেন। রুবার বৃদ্ধ মা আফরোজা বেগম (৬০) তার কাজের মেয়ে দিতিকে (১৮) নিয়ে একই বাসার ফ্ল্যাট নম্বর ডি-৪ এ স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন।

গত ১ নভেম্বর বাসার পুরনো কাজের লোক মো. আতিকুল হক বাচ্চু একজন নতুন কাজের মেয়েকে (সুরভী আক্তার নাহিদা) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রুবার বাসায় নিয়ে আসে। নতুন কাজের মেয়েটিকে বাচ্চুর সঙ্গে রুবা তার মায়ের ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দেন।

এরপর বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার দিকে রুবার মা আফরোজা বেগম পুরনো কাজের মেয়ে দিতিকে নিয়ে রুবার পঞ্চম তলার ফ্ল্যাট থেকে চতুর্থ তলায় তার ফ্ল্যাটে চলে যান।

ওই দিনই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রুবা তার মাকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এজন্য রুবার বাসার কাজের ছেলে মো. রিয়াজকে তার মায়ের ফ্ল্যাটে পাঠান। রিয়াজ রুবার মায়ের ফ্ল্যাটে গিয়ে কলিং বেল ও ডাকাডাকি করলে কেউ জবাব দেননি। রিয়াজ দরজায় ধাক্কা দিয়ে দেখে দরজা খোলা এবং রুবার মা আফরোজা বেগম রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন। রিয়াজ তাৎক্ষণিক এ ঘটনা রুবাকে জানান। রুবা তার মায়ের ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখতে পান ডাইনিং রুমে তার মায়ের (আফরোজা বেগম) ও গেস্ট রুমে কাজের মেয়ে দিতির রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। তখন ওই বাসায় বাচ্চু ও নতুন কাজের মেয়েকে পাওয়া যায়নি। রুবার মায়ের রুমে রক্ষিত আলমারির তালা খোলা ও মালামাল ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় মেঝেতে পড়েছিল।

বাসার সিকিউরিটি গার্ড নুরুজ্জামান জানান, নতুন কাজের মেয়েটি সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে গেট দিয়ে বাইরে চলে গেছে। রুবার ধারণা, বাচ্চু ও নতুন কাজের মেয়ে অজ্ঞাত সহযোগীদের সহায়তায় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটের মধ্যে তার মা ও কাজের মেয়ে দিতিকে ধারালো ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করে এবং গলা কেটে হত্যা করে। পরবর্তীতে তারা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ পালিয়ে যায়। বাচ্চু, নতুন কাজের মেয়ে, কেয়ারটেকার বেলাল প্রিন্সসহ বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা এতে জড়িত থাকতে পারে বলে রুবা এজাহারে উল্লেখ করেন।

06 November 2019

যশোরে ছয় শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

যশোরে ছয় শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন



স্টাফ রিপোর্টার।। যশোরে ছয় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার মামলার আসামি আমিনুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক টিএম মুসা এ রায় দেন।

এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও নির্যাতিত শিশুদের শিক্ষকরা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইদ্রিস আলী জানান, যশোর শহরতলীর একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ছয় শিক্ষার্থী এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছিল। গত ২৮ এপ্রিল পাঁচ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ায় খোঁজ নিতে গিয়ে যৌন নিপীড়নের বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষের সামনে আসে। তারা জানতে পারেন স্কুল সংলগ্ন এলাকার আমিনুর রহমান এক প্রতিবন্ধী শিশুসহ ওই পাঁচ শিক্ষার্থীকে স্কুল থেকে ফেরার পথে খাবার দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে একটি বাগানে নিয়ে যেতেন এবং ধারালো অস্ত্রের মুখে ধর্ষণ করতেন। একইসঙ্গে মুখ বন্ধ রাখতে পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিতেন। সর্বশেষ গত ১ মে স্কুল কর্তৃপক্ষ নির্যাতিত শিশু ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে এনে জিজ্ঞাসবাদ করলে ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ পায়।

এরপর নির্যাতিত এক শিশু শিক্ষার্থীর বড় বোন বাদী হয়ে গত ৪ মে কোতোয়ালি থানায় অভিযুক্ত আমিনুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার মামলা করেন।

তদন্ত শেষে পুলিশ আমিনুরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজ বিচারক আমিনুরকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এরপর আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

এদিকে দ্রুত সময়ে রায় হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও নির্যাতিত শিশুদের শিক্ষকরা।
চাকরির প্রলোভনে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ, আটক ২

চাকরির প্রলোভনে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ, আটক ২



স্টাফ রিপোর্টার।। রাজধানী ঢাকার অদূরে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিক নারীকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগে ২ ধর্ষককে আটক করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হল, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার বড় রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের মাইন উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান (৩০), ধামরাই থানার কামারপাড়া গ্রামের বদর উদ্দিনে ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩০)।

গণধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নাটোর জেলার গুরুদাসপুর থানার ধারাবাড়ীসাহা নয়াবাজার গ্রামের ইউসুফ আলী তার স্ত্রীকে নিয়ে আশুলিয়া বড় রাঙ্গামাটি এলাকার সাগরের বাড়ীতে ভাড়া থেকে স্থানীয় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তার স্ত্রী গত ৫ মাস ধরে বেকার থাকায় বিভিন্ন কারখানায় চাকরি খোঁজছিলেন।

গত ৫ নভেম্বর বেলা ১১টার দিকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে সোহেল (৩০) নামের একজন তাকে ডেকে মাইন উদ্দিনের বাড়ীর একটি কক্ষে নিয়ে যায়। ওই কক্ষে বাড়ীর মালিকের ছেলে মিজান, দেলোয়ার ও আ: রাজ্জাকসহ তিন জন আগে থেকেই অবস্থান করছিল। মিজানের কক্ষে প্রবেশ করার পরই দরজার বাহির থেকে আটকে দিয়ে সোহেল চলে যায়। এরপর রাজ্জাক তার মুখ চেপে ধরে রেখে পালাক্রমে মিজান ও দেলায়ার তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।

ধর্ষকরা দুপুরের পর ধর্ষণের ঘটনা অন্য কাউকে জানালে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ওই নারীকে ছেড়ে দেয়। এরপর তার স্বামী ও আত্মীয়-স্বজনদের বিষয়টি অবহিত করে একদিন পর আশুলিয়া থানায় এসে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
 
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ বলেন, ভুক্তভোগী পোশাক শ্রমিক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪ আসামীর মধ্যে ১ ও ২নং আসামীকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে আরও ২ জন জড়িত রয়েছে। তারা একই মামলার এজাহারনামীয় আসামী।

তিনি আরও জানান, এজাহার নামীয় অন্যান্য আসামীদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটককৃতদের পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সময় চেয়ে বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

05 November 2019

ফেনীতে আ’লীগ নেতার কাছে লাঞ্চিত হয়ে কৃষকের আত্মহত্যা

ফেনীতে আ’লীগ নেতার কাছে লাঞ্চিত হয়ে কৃষকের আত্মহত্যা



জেলা প্রতিনিধি ফেনীর পরশুরামে আওয়ামী লীগ নেতার পিটুনি খেয়ে অপমানে আত্মহত্যা করেছেন আবু আহাম্মদ (৫০) নামে এক কৃষক। মঙ্গলবার তার লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পরশুরাম থানা পুলিশ।

সোমবার রাতে উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের কাউতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আবু আহাম্মদ উপজেলার কাউতলী গ্রামে মৃত রাজা মিয়ার ছেলে।

নিহতের স্ত্রী রহিমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, সোমবার রাতে ধানক্ষেতে ওষুধ দেয়াকে কেন্দ্র করে মির্জানগর ইউনিয়ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহম্মদ তার স্বামী আবু আহাম্মদকে অফিসে ডেকে নিয়ে বটতলী বাজারে প্রকাশ্যে মারপিট করেন।

একপর্যায়ে আবু আহাম্মদ সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে আওয়ামী লীগ নেতা তার মোবাইল ফোন দিয়ে আবুকে অফিসে পাঠানোর জন্য তাকে হুমকি দেন। জবাবে স্বামী বাড়িতে নেই জানালে ফিরোজ লোকজন পাঠিয়ে তাকে বাড়ি থেকে তুলে নেয়ার হুমকি দেয় এবং অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে।

পরে রাত ১০টার দিকে আবু আহাম্মদের লাশ বাড়ির পেছনে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলতে দেখে পরিবারের লোক পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে মির্জানগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহাম্মদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আবু আহাম্মদের স্ত্রীকে রাতে মোবাইল করে আজ সকালে তার সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়েছিল। আবুকে তার জমিতে ওষুধ দিতে বলা হলে সে অন্য একজনের ধানক্ষেতে ওষুধ দেয়ায় তাকে জিজ্ঞাসা করতে ডাকা হয়েছিল।

মির্জানগর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য মহিউদ্দিন ছুট্টো জানান, নিহত আবু আহাম্মদ পেশায় একজন কৃষক। সে বিভিন্ন জনের ধানখেতে ওষুধ দেয়ার কাজ করত। ফিরোজের সঙ্গে ওষুধ দেয়াকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়েছে। রাতে আবু আহাম্মদের স্ত্রীকে একাধিকবার ফোন দিয়েছে বলে নিহতের স্ত্রী অভিযোগ করেন।

পরশুরাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান জানান, তার লাশের ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তার স্ত্রী বা পরিবারের কেউ লিখিত কোনো অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

03 November 2019

চলন্ত বাসে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টায় ২ পরিবহন শ্রমিক গ্রেফতার

চলন্ত বাসে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টায় ২ পরিবহন শ্রমিক গ্রেফতার



স্টাফ রিপোর্টার।। গাজীপুরে চলন্ত বাসে এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে পুলিশ দুই পরিবহন শ্রমিককে গ্রেফতার করেছে। এসময় পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধার করে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে যায়। পরে ওই কিশোরী গাজীপুর সিটি সার্ভিস চ্যাম্পিয়ন পরিবহন বাসের চালক ও দুই সহকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়িয়া থানার আমড়া গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে জুয়েল (২৮) ও নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার চন্দনকান্দি গ্রামের আলতু মিয়ার ছেলে আশিক (২২)। এরা উভয়ে গাজীপুর সিটি সার্ভিস চ্যাম্পিয়ন পরিবহন বাসের চালকের সহকারী। ওই ঘটনার পর চালক হারুন মিয়া পালিয়ে গেলেও পুলিশ চ্যাম্পিয়ন পরিবহনের বাস (ঢাকামেট্রো-জ-১৪-০৪৯৩) জব্দ করেছে।

কিশোরীর বরাত দিয়ে মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক জানান, কিশোরীটি ঢাকার একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে বিনোদনমূলক শর্টফিল্ম ও ছোট নাটিকাসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠানের সাথে জড়িত। গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে একটি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুর থেকে মাওনা পর্যন্ত চলাচলকারী গাজীপুর সিটি সার্ভিস চ্যাম্পিয়ন পরিবহনের একটি লোকাল বাসে উঠে। কিছুদূর আসার পর বাসে নিয়োজিত পরিবহন শ্রমিকরা অন্যান্য যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেয়। এসময় পরিবহনের চালক জানায় তাদের সমস্যা থাকলেও কিশোরী যাত্রীকে গন্তব্যে পৌঁছে দিবেন। পরে বাস নিয়ে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এই কিশোরী যাত্রীকে গন্তব্যে না নামিয়ে মাওনা চৌরাস্তার উড়াল সেতুর উপর বাসের ভেতর কিশোরীকে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় পরিবহন শ্রমিকরা। তবে কিশোরীটি আত্মরক্ষার্থে পা দিয়ে বাসের জানালার কাঁচ ভেঙ্গে ফেলে এবং চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। স্থানীয় পথচারীরা এ ঘটনা দেখতে পেয়ে মাওনা হাইওয়ে পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিশোরীকে উদ্ধার করে। এসময় ওই দুই পরিবহন শ্রমিককে গ্রেফতার করে। তবে ঘটনার সময় গাড়ির চালক পালিয়ে যায়। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করা হয়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, এ ঘটনায় নির্যাতিতা কিশোরী বাদী হয়ে তিনজনকে অভিযুক্ত করে থানায় রাতেই মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করা গেলেও চালক পালিয়ে যায়। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে।
নুসরাত হত্যাঃ হাইকোর্টে জামিন হয়নি ওসি মোয়াজ্জেমের

নুসরাত হত্যাঃ হাইকোর্টে জামিন হয়নি ওসি মোয়াজ্জেমের

ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার।। মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান ওরফে রাফির বক্তব্যের ভিডিও প্রচারের ঘটনায় করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া মামলায় ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনের জামিন হয়নি।

সাইবার ট্রাইব্যুনালে থাকা মামলাটি ৪০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই সময়ের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি না হলে মোয়াজ্জেমের জামিনের আবেদন বিবেচনা করতে বলেছেন আদালত।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এই আদেশ দেন।

বিচারিক আদালতে জামিন চেয়ে বিফল হয়ে হাইকোর্টে আপিল করে জামিন চেয়েছিলেন মোয়াজ্জেম। এই আপিল নিষ্পত্তি করে হাইকোর্ট আদেশ দেন।

আদালতে মোয়াজ্জেমের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আহসানউল্লাহ। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রানা কাওসার ও শাহীন হাওলাদার। মূল মামলার বাদী আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হকও শুনানিতে অংশ নেন।

গত ১৮ অক্টোবর শুনানি শেষে আদালত ৩ নভেম্বর আদেশের জন্য দিন রেখেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় আজ আদেশ দেয়া হয়।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার ও আইনজীবী রানা কাওসার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সরওয়ার হোসেন বাপ্পী। মূল মামলার বাদী পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গত ১৭ জুলাই সোনাগাজীর সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। এর বিরুদ্ধে ৩১ জুলাই হাইকোর্টে আপিল করে জামিন চান তিনি। এরপর ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট ওসি মোয়াজ্জেমের করা আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে ১৩ অক্টোবর শুনানির জন্য রাখে। সে ধারাবাহিকতায় বুধবার এ বিষয়ে শুনানি শেষ হয়। ৯ জুলাই ওসি মোয়াজ্জেমের জামিন আবেদন উত্থাপিত হয়নি বলে খারিজ করে দিয়েছিল বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

নুসরাত গত মার্চ মাসে তার মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করলে সোনাগাজী থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম তাকে থানায় ডেকে জবানবন্দি নিয়েছিলেন। তার কয়েক দিনের মাথায় মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে নুসরাতের গায়ে অগ্নিসংযোগ করা হলে ওসির বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে সারাদেশে আলোচনার মধ্যে নুসরাতের সেই জবানবন্দির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ১৫ এপ্রিল ওই ভিডিও ছড়ানোর জন্য ওসি মোয়াজ্জেমকে আসামি করে ঢাকায় বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন আইনজীবী সৈযয়দ সায়েদুল হক সুমন। এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে ১৬ জুন গোপনে হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন ওসি মোয়াজ্জেম। আদালত পরদিন আবেদনটি শুনানির জন্য রাখলেও ওই দিনই সুপ্রিমকোর্ট এলাকা থেকে ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেফতার করে শাহবাগ থানা পুলিশ।
নামাজ পড়ে কার্যালয়ে যাওয়ার সময় অধ্যক্ষকে তুলে নিয়ে পুকুরে ফেলে দিল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা

নামাজ পড়ে কার্যালয়ে যাওয়ার সময় অধ্যক্ষকে তুলে নিয়ে পুকুরে ফেলে দিল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা



স্টাফ রিপোর্টার।। রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দীন আহম্মেদকে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে নিজ কার্যালয়ে যাওয়ার সময় শাখা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তুলে নিয়ে ১২ থেকে ১৫ ফুট গভীর পুকুরের পানিতে ফেলে দিয়েছ।

শনিবার (২ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগের ছেলেরা অন্যায় দাবি নিয়ে আমার কাছে আসতো। বেশিরভাগ সময় তাদের দাবিগুলো মানার মত থাকে না। তাদের ওইসব দাবি না মানায় তারা আমার উপর ক্ষুব্ধ ছিল।

তিনি বলেন, ক্লাসে উপস্থিতি কম থাকায় দুইজন ছাত্রের ফরম পূরণ হয়নি। সেই দুই ছাত্রের ফরম পূরণ করানোর জন্য সকালে কয়েকজন আমার কাছে এসেছিল। কিন্তু আমি তাদের বিভাগীয় প্রধানের কাছে যেতে বলি। এ সময় তারা আমার সামনে আমাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে। এতে বিরক্ত হয়ে তাদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে আমিও কয়েকটি কথা বলি। এরপর তারা আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে বের হয়ে যায়।

অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দীন বলেন, দুপুরে নামাজ পড়ে অফিসে যাওয়ার সময় কামাল হোসেন সৌরভ আমার পথ আটকে দাঁড়িয়ে বলে, স্যার কথা আছে। একটু পুকুরের দিকে আসেন। আমি যেতে না চাইলে তারা আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে পুকুরে ফেলে দেয়। এরপর তারা পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে দুইজনের মুখ বাধা ছিল।

অধ্যক্ষ আরো বলেন, পুকুরের যেখানে আমাকে তারা ফেলে দিয়েছে সেখানকার পানির গভীরতা ছিল ১২ থেকে ১৫ ফুট। আমি সাঁতার জানতাম বলে বেঁচে গেছি। সাঁতার না জানলে হয়তো আজই শেষ হয়ে যেতাম। এ ঘটনায় থানায় মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে রাজশাহী পলিটেকনিক ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রিগেন বলেন, অধ্যক্ষকে পুকুরে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় ছাত্রলীগের ছেলেরা জড়িত কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি আমারা খতিয়ে দেখছি।

এ ব্যাপারে নগরীর চন্দ্রিমা থানার ওসি শেখ গোলাম মোস্তাফা বলেন, খবর পেয়ে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

02 November 2019

শিশু কন্যা হত্যার বিচার দাবিতে পথে পথে ঘুরছেন বাবা

শিশু কন্যা হত্যার বিচার দাবিতে পথে পথে ঘুরছেন বাবা



জেলা প্রতিনিধি।। কন্যা হত্যার বিচার দাবিতে পথে পথে ঘুরছেন বাবা। শোকে পাথর বাবা আব্দুস শহীদ বুকে ৬ বছরের মেয়ে ইতি আকতারের ছবি নিয়ে এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

ইতি আখতারের হত্যা রহস্য উন্মোচনের সময়ের রশি দিনে দিনে দীর্ঘায়িত হচ্ছে। দেখতে দেখতে পার হয়ে গেছে প্রায় দেড়টি বছর। এখনো এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

শায়েস্তাগঞ্জে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডকে ম্লান করে দিয়েছে ইতি আখতারের ঘটনা। এ হত্যাকাণ্ডের পর পরই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিবাদ হয়। এতে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা শাখা ও স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে মানববন্ধন করা হয়। ওই মানববন্ধনে বক্তারা ইতি হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারসহ রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রশাসনকে আহ্বান জানান। এ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ জুলাই ভোরে বাড়ির পাশের মসজিদে মক্তবে পড়তে যায় ইতি আকতার। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ইতির বাবা এ নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর, পরদিন সকালে আবদুস শহীদ সেই মসজিদের পার্শ্ববর্তী ধানক্ষেত থেকে ইতির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহ উদ্ধারের পর তিনি থানায় একটি খুনের মামলা দায়ের করেন। শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ ওই মামলাটি কিছুদিন তদন্ত করার পর পিবিআই হবিগঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়। যা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে ইতির বাবা আব্দুস শহীদ বলেন, পিবিআই হবিগঞ্জ এ মামলাটি তদন্ত করছেন জেনে আমি আনন্দিত তাদেরকে আমি শ্রদ্ধা জানাই। আমি চাই আমার মেয়ের প্রকৃত খুনিদের ফাঁসি হোক।

তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই হবিগঞ্জের ইন্সপেক্টর শরীফ রেজাউল করিম বলেন, আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করছি। অচিরেই এ মামলার প্রতিবেদন আদালতে পেশ করা হবে।

এ মামলার বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, শিশু ইতি হত্যা মামলাটি পিবিআই হবিগঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি তদন্ত করছেন।
জেডিসি পরিক্ষার্থীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ

জেডিসি পরিক্ষার্থীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ



জেলা প্রতিনিধি।। ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার কলুরগাঁও গ্রামের এক দিনমজুর কন্যা জেডিসি পরীক্ষার্থীকে (১৩) অপহরণ করে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ধর্ষণের পর অচেতন অবস্থায় শুক্রবার (১ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার দাইরগাঁও মাদ্রাসার সামনে ফেলে রেখে যায় অপহরণকারীরা। এর আগে গত ৬ অক্টোবর ওই ছাত্রীকে তার বাড়ি থেকে অপহরণ করা হয়।

জানা গেছে, ঢাকা, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ওই ছাত্রীকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে দুই সন্তানের জনক বিপ্লব মেকার (৪৪), দুই সন্তানের জনক ওয়াশির খাঁ (২৬) ও দুই সন্তানের জনক শারফুল শেখ (২৫)।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দাইরগাঁও দাখিল মাদ্রাসার জেডিসি পরীক্ষার্থী ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় আসা-যাওয়ার পথে উত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিতো দাইরগাঁও গ্রামের বিপ্লব মেকার। বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানালে ছাত্রীর বাবা বিপ্লব মেকারকে উত্যক্ত করতে নিষেধ করে। এতে বিপ্লব ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রীকে অপহরণের হুমকি দেয়। এরপর গত ০৬ অক্টোবর রবিবার সন্ধ্যায় একটি সিনজি করে বিপ্লব, ওয়াশির ও শারফুল ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক অপহরণ করে। ঘটনার পরপরই ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পাগলা থানা পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়। পরে থানায় একটি জিডি করা হয়। ঢাকা, ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এরপর শুক্রবার ভোরে ওই মাদ্রাসার সামনে প্রায় অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে যায় তিনি যুবক। ফজরের নামাজের সময় মুসল্লিরা ছাত্রীকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগির দিনমজুর পিতা বলেন, আমি অসহায়, টাকা পয়সা নাই, কিন্ত আমার মেয়ের ধর্ষণের বিচার চাই। এদের নামে আগেও নারী নির্যাতনের মামলা আছে। এরা প্রভাবশালী এদের কেউ কিছু করতে পারে না।

এ ব্যাপারে পাগলা থানার ওসি মো. শাহিনুজ্জামান পূর্বপশ্চিমকে বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাবা-ছেলে মিলে যুবতীকে ১০ বছর ধরে ধর্ষণ!

বাবা-ছেলে মিলে যুবতীকে ১০ বছর ধরে ধর্ষণ!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। বাবা ও ছেলে মিলে ২০০৭ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১০ বছর সময়ে দুই যুবতীকে ধর্ষণ করেছে।ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার।

জানা গেছে, অভিযুক্ত বাবার নাম ফ্রাঁসিস কিলিং। তার বয়স ৭৩ বছর। আর ছেলের নাম নাথানিয়েল কিলিং। তার বয়স ৩৮ বছর।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১০ বছর ধরে তারা দুই যুবতীকে ধর্ষণ করে আসছেন। হাসপাতালের বেডে, চার্চে। যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন, তাদেরকে একা পেয়েছেন অমনি তাদেরকে ধর্ষণ করেছেন তারা। এখন বিচারের জন্য অপেক্ষায় আছেন এই পিতাপুত্র।

অভিযোগ আছে, তারা প্রতিদিন ওই যুবতীদের ধর্ষণ করতেন। তাদের বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ২১৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার বেকলিতে অবস্থিত একটি চার্চের বেসমেন্টে ২৪ ঘণ্টায় তিনবার এক যুবতীকে ধর্ষণ করেছেন ফ্রাঁসিস। নির্যাতিত যুবতীরা এর পর মে মাসে পুলিশে অভিযোগ দেন। দু’এক মাসের ব্যবধানে গ্রেফতার করা হয় বাবা-ছেলে দু’জনকেই। বলা হয়, নির্যাতিত ওই দুই যুবতী তাদের আত্মীয়। তবে কেমন আত্মীয়, বা কি হন তারা, তাদের নাম, এর কিছুই প্রকাশ করা হয়নি।

এক যুবতী অভিযোগ করেছেন, তিনি একটি হাসপাতালের বিছানায় ছিলেন। সেখানে সেই বিছানা শেয়ার করতে তাকে বাধ্য করেন ফ্রাঁসিস। এ সময় তাকে ধর্ষণ করেন তিনি।

তার আরও অভিযোগ, তিনি একা ঘুমানোর চেষ্টা করছেন এমনটা বুঝতে পারলেই তার পিছু নিতো ফ্রাঁসিস। বাধ্য করতো তার বিছানায় জায়গা দিতে। সেখানেই তার ওপর যৌন লালসা মিটিয়ে নিতো। অভিযোগের পর গত ২৫ আগস্ট গ্রেফতার করা হয় ফ্রাঁসিসকে। একজন রক্ষক, অভিভাবক হয়ে যৌন নির্যাতন, যৌন সম্পর্ক স্থাপন ও যৌন হয়রানিসহ ৫২টি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অন্যদিকে, তার ছেলে নাথানিয়েলকে গ্রেফতার করা হয় ২১ অক্টোবর। তার বিরুদ্ধে ২০টি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে জেলে রাখা হয়েছে বাবা-ছেলে দু’জনকেই ।

01 November 2019

মাদরাসাছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ, কৌশলে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটান ধর্ষকের মা

মাদরাসাছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ, কৌশলে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটান ধর্ষকের মা

প্রতিকি ছবি

জেলা প্রতিনিধি।। রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় যশাই ইউনিয়নের বাঁশবাড়ী গ্রামের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদরাসাছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ছাত্রীটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে।

এরপর গর্ভপাত করানো হয়।

এই অভিযোগে ওই ছাত্রী বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে পাংশা থানায় মামলা করেন।

জানা গেছে, একই গ্রামের গফুর খাঁর ছেলে কাবিল খাঁ দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই মাদরাসা ছাত্রীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এ সম্পর্কের জের ধরে ওই ছাত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়েন। বিষয়টি কাবিল খাঁকে জানালে এবং বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। একইসঙ্গে কৌশলে কাবিলের মা বড়ই বেগম ওই ছাত্রীকে গর্ভপাত করানোর ওষুধ খাইয়ে তার গর্ভপাত ঘটান।

বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা না হওয়ায় ওই ছাত্রী নিজে বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় মামলা করে।

মামলার আসামিরা হলেন- কাবিল খাঁ, তার মা বড়ই বেগম, একই গ্রামের গফুর খাঁর ছেলে মঞ্জু খাঁ, হিসাই মিয়ার ছেলে সোনাই মিয়া, ইসলাম মিয়ার ছেলে নিলু মিয়া।

এদিকে ওই মামলা তুলে নিতে আসামিপক্ষ হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা গোলাম রব্বানী মোল্লা। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত কোনও আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
থানা থেকে মাত্র কয়েক গজ ব্যবধান, তবুও গাজীপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দুর্ধর্ষ চুরি

থানা থেকে মাত্র কয়েক গজ ব্যবধান, তবুও গাজীপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দুর্ধর্ষ চুরি


ছবিঃ সংগৃহীত
স্টাফ রিপোর্টার।। গাজীপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা মসজিদের প্রতিটি তলার কয়েকটি গেইটের তালা কেটে ভেতরে ঢুকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসি টিভি) সিডিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও মালামাল নিয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় এবং জিএমপির সদর থানা থেকে মাত্র কয়েক গজ ব্যবধানে এ মসজিদে চুরির ঘটনায় মুসল্লিসহ স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি গাজীপুর মহানগর এলাকায় ছিনতাই ও চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।

গাজীপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি জানান, গাজীপুর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র জয়দেবপুর বাজার এলাকায় দোতলা বিশিষ্ট এ মসজিদে গত বুধবার দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা হানা দেয়। তারা মসজিদের উত্তরের ও ভেতরের কলাপসিবল গেটের তালা কেটে ভেতরে ঢুকে প্রতিটি তলাতেই প্রবেশ করে। দুর্বৃত্তরা মসজিদের অফিস রুমে রাখা মসজিদের সিসি টিভির ডিভিআর ভেঙে হার্ডডিস্ক ও সিডি এবং মাইকের অ্যামপ্লিফায়ারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী নিয়ে যায়।

এ ছাড়া নিচতলায় মেহরাবে থাকা অটোবির একটি আলমারিসহ দ্বিতীয় তলার কয়েকটি আলমারি ভেঙে  মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায় এবং কাগজপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল তছনছ করে। ফজরের নামাজের সময় খাদেম আমীর হামজা মসজিদে এসে চুরির ঘটনা দেখতে পেয়ে খতিব ও মোয়াজ্জিনসহ অন্যদের জানান।

মুসল্লিসহ স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, গাজীপুর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র জয়দেবপুর বাজার এলাকার এ মসজিদের মাত্র কয়েক গজের ব্যবধানে জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় এবং জিএমপির সদর থানাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মসজিদ ও বাজার কমিটির পৃথক উদ্যোগে ওই এলাকায় পাহারার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে পুলিশের একাধিক টহল টিম। এসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেদ করে গাজীপুর কেন্দ্রীয় মসজিদে চুরির ঘটনায় মুসল্লিসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ। তারা এ ব্যাপারে মসজিদ কমিটির সভাপতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও সাধারণ সম্পাদক গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

জিএমপির সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান এ ব্যাপারে জানান, কেন্দ্রীয় মসজিদে চুরির ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে মৌখিকভাবে চুরির সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শিগগিরই গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

31 October 2019

ভোলায় মহানবী কে নিয়ে কটূক্তিঃ সেই বিপ্লব রিমান্ড শেষে কারাগারে, রবিবার শুনানি হলে জামিন পাবার আশা

ভোলায় মহানবী কে নিয়ে কটূক্তিঃ সেই বিপ্লব রিমান্ড শেষে কারাগারে, রবিবার শুনানি হলে জামিন পাবার আশা



স্টাফ রিপোর্টার।। ভোলায় বোরহানউদ্দিনে নবী কারীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ফেসবুকে কটূক্তির দায়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গ্রেফতার হওয়া বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য শুভসহ ৩ জনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বুধবার রাতে আদালতে হাজির করার পর আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাইমিনুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ মুহম্মদ সানাউল হক এর আদালতে বিপ্লব চন্দ্র বৈদ্য শুভ, রাফসান ইসলাম শরীফ ও মুহম্মদ ইমনকে রিমান্ড শেষে হাজির করা হয়। এ সময় আদালতের বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম জানান, আসামিদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেছি। আগামী রবিবার শুনানি হলে আসামিদের জামিন পাব বলে আশা করি। কারণ ইতিমধ্যে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে বিপ্লবের আইডি হ্যাক হয়েছে। সেই মর্মে আমরা গত ১৮ অক্টোবর বোরহানউদ্দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। সুতরাং আমি মনে করি বিপ্লবের জামিনে কোন আইনগত বাধা থাকবে না।

উল্লেখ্য, ভোলায় বোরহানউদ্দিনে নবী কারীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির প্রতিবাদে স্থানীয় জনতা প্রতিবাদ মিছিল বের করলে তাতে গুলি ছুড়ে পুলিশ। এতে করে অন্তত ৪ জন শহীদ হয়। এছাড়াও এ ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়।
সিলেটে তরুণীকে ১০ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ

সিলেটে তরুণীকে ১০ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ

প্রতিকি ছবি

সিলেট প্রতিনিধি।।
  
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১০ দিন আটকে রেখে বিশ্বনাথের এক তরুণীকে ধর্ষণ করেছে বিত্তবান পরিবারের যুবক হাবিব আলী মিঠু (২৪)। সে উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের কোনাউড়া নোয়াগাঁও গ্রামের মনোহর আলীর পুত্র। এ ঘটনায় নওধার বৈরাগীগাঁও গ্রামের দিনমজুর তরুণীর পিতা বাদী হয়ে অভিযুক্ত হাবিব আলী মিঠুকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। এরআগে গত ২০শে অক্টোবর আসামি মিঠুসহ ধর্ষিতাকে থানায় হাজির করা হলেও রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দেয় পুলিশ। কিন্তু ছেড়ে দেওয়ার ৯দিন অতিবাহিত হওয়ার পর নিজেদের গা বাঁচাতে পুলিশ মামলা নিতে বাধ্য হয়। 

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গত ১১ই অক্টোবর দুপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় হাবিবুর রহমান মিটু। এরপর দীর্ঘ ১০ দিন তার বাড়িতে একটি নির্জন ঘরে রেখে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। পরিবারের লোকজন মেয়েকে না পেয়ে ৭ দিন পর ১৮ই অক্টোবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা।

30 October 2019

সিরাজগঞ্জে পবিত্র মসজিদের ৫০ হাজার টাকা মেরে দিলেন পৌরসভার মেয়র

সিরাজগঞ্জে পবিত্র মসজিদের ৫০ হাজার টাকা মেরে দিলেন পৌরসভার মেয়র



জেলা প্রতিনিধিঃ পবিত্র মসজিদের নামে বরাদ্দকৃত অনুদানের ৫০ হাজার টাকা পকেটে ভরেছেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম। এসএম নজরুল ইসলাম পৌর আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির সভাপতি।

পৌর এলাকার ঘোষগাতি মৃধাবাড়ি পবিত্র জামে মসজিদের নামে বরাদ্দকৃত অনুদানের ৫০ হাজার টাকা এখনো পায়নি মসজিদ কমিটি। অনুদানের ওসব টাকা মেয়র আত্মসাৎ করেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।

জানা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে উল্লাপাড়ার ঘোষগাতি মৃধাবাড়ি পবিত্র জামে মসজিদের নামে ৫০ হাজার টাকা এডিপি থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু দুই বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত মসজিদের বরাদ্দের টাকা দেননি মেয়র।

ঘোষগাতি মৃধাবাড়ি পবিত্র জামে মসজিদের সভাপতি ফজলুল হক মৃধা বলেন, অনেকবার পৌর মেয়রের কাছে গিয়েও আমাদের বরাদ্দকৃত টাকা পাইনি। পরে শুনেছি মেয়র নজরুল ইসলাম আমাদের মসজিদের টাকা তুলে মেরে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র এসএম নজরুল ইসলাম বলেন, এডিপির বরাদ্দে কিছু সমস্যা হয়। তবে ঘোষগাতি মৃধাবাড়ি পবিত্র জামে মসজিদের নামে বরাদ্দকৃত ৫০ হাজার টাকা মসজিদ কমিটি এখনো পায়নি। দুই বছরেও কেন মৃধাবাড়ি জামে মসজিদের নামে বরাদ্দকৃত অর্থ তারা পায়নি সে প্রশ্নের উত্তর দেননি পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম।