Showing posts with label খুলনা বিভাগ. Show all posts
Showing posts with label খুলনা বিভাগ. Show all posts

23 September 2019

বাচ্চাকে নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে বিচার চাইতে কেশবপুর থানার পুলিশের নিকট হনূমানের দল

বাচ্চাকে নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে বিচার চাইতে কেশবপুর থানার পুলিশের নিকট হনূমানের দল


স্টাফ রিপোর্ট।। কোন এক বখাটে হনূমানের একটি বাচ্চাকে মারপিট করায় একদল (বিরল প্রজাতির কালোমুখ) হনূমান যশোরের কেশবপুর থানা ঘেরাও করে বিচার চাওয়ার আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটেছে।

রোববার দুপুরে ২০-২৫টি হনূমান থানার প্রধান ফটকে অবস্থান নেয়। তারা এক পর্যায়ে ডিউটি অফিসারের কক্ষে ঢুকে পড়ে।

কেশবপুর থানার ওসি মুহম্মদ শাহিন সাংবাদিকদের বলেন, একটি মা হনুমান কোলে বাচ্চা নিয়ে প্রথমে থানায় আসে। বাচ্চাকে কেউ মারপিট করে আহত করেছে। এর পর-পরই প্রায় ২০-২৫টি হনুমান দলবদ্ধভাবে থানার প্রধান ফটকের সামনে ও ডিউটি অফিসারের কক্ষে অবস্থান নেয়।

হনুমানের হামলাকারীদের বিষয়ে অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে বিচারের আশ্বাস দেন ওসি। এরপর কিছু শুকনো খাবার দিলে ঘণ্টাখানেক অবস্থান করে তারা চলে যায়।

কেশবপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা আব্দুল মোনায়েম হোসেন জানান, শহর ও শহরতলীতে প্রায় ৫ শতাধিক হনুমান রয়েছে। তাদের জন্য প্রতিদিন মাত্র ৩৫ কেজি কলা, ২ কেজি বাদাম ও ২ কেজি পাউরুটি দেয়া হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারে অপ্রতুল। খাবার না পেয়ে হনুমান মানুষের বসতবাড়ি ও অফিসে ঢুকে পড়ে।

তিনি বলেন, হনুমান অত্যন্ত স্পর্শকাতর প্রাণী। তাদের ওপর কেউ হামলা করলে তারা দলবদ্ধভাবে এভাবে থানায় যায়। ইতিপূর্বে এ রকম একাধিক ঘটনা ঘটেছে।

28 August 2019

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জন্মাষ্টমী পালিত, ধিক্কার জানাচ্ছেন সচেতন মুসলিম সমাজ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জন্মাষ্টমী পালিত, ধিক্কার জানাচ্ছেন সচেতন মুসলিম সমাজ

জন্মাষ্টমী পালনে ব্যস্ত ভক্তবৃন্ধ। ফাইল ফটো
স্টাফ রিপোর্টার।। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দুদের ভগবান কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও বাংলা বিভাগের শিক্ষক তপন কুমার রায়, প্রেসক্লাবের সভাপতি ফেরদাউসুর রহমান সোহাগসহ এ সময় উপস্থিত ছিল আরও অনেকে। পূজা অর্চনা শেষে সকলের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

গত রবিবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলানায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায়।

তবে এই ঘটনার জানাজানি হলে সোশ্যাল মিডীয়ায় অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি পূজা আর্চনার মতো ভয়ংকর শিরক এর চালু হয় তাহলে দ্রুত তার নাম বদল করে ফেলাই মঙ্গল। অন্তত ইসলামের জন্ম যে শিরক কে সমাজ থেকে ক্লিন করার জন্য হয়েছিলো সেই ইসলামের দুর্নাম অন্তত কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

24 August 2019

যবিপ্রবিতে মসজিদের বদলে মন্দির তৈরির ঘোষণা উপাচার্য ড. আনোয়ার হোসেনের

যবিপ্রবিতে মসজিদের বদলে মন্দির তৈরির ঘোষণা উপাচার্য ড. আনোয়ার হোসেনের

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যালি
স্টাফ রিপোর্টার। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি সম্প্রসারণের পর যে প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে, সেখানে সনাতন পরিবারের জন্য একটি মন্দির তৈরি করা হবে। ভূমি সম্প্রসারণের কর্মকাণ্ড অনেক দূর এগিয়েছে।

শুক্রবার সকালে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ‘সনাতন পরিবার’ আয়োজিত শোভাযাত্রা পরবর্তী সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন।

এর আগে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক হতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। ঢোল-তবলা বাজিয়ে কৃষ্ণের নাম-গানের মাধ্যমে ধরাধমে তার আগমনকে স্বাগত জানানো হয়।

অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষের মধ্যে যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি আছে, সুন্দর অবস্থান আছে, বিশ্বে এটা বিরল। এক ধর্মের মানুষের সঙ্গে অন্য ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক এতো সুন্দর, এতো মধুর; এটা বিশ্বের কোথাও নেই। এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। এ ধরনের আয়োজন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন পরিবারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ‘সনাতন পরিবার’ এর সভাপতি অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, যবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. নাজমুল হাসান, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নাসিম রেজা, পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মৌমিতা চৌধুরী, রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সুমন চন্দ্র মোহন্ত, পরিচালক (পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও পূর্ত) পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. দীপক কুমার মণ্ডল প্রমুখ।

সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্ব শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের নিচতলায় কৃষ্ণের পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ভক্তবৃন্দের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

16 August 2019

খুলনার হিন্দু কর-কমিশনার প্রশান্ত রায়ের ছেলে ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার, নিজের বৌভাত খেলো হাজতে

খুলনার হিন্দু কর-কমিশনার প্রশান্ত রায়ের ছেলে ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার, নিজের বৌভাত খেলো হাজতে

হাজতে বৌভাতের খাবার খেলেন বর । ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক।। ধর্ষণের দায়ে জেলহাজতে বন্দি এক আসামি। তার নাম শিঞ্জন রায় (২৫)। জেলহাজতে বসেই নিজের বৌভাতের খাবার খেতে হয়েছে তাকে। এমনি এক ঘটনা ঘটেছে খুলনায়।

ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার হওয়া আসামি শিঞ্জন রায় নিজের বৌভাতে থাকতে পারেনি। জেলহাজতে বসেই বৌভাতের খাবার খেতে হয়েছে তাকে। শিঞ্জন খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ছাত্র ও খুলনার কর কমিশনার প্রশান্ত রায়ের ছেলে।

ধর্ষিতা একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় শুক্রবার মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ এ মামলার আসামি শিঞ্জন রায়কে আদালতে চালান করবে বলে জানিয়েছে।

এদিকে বর শিঞ্জন রায়কে ছাড়াই শিববাড়ি এলাকার একটি অভিজাত হোটেলে চলছে বৌ-ভাতের অনুষ্ঠান। সেখান থেকেই খাবার পাঠানো হয় সোনাডাঙ্গা থানা হাজতে থাকা শিঞ্জনকে। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যাইলে মিডিয়ার সামনে মুখ খোলেননি শিঞ্জনের পরিবারের কেউ।

উল্লেখ্য, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির এলএলবি'র এক ছাত্রীকে (২০) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে শিঞ্জন রায় দিনের পর দিন। অথচ তাকে রেখে বিয়ে করে অন্য এক মেয়েকে। ঘটনা জানতে পেরে ভিক্টিম ছাত্রি পুলিশের শরণাপন্ন হয়ে থানায় অভিযোগ জানালে গতকাল রাতে শিঞ্জন রায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রী বাদী হয়ে নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় এজাহার দাখিল করেছেন।

06 August 2019

হিন্দু দারোগা ও ওসি মিলে মাদ্রাসা ছাত্রের মা-কে রাতভর ধর্ষণ, বাঁচতে মিথ্যা মাদক মামলা

হিন্দু দারোগা ও ওসি মিলে মাদ্রাসা ছাত্রের মা-কে রাতভর ধর্ষণ, বাঁচতে মিথ্যা মাদক মামলা


স্টাফ রিপোর্টার।। তিন সন্তানের জননী (৩০) নিজের সম্ভ্রম রক্ষার জন্য আকুতি-মিনতি করেও হৃদয় গলাতে পারেনি। স্যার আমার ছেলে মাদরাসায় পড়ে। আমাকে এভাবে শেষ করে দিবেন না। এ সময় ওসি অট্রহাসি দিয়ে বলে-‘তোর এখনও ভরা যৌবন, এ দিয়েই তো চলে’-এই বলে সে আমাকে বিবস্ত্র করে ফেলে তার রুমের মধ্যে ধর্ষণ করে। সে চলে যাবার পরে থানার গৌতম দারোগাসহ চারজন পুলিশ রাতভর আমার উপর নির্যাতন চালায়।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সেই রাতে খুলনা রেলওয়ে (জিআরপি) থানার ওসি ওসমান গনি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের ধর্ষণের বর্ণনা দিতে দিতে হাউমাউ করে কেদে ওঠেন এবং মূর্ছা যান। এ সময় তার দূরে ধর্ষিতার সাত ও আড়াই বছরের দু’টি কন্যা সন্তান নিয়ে তার বৃদ্ধা মা আম্বিয়া বেগম দাঁড়িয়েছিল।

এর আগে, ৪ আগস্ট রোববার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খুলনার আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জিআরপি থানার ওসির রুমে রেখে রাতভর ধর্ষণের ঘটনাও বর্ণনা দেন ওই নারী।

আদালতের নির্দেশে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রোববার রাতে ওই নারীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু সময়স্বল্পতার কারণে পরীক্ষা হয়নি। সোমবার তাকে আবারো হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। বিকেলে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এদিকে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ওসি ওসমান গনি মোটা অংকের টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু সমঝোতায় রাজি না হওয়ায় তিনি হুমকি দিচ্ছেন বলেও ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন।

এ ঘটনাটির তদন্তের জন্য কুস্টিয়া রেলওয়ের সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদকে সভাপতি ও ডিআইও-১ এর পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) স ম কামাল হোসেন এবং দর্শনা রেলওয়ের ইমিগ্রেশন ক্যাম্পের অফিসার ইনচার্জ মুহম্মদ বাহারুল ইসলামকে সদস্য করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদেরকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

ধর্ষিতা গৃহবধুর খালাতো ভাই শাহাবুদ্দিন মাতব্বর জানান, গত শুক্রবার তার বোন (৩০) যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসেন। এদিন রাত সাড়ে সাতটার দিকে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা তাকে সন্দেহ করে ধরে নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে জিআরপি পুলিশের ওসি ওসমান গণি পাঠান তাকে ধর্ষণ করে। এরপর আরও চার পুলিশ কর্মকর্তা (সদস্য) তাকে ধর্ষণ করে।

পরদিন শনিবার ওই নারীকে ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে বিচারকের সামনে নেওয়ার পর ওই নারী জিআরপি থানায় তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা তুলে ধরেন। এরপর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খুলনার আদালতে ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন।

ফেনসিডিল দিয়ে ফাঁসানো ও জিআরপি পুলিশের চাঁদা দাবি প্রসঙ্গে গৃহবধূর ভাই মুহম্মদ সেলিম হাওলাদার জানান, আমাকে পুলিশ বলে, তোমার বোনকে মোবাইল চুরির জন্য ধরে নিয়ে আসছি। আমি বলেছি, স্যার আমার বোনতো এসব করে না। পুলিশ বলে, এই তুমি বেশি জানো? এই একে ধরো। বোনের সঙ্গে ভাইরেও লকআপে ভরো। আমি বলি স্যার কি বলছেন? তিনি বলে, এই বেশি কথা বলবি না। যা বাসা থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে আয়। আমি বলি, আমরা গরিব মানুষ টাকা পাব কই? তিনি বলেন, টাকা পাবি কই আমি জানি না। তুই টাকা নিয়ে আয়। তা না হলে ওরে ছাড়ব না।

এরপর রাত ১০টা পর্যন্ত আমি ওইখানে বসে থাকি। আমাকে অনেক ভয়-ভীতি দেখাইছে। ‘ফেনসি দিমু নয় বাবা দিয়া চালান দিয়া দিমু।’ যাও বাসায় যাও, ভালো লোক হয়ে থাকলে বাসায় যাও। আমি ভয়ে চলে আসছি। চলে আসার পর ভোর ৬টায় গেছি। যাওয়ার পরে বলে, এদিকে এসো, টাকা আনছো? আমি বলি স্যার আমরা গরিব মানুষ, আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না। ঠিক আছে এখন ৭ বছর জেল খাটলে.. এরপর আমাকে বলে এই ভোটার আইডি কার্ড ফটোকপি করে আনো। আমি আনছি, আনার পরে এবার আমার ছোট বোনকে বের করেছে।

আমাকে ফটোকপি আনতে দিয়ে ফেনসিডিল দিয়ে ওরে বের করছে। আমি বলি স্যার এই আনছি। এরপর আমার বোন আমারে জড়িয়ে ধরে বলে, ভাইয়া আমারে পাঁচটি ফেনসিডিল দিয়েছে ব্যাগে। আমি বলি আমাকে ফটোকপি আনতে দিলেন, এখন পাঁচটি ফেনসিডিল দিয়ে চালান দিলেন। এরপর পুলিশ বলে, ‘এই বেডা বেশি কথা কবি না। আমি তখন একা ছিলাম। ভয়ে আমি আর তখন কিছু বলিনি।’