![]() |
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সম্প্রতি মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুহম্মদ নাশিদসহ
নয় রাজবন্দীর মুক্তির নির্দেশ দেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু ওই রাজবন্দীদের মুক্তির আদেশ প্রত্যাখ্যান
করেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন। তিনি দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন। ফলে দেশে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শুরু হয়। আর এরই ধারাবাহিকতায় মালদ্বীপের রাজনৈতিক সঙ্কট আরও খারাপ হতে পারে বলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন সংস্থাটির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
জরুরি অবস্থা
জারির কারণে দেশের পরিস্থিতি আগের চেয়ে আরও খারাপ হতে পারে বলে বৃহস্পতিবার আশঙ্কা
ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ জেনকা। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মালদ্বীপের
চলমান পরিস্থিতি নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে।
মিরোস্লাভ
জেনকা জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বলেন, যদিও এখনও মালদ্বীপে কোনো ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি তবুও উদ্বেগ রয়ে গেছে এবং
পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে।
চলতি মাসের ১ তারিখে
মালদ্বীপে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়। কিন্তু এ বিষয়ে প্রথমবারের মতো আলোচনা করল জাতিসংঘের
নিরাপত্তা পরিষদ। তবে ওই বৈঠকের পরে কোনো বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
জরুরি অবস্থা
প্রত্যাহার করে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। এদিকে, প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের এমন সিদ্ধান্তকে গণতন্ত্রের ওপর হামলা বলে উল্লেখ করেছেন
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থার প্রধান জেইদ রা'দ আল হুসেইন।
রাজনৈতিক
অস্থিতিশীলতার মধ্যেই বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি ও ব্রিটেনের একটি প্রতিনিধি দল মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ
ইয়ামিনের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তাও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
খবর বিভাগঃ
আন্তর্জাতিক
0 facebook: