Showing posts with label বৈদেশিক শত্রু. Show all posts
Showing posts with label বৈদেশিক শত্রু. Show all posts

30 September 2019

আট বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় বাহিনী বিএসএফ

আট বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় বাহিনী বিএসএফ


ডেস্ক রিপোর্ট।। ভারতে কথিত প্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে সিমান্ত থেকে ৮ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সিমান্ত বাহিনী বিএসএফ।

অন্যদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধায় পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার গাইঘাটা থানার গোবরাপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে ৬৪ নম্বর বেটেলিয়ানের জওয়ানরা।

পরে তাদের গাইঘাটা থানা পুলিশের হাতে তুল দেয় বিএসএফ। তাদের মধ্যে ৫ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ রয়েছে। শুক্রবার সকালে তাদের বনগাঁ মহকুমা আদালতে পাঠায় পুলিশ।

27 August 2019

মিয়ানমারের ৪ বৌদ্ধ সন্ত্রাসী নাফ নদীর পানি সীমায় আটক, থানায় হস্তান্তর

মিয়ানমারের ৪ বৌদ্ধ সন্ত্রাসী নাফ নদীর পানি সীমায় আটক, থানায় হস্তান্তর

পানি সিমান্তে টহলরত বিজিবি। ফাইল ফটো
স্টাফ রিপোর্টার।। নাফ নদীতে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রেবেশ কারী সন্দেহভাজন স্পিডবোটসহ মিয়ানমারের ৪ বৌদ্ধ সন্ত্রাসীকে আটক করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার।

সোমবার (২৬ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রেবেশ করায় সন্দেহজনকভাবে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হল লি উইন কো ম্যায়েং (৩০), ইয়ানাং তুন (৩১), প্যায়াং গি (২৫) ও ক্য ক্য (২৮)।

মেজর শরীফুল বলেন, রোববার রাতে টেকনাফ সদরের নাজিরপাড়া সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে কয়েকজন লোককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে বিজিবির সদস্যরা থামতে বলেন। কিন্তু তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।

এ সময় বিজিবির সদস্যরা তাদের ধাওয়া দিয়ে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা মিয়ানমারের নাগরিক বলে স্বীকার করেছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের পর টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান বিজিবির এ উপ-অধিনায়ক।

22 July 2019

মুশরিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ বাংলাদেশঃ মার্কিন প্রতিবেদন

মুশরিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ বাংলাদেশঃ মার্কিন প্রতিবেদন

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। ছবি: ইউএস অ্যামবাসির ওয়েবসাইট
স্টাফ রিপোর্টার॥ প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে, ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিতে চললেও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের পরিপূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারেনি বাংলাদেশ। তাদের উচ্ছেদ ও দখল হয়ে যাওয়া জমি ফেরত দিতে দিতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। মুশরিক হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনের বাড়িতেও আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটেছে।

পাঠ্যপুস্তকে ঐতিহ্যগত ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়গুলোয় তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। পাঠ্যপুস্তক থেকে অমুসলিম লেখকদের লেখা সরিয়ে ধর্মের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন সব বিষয়েও ধর্মীয় উপাদান যুক্ত করা হয়েছে।

২০১৭ সালে বাংলাদেশ-সহ প্রায় ২০০টি দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকাস্থ আমেরিকান সেন্টারের একটি বিবৃতিতে বলা হয়, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, যেমনঃ হিন্দু, বৌদ্ধ, ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষদের উচ্ছেদ ও তাদের জমি দখল হয়ে যাওয়ার বিষয়ে কার্যকর সুরক্ষা দিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

গত বছর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন, বিশেষ করে বৌদ্ধ ও হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। জুন মাসে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চাকমাদের ৩০০ বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় ৭০ বছর বয়সী এক নারী হামলায় নিহত হন। একজন মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনা থেকে আগুন-সহিংসতার সূত্রপাত ঘটে। ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর পোস্ট দেয়ার অভিযোগে দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা রংপুরে হিন্দুদের ৩০টি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়।

এতে বলা হয় হয়, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাংলা পাঠ্যপুস্তক থেকে দেশটির ঐতিহ্যগত ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়গুলোতে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। যেমন অমুসলিম লেখকদের লেখা সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং ধর্মের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন সব বিষয়েও ধর্মীয় উপাদান যুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলা হয়েছে, দেশটির সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে উল্লেখ করা হলেও দেশটি ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিতে চলে। ধর্মীয় বৈষম্য নিষিদ্ধ করে সব ধর্মের জন্য সমতার কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ধর্মীয় সহিষ্ণুতার ওপর জোর দিয়ে মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিক, বেসরকারি সংস্থা ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দূতাবাসের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

ঢাকাস্থ আমেরিকান সেন্টারের বিবৃতি পাবেন (এখানে) Bangladesh 2017 International Religious FreedomReport

03 July 2019

ইসরাঈলে গিয়ে ইহুদী হলো রেলের এডিজির ছেলে, রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারের শঙ্কা!

ইসরাঈলে গিয়ে ইহুদী হলো রেলের এডিজির ছেলে, রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারের শঙ্কা!


স্টাফ রিপোর্টারঃ ইসরাঈলে গিয়ে ইহুদী হয়েছে ঢাকায় রেল ভবনের একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) মুহম্মদ শামসুজ্জামানের প্রবাসী ছেলে, এতে তাকে নিয়ে রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারের শঙ্কায় কানাঘুষা শুরু হয়েছে দেশজুড়ে।

অনলাইনে বিভিন্ন ভিডিওতে তাকে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণার পাশাপাশি ইসরাঈলের ভূয়সী প্রশংসাও করতে দেখা গেছে। ওই ভিডিওতে নিজেকে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ইসরাইল সফরকারী ও দেশটির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কথাও বলেছে সে। সিলেটের, কুলাউড়ার ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার পর ওই এডিজির ছেলের ইসরাঈল কানেকশনের বিষয়টি নতুন করে সামনে আসে। এরপর থেকেই এটি নিছক শোনা ঘটনা নাকি নাশকতা তা খতিয়ে দেখছেন দেশের গোয়েন্দারা।

সূত্র জানায়, সাদমান জামান এরই মধ্যে ধর্ম ত্যাগ করে ইহুদীবাদে অনুরক্ত হয়েছে। সে ঘোষণাও সে নিজের ভিডিও তে দিয়েছে। এমনকি নিজের সঙ্গে ইসরাঈলী কতৃপক্ষের বড় কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্পর্কের কথাও বলেছে। ভিডিওটির এসব বিষয় জানাজানি হলে বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারাও জানতে পারেন। তবে তার বাবা এডিজি শামসুজ্জামান বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই বলে বিভিন্ন সময়ে দাবি করে আসছেন। শামসুজ্জামান ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগের কথা বললেও বরাবরই তিনি ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন। এমনকি নিজের অর্থ-সম্পদও লন্ডনে ছেলের নামে করেছেন।

অবশ্য রেলওয়ের ডিজি (রেলিং স্টোকস) মুহম্মদ শামসুজ্জামান এই প্রতিবেদককে বলেন, তার ছেলে সাদমান জামান একজন চিকিৎসক। ছেলে যেহেতু তার, যোগাযোগ তো থাকবেই। প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে কি করলো-সে দায় তার নয়। তবে তিনি সাদমানের ইসরাঈলের সঙ্গে যোগাযোগকে সমর্থন করেন না। তবে নিজের অর্থ সম্পদ ছেলের নামে করার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শামসুজ্জামান প্রায় বছর লন্ডন গিয়ে ছেলের কাছে থাকেন। সেখানে তার ছেলের একটি বিলাশবহুল বাড়ি রয়েছে এবং দুটি দামী গাড়িও রয়েছে। শামসুজ্জামান রেলের এডিজি পদে থাকলেও গোপনে তিনি দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা করেন। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই রেলের বগিসহ বিভিন্ন কেনাকাটাও করা হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালে নিজের পরিচিত একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রেলের বগিও আমদানী করেন তিনি। এ খাত থেকে তার লভ্যাংশ লন্ডনে ছেলের একাউন্টে পাঠানো হয়। এছাড়াও দুই ঠিকাদারকে রেলের কেনাকাটায় সুযোগ করে দেওয়ায় তিনি অর্থনৈতিক সুবিধাও পেয়ে আসছেন। তার অংশের টাকা ইন্দোনেশিয়া, হংকং, দুবাই ও চীনের বিভিন্ন আকাউন্টে পাচার করা হয়।

জানতে চাইলে এডিজি শামসুজামান বলেন, তিনি সরকারী চাকরি করেন। তার সঙ্গে কারো কোন গোপন ব্যবসা নেই। বিদেশের কোনো আকাউন্টে টাকাও নেই। ছেলের কি আছে তা তার জানার কথাও নয়। গোয়েন্দাদের তথ্যের সূত্র ধরে ইউটিউবে সাদমান জামানের কয়েকটি ভিডিও পাওয়া যায়। এর একটিতে তাকে বলতে শুনা যায়, সে বাংলাদেশে বেড়ে উঠেছে। ওই সময় তাকে জানানো হয়েছিল, ইসরাইল ফিলিস্তিনের উপর অত্যাচার করছে।

কিন্তু সে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ইসরাইল সফর করে নাকি দেখেছে, দেশটি খুব সুন্দর এবং এখানকার মানুষও ভালো। সে ইসরাইলে প্রবেশের অপরাধে হয়তো আর দেশে ফিরতে পারবে না। দেশে ফিরলে তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এমনকি ফাঁসিও হতে পারে। সে বাংলাদেশের বিভিন্ন সমালোচনা করে বলে, ইসরাইলের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকাটা দুঃখজনক। এক পর্যায়ে সে নিজের বাংলাদেশী পাসপোর্টও ওই ভিডিওতে দেখায়।

আরও যেসব অভিযোগ শামছুজ্জামানের বিরুদ্ধে

রেলের এডিজি শামছুজ্জামানের বিরুদ্ধে শুধু তথ্য পাচার নয়, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আদায়, অর্থপাচারসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র জানায়, এডিজি শামছুজ্জামানের দুজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু রয়েছেন। গত ৪-৫ বছর ধরে তারাই রেলের সব কোচ সরবরাহের টেন্ডার জিতছেন। ওই দুজনকে কাজ পাইয়ে দিয়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে লন্ডনে ছেলেকে একটি বাড়ি ও দুটি অভিজাত গাড়ি কিনে দিয়েছেন। লন্ডনে ছেলে সাদমানের নামে আরও সম্পদ ও ব্যাংক ব্যালেন্স রয়েছে। যার উৎস বাবা এডিজি শামছুজ্জামান।

গোয়েন্দা তথ্যে আরও জানা যায়, শামছুজ্জামানের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু আফসার বিশ্বাস (বিশ্বাস কন্সট্রাকশন ও বাঁধন এন্টারপ্রাইজের মালিক)। ২০১৬ সাল থেকে তারই যোগসাজশে বিশ্বাসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘ইন্দোনেশিয়ার পিটি-ইনকা’ রেলের টেন্ডার পাচ্ছে।

এছাড়া শামছুজ্জামানের আরেক বন্ধু এ টি এম জাফরুল হাসান ডন। তিনি মেগাটেক জিএনবিডি, ঢাকার প্রধান উপদেষ্টা। শামছুজ্জামানের রেফারেন্সে রেলের বগি সরবরাহের বড় একটি কাজ পায় প্রতিষ্ঠানটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, আফসার ও ডন শামছুজ্জামানের ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করেন। ওই দুজন টেন্ডার দুর্নীতির টাকা শামছুজ্জামানকে না দিয়ে সরাসরি তার ছেলের লন্ডনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেন। গোয়েন্দারা সাদমানের অ্যাকাউন্টে ইন্দোনেশিয়া, দুবাই, হংকং, চীন ও সিঙ্গাপুরের কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেনের তথ্য পেয়েছেন। দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

ইসরাঈলে বসবাসরত ছেলের সঙ্গে লন্ডনে গিয়ে সরকারি তথ্য পাচার ও দুর্নীতির বিষয়ে জানতে মুহম্মদ শামছুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। রোববার প্রায় ১০ বার তার সরকারি মোবাইল ফোনে কল দেয়া হয় কিন্তু তিনি রিসিভ করেননি। সরাসরি অ্যাপয়েনমেন্ট চেয়েও পাওয়া যায়নি।

পরে রেল ভবনে তার দফতরে গেলে তিনি তার সহকারী পাঠিয়ে এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি এখন মিটিং নিয়ে ব্যস্ত। কোনো কথা থাকলে আগামী সপ্তাহে বলবেন।

বারবার রেলওয়ের টেন্ডার পাওয়ার বিষয়ে জানতে ‘বিশ্বাস কন্সট্রাকশন’ ও ‘বাঁধন এন্টারপ্রাইজ’র মালিক আফসার বিশ্বাসের ব্যক্তিগত দুটি মোবাইল ফোনে কল দেয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

28 January 2018

আবারো এক বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিএসএফ

আবারো এক বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিএসএফ


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের পিটুনি ও নির্যাতনে লালমনিরহাটের বুড়িমারী সীমান্তে মনজুরুল ইসলাম (২০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহত মনজুরুল পাটগ্রাম উপজেলার নাটারবাড়ি গ্রামের আসাদুল ইসলামের ছেলে। তার শরীরের নানা জায়গায় বিএসএফের নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বুড়িমারী সীমান্তের ৮৩৬ নম্বর মেইন পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বিজিবি রংপুর-৬১ ব্যাটালিয়ন বুড়িমারী ক্যাম্প কমান্ডার ওবাইদুল হক।

তিনি বলেন, ভোরে ৮৩৬ নম্বর মেইন পিলারের কাছে ভারতীয়দের দেয়া গরু আনতে যায় মনজুরুলসহ কয়েক বাংলাদেশি ‘গরু ব্যবসায়ী’।

ফেরার পথে কোচবিহার-৬১ বিএসএফ খড়খড়িয়া ক্যাম্পের সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে মনজুরুলকে ধরে পিটিয়ে ও নানাভাবে নির্যাতন করে সীমান্তের এপারে ফেলে দেয়। পরে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে মনজুরুলের মৃত্যু হয় বলে জানান বিজিবি কমান্ডার।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, মনজুরুলকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

মনজুরুল নিহতের ঘটনায় প্রতিবাদপত্র ও পতাকা বৈঠকের আহ্বান করে বিএসএফকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি কর্মকর্তা ওবাইদুল হক।