Showing posts with label রংপুর বিভাগ. Show all posts
Showing posts with label রংপুর বিভাগ. Show all posts

20 September 2019

নীলফামারীতে মুসলিম স্কুলছাত্রীদের প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্তের অভিযোগে হিন্দুত্ববাদি যুবকের কারাদণ্ড

নীলফামারীতে মুসলিম স্কুলছাত্রীদের প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্তের অভিযোগে হিন্দুত্ববাদি যুবকের কারাদণ্ড


স্টাফ রিপোর্টার।। নীলফামারীর ডোমারে স্কুলছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে এক হিন্দু কাঠমিস্ত্রিকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত দীপু রায় (২২) বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাগডোকরা গ্রামের রমনীপাড়ার সীতা রাম রায়ের ছেলে।

ডোমার পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান তুলু গণমাধ্যমকে জানান, এই হিন্দু কাঠমিস্ত্রি দীপু রায় প্রতিদিন মহিলা কলেজের পাশের রাস্তা দিয়ে কাজে যায়।

‘অভিযোগ রয়েছে, মেয়েদের একা পেলেই সে উত্ত্যক্ত করে। শুক্রবার মেয়েরা প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করলে তারা দীপুর কলার চেপে ধরেন। তারপর এলাকাবাসী আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে খবর দেন।’

ডোমার থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উম্মে ফাতিমা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাঠমিস্ত্রিকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। আজ বিকালেই দীপু রায়কে নীলফামারী জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

24 July 2019

ছেলেধরা গুজব ছড়ানোর হোতা হিন্দু যুবক বেনু রায় অধিকারি বিনয় আটক

ছেলেধরা গুজব ছড়ানোর হোতা হিন্দু যুবক বেনু রায় অধিকারি বিনয় আটক

বেনু রায় অধিকারি বিনয়। ফাইল ছবি
স্টাফ রিপোর্টার॥ ছেলেধরা গুজব ছড়ানোর অভিযোগে এবার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার লেহেম্বা গ্রামের বেনু রায় অধিকারি বিনয় নামের এক হিন্দু যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বধুবার সকালে ওই ছাত্রকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। বিনয় দিনাজপুর সরকারি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র ও লেহেম্বা গ্রামের ডিগেন্দ্র নাথের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ২২ জুলাই ছেলেধরার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এবং অজ্ঞাত ব্যক্তিটি ছেলের গলা কাটার সময় জনগণের কাছে ধরা পড়ে। এমন একটি মিথ্যা তথ্য ফেসবুকে পোস্ট করে বিনয়। এতে এলাকায় ও সারা দেশে ব্যপক আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। তবে বিনয় এখন বলছে, দুষ্টামির জন্য সে এই কাজটি করেছে।

রাণীশংকৈল থানা ওসি আবদুল মান্নান বলেন, ওই ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এর আগের দিন গুজব ছড়ানোর অভিযোগে পীরগঞ্জ উপজেলার চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

02 September 2018

রংপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫

রংপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ রংপুর শহরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আরও ২৪ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২ সেপ্টেম্বর)  শহরের সিও বাজার এলাকায় আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন-গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জের রোকসানা (১৮), আজমুন (৪৫ ) ও পঞ্চগড় জেলার শিশু শাহীন (৮) ।

রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান সাইফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১২টার দিকে রংপুর থেকে পঞ্চগড়গামী বিআরটিসি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে ছেড়ে আসা অন্য একটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে চারজন নিহত হন। আরেকজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ২৪ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান সাইফ বলেন, আমরা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি।

28 July 2018

বড়পুকুরিয়ার কয়লা চুরির নাটের গুরু কারা?

বড়পুকুরিয়ার কয়লা চুরির নাটের গুরু কারা?


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে প্রায় দেড় লাখ টন কয়লা গায়েবের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে খনির কর্মকর্তাদের দায়ী করছে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা। কয়লা গায়েবের ঘটনায় ইতোমধ্যে দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত, এক এমডিকে অপসারণ এবং এক কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। ১৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। খনির চার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও পেয়েছে পেট্রোবাংলা গঠিত তদন্ত কমিটি। তাদের মধ্যেও একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে কয়লা ব্যবসায়ী ও দিনাজপুরের স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, খনির দুর্নীতির মূলে রয়েছেন সদ্য বদলি হওয়া কোম্পানি সচিব ও মহাব্যবস্থাপক আবুল কাশেম প্রধানীয়া। তার সময়েই খনিতে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে। তারা আরও বলেছেন, কয়লা চুরির এই ‘নাটের গুরু’ অগাধ সম্পত্তিও গড়ে তুলেছেন।

শুধু সাংবাদিকদের কাছেই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও খনির কর্মকর্তাদের ছবি দিয়ে তাদের বিষয়ে নানা অভিযোগ ও তথ্য তুলে ধরছেন অনেকে। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে কয়লা খনিতে চাকরি করার সুবাদে আবুল কাশেম প্রধানীয়া বড় ধরনের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন। খনির সব ধরনের কাজের কর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। সদ্য বিদায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহমেদও দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন এখানে। এক সময় তিনিও ছিলেন এখানকার মহাব্যবস্থাপক। পরে পদোন্নতি পেয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন। একই সঙ্গে দুর্নীতির বড় অভিযোগ রয়েছে খনির ব্যবস্থাপক (জেনারেল সার্ভিসেস) মাসুদুর রহমান হাওলাদার ও মহাব্যবস্থাপক (অর্থ ও হিসাব) গোপাল চন্দ্র সাহার বিরুদ্ধেও।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকায় কথা হয় কয়লার ডাস্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ আট বছর ধরে বড়পুকুরিয়ায় কোম্পানি সচিব ও মহাব্যবস্থাপক হিসেবে চাকরি করেছেন আবুল কাশেম প্রধানীয়া। যতসব নাটের গুরু তিনিই। কয়লা সরবরাহ, ব্যবস্থাপনা, চাকরি দেওয়াসহ খনির যাবতীয় কার্যক্রম হতো তার ইশারায়। আবুল কাশেম প্রধানীয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই চুরি যাওয়া কয়লার খোঁজ পাওয়া যাবে।’

কয়লা দুর্নীতির তদন্তে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির চার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে পেট্রোবাংলা গঠিত তদন্ত কমিটি। এই এমডি হলেন— খনির সদ্য সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবীব উদ্দিন আহমেদ, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আওরঙ্গজেব, আমিনুজ্জামান ও কামরুজ্জামান। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে হাবিব উদ্দিন আহমেদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

কয়লা দুর্নীতির সঙ্গে যাদের নাম বেশি আলোচনায় এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন খনির ব্যবস্থাপক (জেনারেল সার্ভিসেস) মাসুদুর রহমান হাওলাদার ও মহাব্যবস্থাপক (অর্থ ও হিসাব) গোপাল চন্দ্র সাহার নাম। অভিযোগ থেকে বাদ যাননি সাময়িক বরখাস্ত হওয়া খনির মহাব্যবস্থাপক (মাইন অপারেশন) নুর-উজ-জামান চৌধুরী, উপ-মহাব্যবস্থাপক (স্টোর) একেএম খালেদুল ইসলামও।

এদের মধ্যে মাসুদুর রহমান বড়পুকুরিয়া খনিতে চাকরি করা কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ ক্ষমতাধর ছিলেন বলে অনেকেই জানিয়েছেন। আন্দোলন-সংগ্রামে শ্রমিকদেরকে মারধর করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আর গোপাল চন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে এর আগেই ২০১৭ সালে ৩০০ টন কয়লা চুরির অভিযোগ ছিল।

খনির সংশ্লিষ্ট এক সূত্র জানা, ২০১৭ সালে খনি থেকে ৩০০ টন কয়লা চুরি হয়েছিল। বিষয়টি ফাঁস হয়ে গেলে কর্মকর্তারা রাতারাতি সেই ৩০০ টন কয়লার টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দিয়ে সমন্বয় করেন। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে অর্থ ও হিসাব শাখার মহাব্যবস্থাপক গোপাল চন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে। সে সময়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও পরে আবারও আগের পদে বহাল হন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই সূত্র জানায়, খনির বিদায়ী কোম্পানি সচিব ও মহাব্যবস্থাপক আবুল কাশেম প্রধানীয়া দীর্ঘদিন ধরে চাকরির সুবাধে বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে আঁতাত করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। আবুল কাশেম প্রধানীয়ার বাড়ি চাঁদপুর জেলায়। তবে ঢাকার কেরানীগঞ্জে বহুতলা ভবন ও পরীবাগে একটি বাড়ি রয়েছে তার। স্ত্রী ও শ্বাশুড়ির নামে রয়েছে একটি পেট্রোল পাম্প।

ওই সূত্র জানায়, মাদারীপুরে বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে আরেক অভিযুক্ত মাসুদুর রহমান হাওলাদারের। এছাড়া,  ৩/৪টি মাইক্রোবাস রয়েছে তার, যার একেকটির দাম অর্ধকোটি টাকারও বেশি। দীঘিপাড়া কয়লা খনিতে কর্মকর্তাদের যাতায়াতের জন্য এসব মাইক্রোবাস পরিচালনা করেন মাসুদুর রহমান । এজন্য তিনি মোটা অংকের ভাড়া পান।

বড়পুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা পলাশ বলেন, ‘দুর্নীতি হয়েছে যা তার বেশিরভাগের জন্যই দায়ী আবুল কাশেম প্রধানীয়া। তার আচরণও খুবই খারাপ। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অসাধু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আঁতাত করে তিনি কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য করেছেন। এতে করে কেউ কয়লা পেয়েছে চাহিদার কয়েকগুণ। আর কেউ পায়নি এক ছটাকও।’

খনি থেকে কয়লা চুরির ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এসএম নুরুজ্জামান কোম্পানি সচিব আবুল কাশেম প্রধানীয়ার ছবি ফেসবুকে দিয়ে লিখেছেন, ‘বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সুপারম্যান খ্যাত মহাব্যবস্থাপক আবুল কাশেম প্রধানীয়া। তাকে নাকি পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস  কোম্পানিতে ( সিরাজগঞ্জে) বদলি করা হয়েছে। বদলি নয়, কয়লা চোরদের চাকরিচ্যুত ও কয়লার ডিও বাণিজ্যের হোতাদের আইনের আওতায় আনা হোক।’

এ বিষয়ে কথা বলতে আবুল কাশেম প্রধানীয়ার মোবাইলে ফোনে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

15 June 2018

লালমনিরহাটের অসচ্ছল মুসলিমদের জন্য ঈদের ভিজিএফ বরাদ্ধে সচ্ছল হিন্দুদের নাম!

লালমনিরহাটের অসচ্ছল মুসলিমদের জন্য ঈদের ভিজিএফ বরাদ্ধে সচ্ছল হিন্দুদের নাম!



নিয়াজ আহমেদ সিপন, লালমনিরহাটঃ পবিত্র রমাদ্বান শরীফ ও ধর্মপ্রান মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দুস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের জন্য বিশেষ ভিজিএফ চাল সচ্ছল হিন্দুদের মাঝে বিতরনের অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার(১৫ জুন) সকালে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের ভিজিএফের বিশেষ বরাদ্ধের চাল বিতরন করা হয়।

এই ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের পুরো তালিকা জুড়ে একটি মুসলিম পরিবারের নাম ও আসেনি। ফলে এলাকার মুসলিম দুস্থ মানুষগুলো ফুষে উঠেছে। ঈদের আনন্দ তাদের জন্য বিষাদে পরিনত হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দুস্থ ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ১০ কেজি হারে সরকারী ভাবে বিশেষ ভিজিএফ বরাদ্ধ দেয়া হয়। এ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ১৭হাজার ৭৬১ টি পরিবারের মাঝে বিতরন করা হয়েছে এবং হচ্ছে। এর মধ্যে গোড়ল ইউনিয়নের ১৫৩৬ জন উপকার ভোগির মাঝে শুক্রবার সকাল থেকে এসব চাল বিতরন করা হচ্ছে।

মুসলিম দুস্থ পরিবারের অভিযোগ, এ ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের উপকারভোগি ৪১ জনের মধ্যে সবাই হিন্দু। ঈদের বিশেষ চাল হিন্দু পরিবারের মাঝে বিতরন করেন ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল ইসলাম। ওই ওয়ার্ডে অসংখ্য দুস্থ মুসলিম পরিবার থাকলেও কেউ এ সুযোগ পাননি। মুসলিম পরিবারের বরাদ্ধ হিন্দুদের মাঝে বিতরন করায় এসব গ্রামের দুস্থ পরিবারগুলোর ঈদ আনন্দ বিষাদে পরিনত হয়েছে। ভেস্থে গেছে সরকারের পরিকল্পনা। শুধু এক নং ওয়ার্ডে নয় ৭৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যাশিত ইউনিয়ন হলেও অর্ধেকাংশ চাল হিন্দুদের মাঝে বিতরন করা হয়।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক গোড়ল ইউনিয়নের একজন স্কুল শিক্ষক জানান, বরাদ্ধ যাই আসুক। সবসময় এসব লোককেই তিনি দিয়ে থাকেন। কারন এসব হিন্দু তাকে ছাড়া কাউকে ভোট দেন না। তাই ঈদের বিশেষ ভিজিএফে এসব হিন্দুর নাম রয়েছে। সারা ইউনিয়নে প্রায় চার শতাধিক হিন্দুর নাম তালিকা ভুক্ত হয়েছে ঈদের চালে। অথচ অনেক দুস্থ পরিবারে ঈদের আনন্দ বঞ্চিত হচ্ছে।


গোড়ল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাহমুদুল ইসলাম বলেন, মাত্র দেড় থেকে দুইশত হিন্দু পরিবারের নাম রয়েছে। সরকারী চাল তাই হিন্দু মুসলিম সবাইকে দেয়া হয়েছে। এটা কোন অপরাধ নয়। প্রতি বছরই তিনি এমন ভাবেই ভিজিএফ বিতরন করেন। শুধু দুর্গাপুজায় ভিজিএফ দেয়া হয় মন্দিরে। কোন ব্যক্তিকে নয়।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) রবিউল হাসান জানান, ভিজিএফ দুস্থ ও হতদরিদ্রদের জন্য। তবে এটা যেহেতু ঈদের বিশেষ ভিজিএফ সেহেতু মুসলিম পরিবারগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাওয়ার কথা। তবে মুসলিমকে বঞ্চিত করে কেন হিন্দুদের দেয়া হচ্ছে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

15 January 2018

রংপুরে আগুন পোহাতে এ মাসেই আগুনে পুড়ে ১৪ জনের মৃত্যু

রংপুরে আগুন পোহাতে এ মাসেই আগুনে পুড়ে ১৪ জনের মৃত্যু

স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিন নারী এবং রোববার রাত ১০টার দিকে আরও এক নারীর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ মাসে আগুনে পুড়ে ১৪ জনের মৃত্যু হল।

রংপুর বার্ন ইউনিটের সহকারী পরিচালক নূরে আলম জানান, তীব্র শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে তারা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিন নারী এবং রোববার রাত ১০টার দিকে আরেক নারীর মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিক তাদের পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি।

এই মাসের শুরুতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আরও সাতজন, শনিবার রাতে দুজন এবং রোববার সকালে আরও এক নারীর মৃত্যু হয়।

তারা হলেন- ঠাকুরগাঁও শহরের থানাপাড়ার আঁখি আক্তার (৪৫), রংপুর নগরীর নজিবেরহাট এলাকার বেলাল হোসেনের স্ত্রী আফরোজা খাতুন, রংপুরের জুম্মাপাড়া পাকারমাথার রুমা খাতুন (৬৫), কাউনিয়া উপজেলার গোলাপী বেগম (৩০), লালমনিরহাট সদরের শাম্মী আখতার (২৭), পাটগ্রাম উপজেলার ফাতেমা বেগম (৩২), আলো বেগম (২২), নীলফামারী সদরের রেহেনা বেগম (২৫), রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মাহিগঞ্জের চাঁন মিয়ার স্ত্রী মনি বেগম (২৫) এবং নীলফামারী সদরের সোনারমের আমজাদ হোসেনের স্ত্রী মারুফা খাতুন (৩০)।

10 January 2018

দিনাজপুরে পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননাকারীর করুণ মৃত্যু! এলাকায় তোলপাড়

দিনাজপুরে পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননাকারীর করুণ মৃত্যু! এলাকায় তোলপাড়

ধর্মীয় ডেস্কঃ দিনাজপুর বিরামপুরে পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননা করায় আদিবাসী সাঁওতাল বিশু লাড়কা নামের এক ব্যক্তির করুন মৃত্যু ঘটেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকালে রণগ্রামে কবিরাজি চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিশু লাকড়ার মৃত্যু হয়। দুপুরে বিশুর লাশ নিজ বাড়িতে নিয়ে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, বিরামপুর উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের জোতজয়রামপুর গ্রামের এতোয়া লাকড়ার ছেলে বিশু লাকড়া (৫৫) গত শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) গ্রাম সংলগ্ন নদীতে মাছ ধরতে যায়। এক পর্যায়ে জালের সাথে একটি কোরআন শরীফ উঠে আসে।

আরবীতে মুদ্রিত মুসলমানদের মহা পবিত্র গ্রন্থটিকে সম্মান না দেখিয়ে বিশু সেটিকে পা দিয়ে সরিয়ে রেখে বাড়ি চলে আসে। বাড়ি ফেরার পর বিশুর হাত-পা অবস হতে শুরু করে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে তার মুখের কথা ও খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

বিশুর বড় ছেলে লক্ষী লাকড়া ও শ্যালক দিলীপ টপ্য জানান, অবচেতন বিশু লাকড়াকে গত তিনদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করালেও ক্রমাগত তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

বিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পারভেজ কবীর জানায় , লোকমুখে শুনেছি বিশু লাকড়া পবিত্র গ্রস্থ আল কুরআন অবমাননা করার কারণেই এই মৃত্যুর ঘটতে পারে বলে অনেকেই ধারনা করছেন।
আবার আশ্রয়হীন দুই সন্তান! বাবুল আক্তারের মর্মস্পর্শী ফেসবুক স্ট্যাটাস

আবার আশ্রয়হীন দুই সন্তান! বাবুল আক্তারের মর্মস্পর্শী ফেসবুক স্ট্যাটাস

স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ কী হবে বাবুল আক্তারের দুই শিশু সন্তানের? চট্টগ্রামের অলিতে-গলিতে সাধারণ থেকে অসাধারণদের আড্ডায় আবারও ফিরে এসেছে এই প্রশ্ন। আবারও উঠেছে সমবেদনা আর তর্ক-বিতর্কের ঝড় । এর কারণ হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবেক এই জনপ্রিয় পুলিশ সুপারের পোস্ট করা একটি কভার ফটো। দুই শিশু সন্তানের ওই ছবিটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “গত নভেম্বরে আমার মা মারা যাবার পর ওরা আবার আশ্রয়হীন হলো”।

বিগত ২০১৬ সালের ৫ জুন পুলিশ হেডকোয়ার্টারের তদানীন্তন পুলিশ সুপার ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে নির্মমভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এদিন সকাল সোয়া ৭টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর জিইসি মোড়ে মোটরসাইকেলে করে এসে তিন দুর্বৃত্ত মিতুকে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। তারপর কিছুদিন ধরে দুই শিশু সন্তানের বাবাও ছিলেন তিনি, মা-ও ছিলেন তিনি। দুই শিশুকে খাবার খাওয়ানোসহ বাবা-মায়ের সকল কাজ একাই করেছেন বাবুল আক্তার। আলোচিত এ হত্যাকান্ডের পর অবসরে যান বাবুল। কিন্তু গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে বারবার জিজ্ঞাসাবাদের জেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। এসময় দুই সন্তানকে নিয়ে ওঠেন শ্বশুর বাড়িতে।

গোয়েন্দা পুলিশ তার দিকে সন্দেহের তীর ছুঁড়লে এক পর্যায়ে শ্বশুরের বাসা ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে বাবুল চলে যান মায়ের কাছে। সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘সবাই বিচারক, আর আমি তথ্য প্রমাণ ছাড়াই খুনি’ শিরোনামে বাবুল আক্তারের একটি লেখার প্রেক্ষিতে তার শ্যালিকা শায়লা মোশাররফ বলেন, ‘নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন বাবুল। মিতু হত্যার পর তাদের বাসায় থেকে নাটক করেছিলেন।’ এরপর শুরু হয় নতুন গুঞ্জন, বাবুলের বিরুদ্ধে ওঠে পরকীয়ার অভিযোগ।

নানা অপরাধকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন ও অপরাধী পাকড়াওয়ে সাহসী ভূমিকা রাখা এসপি বাবুল তার বর্তমান ট্র্যাজেডি টাইপ জীবনযাপনের মধ্যেই গত নভেম্বরে হারান বৃদ্ধা মাকে। স্ত্রীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক অবনতির পর তার শিশু সন্তানদের আশ্রয় ছিলেন তিনিই। তাই মায়ের মৃত্যুতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বাবুল আক্তার, আর আশ্রয়হীন হলো তার দুই শিশু সন্তান।

সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের জন্ম ১৯৭৫ সালে ঝিনাইদহের শৈলকুপার মদনপুর গ্রামে। বাবা আবদুল ওয়াদুদ মিয়া ও মা শাহিদা বেগম। ২০০৪ সালে মাহমুদা আক্তার মিতুর সঙ্গে সংসারজীবন শুরু করেন। দুই সন্তান আক্তার মাহমুদ মাহির ও আক্তার তাবাচ্ছুম তানজিলা।

২০০৫ সালে পুলিশে যোগ দেন বাবুল আক্তার। সারদা পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ শেষে র‌্যাব-২-এ তার কর্মজীবন শুরু। যোগদানের পরের বছর এই পুলিশ কর্মকর্তা পুরান ঢাকা থেকে নানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ হাজার জাল সনদ উদ্ধার, সনদ তৈরির কারখানা শনাক্ত এবং অপকর্মের দুই হোতাকে আটক করেন। ২০০৭ সালে কাঁধে নেন নরসিংদীর ভেলানগরের ছয় খুনের রহস্য উন্মোচনের দায়। ঢাকা, কিশোরগঞ্জ, ভৈরব ঘুরে গ্রেপ্তার করেন বীরুকে। হত্যারহস্য উন্মোচন করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন আদালতে। বিচার শেষে আসামিদের ফাঁসির রায় দেন আদালত।

এছাড়া স্কুলশিক্ষিকা তানিয়া হত্যারহস্য উদ্ঘাটন; ১৪ বছরের কিশোর জাভেদকে অহরণকারীদের হাত থেকে অক্ষত উদ্ধার ও অপহরণরহস্য উদ্ঘাটন; গৃহকর্মী রুমাকে হত্যার পর পুড়িয়ে সব আলামত নষ্টের পরও সূত্রহীন সেই হত্যাকাণ্ডের সূত্র উদ্ঘাটন করে আসামিদের গ্রেপ্তার; রাউজানের বেসরকারি ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৩৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা চুরির হোতা গ্র্যাজুয়েট চোরচক্রকে গ্রেপ্তার; চট্টগ্রামে ডাকাত সর্দার খলিলকে ৯ সহযোগীসহ গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার, অজ্ঞান-মলমপার্টি-মোটরসাইকেল চোরচক্র গ্রেপ্তার, ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় রকেট লঞ্চার, ছয় অস্ত্র ও বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার, দুর্ধর্ষ ক্যাডার বিধান বড়ুয়ার কাছ থেকে জি-থ্রি রাইফেল উদ্ধার; চট্টগ্রামের কাদের ডাকাত ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলার ত্রাস কিলার ওসমানকে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করেছেন বাবুল আক্তার। সিএমপিতে যোগ দিয়েই সর্বশেষ পুলিশ মার্ডার মামলার আসামি গ্রেপ্তার ও খুনের কাজে ব্যবহৃত ‘কাটনি’ উদ্ধার করে দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন।

এসব সাফল্যের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে পেয়েছেন- রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পিপিএম (সেবা) (২০০৮), ২০০৯ পিপিএম (সাহসিকতা), ২০১০ সালে আইজিপি ব্যাজ, ২০১১ সালে পুলিশের সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল পুরস্কার বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (সাহসিকতা)। সর্বশেষ বেসরকারি পর্যায়ে ২০১২ সালে সিঙ্গার-চ্যানেল আই (সাহসিকতা) পুরস্কার লাভ করেন বাবুল আক্তার। আর এর মধ্যে চার-চারবার অর্জন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের সেরা সহকারী পুলিশ সুপারের মর্যাদা।

06 January 2018

রংপুরের সেই কথিত হিন্দু পল্লীতে হামলার ঘটনায় মুসলিম প্রকৌশলী রিমান্ডে

রংপুরের সেই কথিত হিন্দু পল্লীতে হামলার ঘটনায় মুসলিম প্রকৌশলী রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুরের ঠাকুরপাড়ায় কথিত হিন্দু পল্লীতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আটক রংপুর জেলা পরিষদের প্রধান প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত প্রকৌশলীর নাম ফজলার রহমান। বুধবার বেলা ১২টার দিকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আরিফুল ইসলাম তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে পুলিশের করা একটি মামলায় ফজলার রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অন্য একটি মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হলেও এখনো সেটির শুনানি হয়নি।

উল্লেখ্য, টিটু রায় নামের উগ্রপন্থী এক হিন্দু যুবক কতৃক ফেসবুকে মহান আল্লাহ পাক, রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এবং পবিত্র কুরআন শরীফের অবমানাকর পোস্ট শেয়ার করার ঘটনায় গত ১০ নভেম্বর রংপুরের পাগলাপীরের ঠাকুরপাড়ায় বিক্ষোভ হয় এতে ২ জন(মতান্তরে ৬) প্রতিবাদি মুসলিম শহিদ হন। পরে টিটু রায় ও ঠাকুরপাড়ার হিন্দু বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠে যদিও ঘটনার সময় করা ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে হিন্দুরা নিজেরাই ভাংচুর আর অগ্নিসংযোগ করেছে বলে স্বয়ং পুলিশ ই দাবি করে। আর সেই ধর্মীয় অবমাননার পরে প্রতিবাদে লিপ্ত মুসলিম বিক্ষোভকারী-পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে ২জন(মতান্তরে ৬) নিহত ও অন্তত ৫০ জন(পুলিশ সহ) আহত হয়।

এ ঘটনায় গত ১০ নভেম্বর রাতে গঙ্গাচড়া থানার এসআই রেজাউল ইসলাম ও কোতোয়ালি থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন। দুই মামলার একটিতে বুধবার শুনানি হয়।

ঠাকুরপাড়ায় কথিত তাণ্ডবের ঘটনায় প্রকৌশলী ফজলার রহমানের নাম বিপক্ষের লোকদের দ্বারা আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। অবশেষে গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর শ্যামলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

21 December 2017

রংপুরে ভোট শুরু

রংপুরে ভোট শুরু


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের ১৯৩টি ভোটকেন্দ্রের ১১২২টি বুথে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। মোট ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯৯৪ ভোটার এই নির্বাচনে ভোট দেবেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হবে বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন। এটি এই সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচন।

ভোটারদের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৯৬ হাজার ৩৫৬ জন এবং নারী এক লাখ ৯৭ হাজার ৬৩৮ জন। ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো রংপুর সিটি করপোরেশনে ভোট হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা গত ৫ নভেম্বর এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে গত ৪ ডিসেম্বর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। কাউন্সিলর পদে ২১১ জন, সংরক্ষিত আসনে ৬৫ জন এবং মেয়র পদে সাত জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়র পদে প্রধান তিন দলের মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সরফ উদ্দিন আহাম্মেদ ঝন্টু (নৌকা), বিএনপির প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা (ধানের শীষ) ও জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার (লাঙল) মধ্যেই মূল লড়াই হবে বলে  ধারণা করা হচ্ছে। তাদের পক্ষে নিজ নিজ দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও রংপুরে প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সুভাষ চন্দ্র সরকার জানান, ১৯৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০৬টি কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে সেখানে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে কোনও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য আইনশঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছেন। নির্বাচন নিয়ে কোনও ধরনের আশঙ্কা নেই।’

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নগরীতে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বহিরাগতদের নগরী ছেড়ে চলে যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার রংপুর নগরীর সব সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আধা সরকারি সংস্থা, সব অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

20 December 2017

কাল রংপুর সিটিতে আসছে চমক

কাল রংপুর সিটিতে আসছে চমক


স্বদেশ বার্তা ডেস্কঃ সারা দেশের চোখ এখন রংপুর সিটিতে। আগামীকাল কার ভাগ্যে জুটবে মেয়রের পদ এ আলোচনা রাজনৈতিক মহলে। একদিকে এরশাদের ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত রংপুরে আলোচনার শীর্ষে জাতীয় পার্টি, অন্যদিকে আওয়ামী লীগের আলোচিত নেতা বর্তমান মেয়র সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু। থেমে নেই বিএনপিও। দলের মহাসচিব থেকে শুরু করে সিনিয়র নেতারা ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন রংপুরে। ভোটাররাও মুখ খুলছেন না। চলছে শেষ মুহূর্তের ভোটের হিসাব-নিকাশ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, চমক আসতে পারে আগামীকালের ফলাফলে। এখন শুধুই অপেক্ষা। এদিকে ভোটযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত প্রার্থীরা। বছরের শেষ ভোট সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন ঘিরে কিছুটা উত্তেজনা থাকলেও সর্বত্র নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে রয়েছেন বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তা-বলয়। আজ রাত পোহালে কাল ভোট গ্রহণ। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা এ ভোট গ্রহণ চলবে। ভোটের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে রংপুরে। বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থায় আজ বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সামগ্রী পাঠানো হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রংপুর জুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। গতকাল মধ্যরাত পর্যন্ত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচারণায় উত্তাল ছিল এই উত্তরের জনপদ। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ঘাম ঝরিয়েছেন তিন হেভিওয়েট মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু, জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ও বিএনপির কাওসার জামান বাবলা। এরই মধ্যে সোমবার মধ্যরাত থেকে বহিরাগতরা রংপুর ছেড়েছেন। গতকাল মধ্যরাত থেকে সব ধরনের প্রচারণা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ মধ্যরাত থেকে আগামীকাল মধ্যরাত পর্যন্ত স্থলযান, বেবিট্যাক্সি, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, ইজিবাইকসহ সব ধরনের যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সোমবার থেকেই মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে নির্বাচনে প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক, সাংবাদিকসহ নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জাতীয় মহাসড়কেও এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। মহিলা, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভোটারদের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবারই প্রথম রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ইভিএমের (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে তিন দিনব্যাপী ওই কেন্দ্রের ভোটারদের অবহিত করতে ইভিএম পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি এবার নির্বাচনে তিনটি কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরাও। ইতিমধ্যে ওই কেন্দ্রগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। রংপুর সিটি করপোরেশনে ৩৩টি সাধারণ ও ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। মোট ভোটার তিন লাখ ৯৩ হাজার ৮৯৪ জন।

এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৯৬ হাজার ২৫৬ ও নারী ভোটার এক লাখ ৯৭ হাজার ৬৩৮ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৯৩টি। ভোটকক্ষ এক হাজার ১৭৮টি। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা তিন হাজার ৫৫৯ জন। আগামীকালের ভোট নিয়ে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির রংপুর মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আবদুর রউফ সরকার বাংলাদেশ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের পাশাপাশি উদ্বেগও বিরাজ করছে। তবে এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সবাই সবাইকে চেনেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হবে। নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, ‘আমরা চাই রংপুর সিটি করপোরেশনে একজন ভালো মানুষ মেয়র নির্বাচিত হোক। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক। সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, রংপুরে এখনো সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ রয়েছে। তবে সামনে কী পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।

শেষ মুহূর্তের প্রচারণা : আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু গতকাল সকাল ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে জাহাজ কোম্পানির মোড় এলাকায় গণসংযোগ করেন। পরে স্টেশন রোড, শাপলা চত্বর,  চব্বিশ হাজারীসহ কয়েকটি এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি। জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা গতকাল সকালে বেরিয়ে পড়েন ভোট চাইতে। নগরের কাচারীবাজার, গোমস্তাপাড়া, মুন্সিপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন তিনি। বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা মাহীগঞ্জ, সাতমাথা, তাজহাট, রঘুবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন। অন্যদিকে বাসদের মেয়র প্রার্থী আবদুল কুদ্দুস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এ টি এম গোলাম মোস্তফা বাবু, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সেলিম আখতার এবং একমাত্র স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এদিকে মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি ৩৩টি ওয়ার্ডে পুরুষ ও নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরাও শেষবারের মতো গণসংযোগ করেছেন।

থকেছে বিশেষ নিরাপত্তা, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু পরিবেশ-সংক্রান্ত কমিটির সদস্য পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক। তিনি গতকাল সাংবাদিকদের জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। এদিকে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের নিরাপত্তায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাঁচ হাজার ৫০০ সদস্য। এর মধ্যে বিজিবির ২১ প্লাটুন (৬৩০ জন), র‌্যাবের ৩৩টি টিম (৪০০ জন) এবং পুলিশ ও আনসার সদস্য থাকবেন চার হাজার ৪৭০ জন। এ ছাড়া একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৩৩টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। গতকাল থেকে নগরীতে বিজিবির সদস্যরা টহল শুরু করেছেন। মাঠে আছে ৩৩টি স্ট্রাইকিং ফোর্স। এদিকে নির্বাচনী মাঠে নামছে নির্বাচন কমিশনের ১১টি ‘নীরব পর্যবেক্ষক’ দল। ইসির নিজস্ব এসব কর্মকর্তা পরিচয় গোপন রেখে নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, রংপুরের প্রবেশদ্বার, রংপুর শহর, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক চৌকি। পাড়া-মহল্লায় র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি টহল দিচ্ছে।

১৯৩ কেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টিই ঝুঁকিপূর্ণ : রংপুর সিটি নির্বাচনে ১৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। রিটার্নিং ও রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হবে।

এক কেন্দ্রে ইভিএম : ১৯৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে মাত্র একটিতে ইভিএম ব্যবহারের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। এটি হলো নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪১ নম্বর কেন্দ্র সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ। এ কেন্দ্রের ছয়টি বুথে ইভিএমে ভোট দিতে পারবেন দুই হাজার ৫৯ জন ভোটার। গতকাল পর্যন্ত ভোটারদের ইভিএমে ভোট দেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

তিন কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা : ১৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টিকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে তিনটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এগুলো হলো ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ কেন্দ্র।

নির্বাচনসামগ্রী কেন্দ্রে যাবে আজ : রিটার্নিং ও রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আজ থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনসামগ্রী পাঠানো হবে।

সুজনের মানববন্ধন : অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীদের নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে গতকাল সকালে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। এ সময় বক্তৃতা করেন জেলা সুজনের সভাপতি আকবর হোসেন ও মহানগর সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু।

18 December 2017

লালমনিরহাটে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আ.লীগে যোগ দিলেন

লালমনিরহাটে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আ.লীগে যোগ দিলেন

স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ফিরোজুর রহমান শতাধিক নেতাকর্মীসহ আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন।

রোববার সন্ধ্যায় লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনের সাংসদ ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ফিরোজুর রহমান বিএনপির শতাধিক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম নারী আসনের সাংসদ ও লালমনিরহাট জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমী, লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সিরাজুল হক, লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান।

আওয়ামী লীগে যোগদানের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ফিরোজুর রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা আওয়ামী লীগে যোগদান করেছি।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলা বলেন, ফিরোজুর রহমান র্দীঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় নয়। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির কোনো কমিটিতে নেই।