Showing posts with label ব্যবসা ও বাণিজ্য. Show all posts
Showing posts with label ব্যবসা ও বাণিজ্য. Show all posts

11 November 2019

পাকিস্তান থেকে ১৫ বছর পর পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ

পাকিস্তান থেকে ১৫ বছর পর পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ



স্টাফ রিপোর্টার।।জানাগেছে, সম্প্রতি করাচি ভিত্তিক রোশান এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে ঢাকার তাসো এন্টারপ্রাইজের মধ্যে ৩০০ টন পেঁয়াজ নিয়ে চুক্তি হয়েছে।

পাকিস্তানের দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রেড ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি অব পাকিস্তানের (টিডিএপি) এক কর্মকর্তা খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

এতে বলা হয়, প্রতিবেশী দেশের ওপর ভারতীয় সবজি রপ্তানির নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।

ওই কর্মকর্তা জানায়, কমপক্ষে ১২ কনটেইনার পেঁয়াজ বাংলাদেশে যাবে। এরপর আরও রপ্তানি হবে।

ভারতীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তান সম্ভাব্য বাজার হিসেবে হাজির হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানান, পেঁয়াজ বাণিজ্য নিয়ে দুই দেশের সরকারও একমত হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ প্রতিবছর ৭ লাখ থেকে ১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করে। এর ৭৫ ভাগই যায় ভারত থেকে।

পাকিস্তানি পণ্যের বাজার হিসেবে বাংলাদেশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে। এশিয়ার মধ্যে চীনের পর বাংলাদেশেই বেশি পণ্য রপ্তানি করে দেশটি।

স্থানীয় বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য তুরস্ক, মিয়ানমার ও মিসরের মতো বিকল্প বাজারের সন্ধান করছে ঢাকা।

08 November 2019

পেঁয়াজ ১০০ টাকার কমে পাওয়ার সম্ভাবনা নেইঃ বাণিজ্যমন্ত্রী

পেঁয়াজ ১০০ টাকার কমে পাওয়ার সম্ভাবনা নেইঃ বাণিজ্যমন্ত্রী




স্টাফ রিপোর্টার।। পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার নিচে নামার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি। তবে পেঁয়াজ ১০০ টাকার নিচে পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা আপাতত নেই। এ মাসের শেষের দিকে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ বাজারে আসলে দাম কমবে। তার আগে হয়তো সম্ভব হবে না।’

শুক্রবার সকালে রংপুর নগরীর একটি হোটেলে ইটভাটা মালিকদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

টিপু মুনশি বলেন, ভারত থেকে আমরা মূলত পেঁয়াজ আমদানি করে থাকি। সেখানে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। সেখানেই পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে কিনতে হবে। আমাদের দেশে আসার পর তা ১০০ টাকা দর পড়ে যাবে। ফলে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে আপাতত কোনো লাভ হবে না।

মিশর থেকে পেঁয়াজ আসার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মিশর থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসার কথা। সেটা আসলেও দাম একটু কমতে পারে বলে মনে হয়।’

পেঁয়াজের বাজার মনিটরিং নিয়ে টিপু মুনশী বলেন, পেঁয়াজের বাজার মনিটরিং করার জন্য মন্ত্রণালয়ে একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি সেটি দেখভাল করবেন।

03 November 2019

‘পেঁয়াজের দাম নিয়ে হাহাকার’ দীর্ঘ লাইনে এক কেজি পেঁয়াজের জন্য রোদে পুড়ে শত শত মানুষ

‘পেঁয়াজের দাম নিয়ে হাহাকার’ দীর্ঘ লাইনে এক কেজি পেঁয়াজের জন্য রোদে পুড়ে শত শত মানুষ


স্টাফ রিপোর্টার।। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের প্রতি কেজিতে ৪০ টাকা দাম বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।। ফলে পেঁয়াজের দাম নিয়ে হাহাকার থামছেই না।

এরআগে জনপ্রতি দুই কেজি পেঁয়াজ দিলেও রবিবার (০৩ নভেম্বর) থেকে এক কেজি করে পেঁয়াজ দিচ্ছে টিসিবি। কিন্তু তাতেও সমস্যা মনে করে পেঁয়াজের জন্য রোদে পুড়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন শত শত মানুষ।

টিসিবি রাজধানীর যে কয়টি পয়েন্টে ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করছে তার মধ্যে একটি সচিবালয় ও অন্যটি জাতীয় প্রেসক্লাবের মাঝের রাস্তায়।

সকালে প্রেসক্লাবে সামনে প্রখর রৌদ্রের মধ্যেই শত শত মানুষ টিসিবির ট্রাক থেকে পেঁয়াজ কিনতে ভিড় করতে দেখা গেছে। সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়ে গেলেও ক্রেতাদের সেই ভিড় কমছিল না।

ক্রেতারা জানান, বাজারে এক কেজি পেঁয়াজের দাম ১৬০ টাকা। এখানে এক কেজি পেঁয়াজের দাম ৪৫ টাকা। যদিও প্রচণ্ড রোদের মধ্যে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের। তবে কষ্ট হলেও এক কেজি পেঁয়াজে একশ টাকার বেশি সেভ হচ্ছে বলে জানান ক্রেতারা।

02 November 2019

ভারতকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে দেয়া খুব জরুরিঃ বাণিজ্যমন্ত্রী

ভারতকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে দেয়া খুব জরুরিঃ বাণিজ্যমন্ত্রী



স্টাফ রিপোর্টার।। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেছেন, ভারতকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে দেওয়া জরুরি দরকার। আমি কিছুদিন আগে উত্তর-পূর্ব ভারতে ঘুরে এসেছি। চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করার জন্য তারা খুব করে চাইছে। তারা বলছে কলকাতা বন্দর ব্যবহার করতে হলে তাদেরকে এক হাজার ২শ’ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়। আর চট্টগ্রাম বন্দর তাদের জন্য ৬শ’ কিলোমিটার। তাই এটা করা (বন্দর ভারতকে ব্যবহারের জন্য দেওয়া) জরুরি দরকার। তাহলে আমাদের দেশের রাজস্ব আয় বাড়বে। চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নতি হবে।

গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ডে চিটাগং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে আয়োজিত ১৩তম আন্তর্জাতিক এসএমই এক্সপো-২০১৯ পণ্যমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পুরুষদের চেয়ে নারীদের ঋণ পরিশোধের আগ্রহ বেশি। তাদের সততা, ঋণ পরিশোধের প্রবণতা সবকিছুই ভালো। বাংলাদেশে নারীরা সবক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী যে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন এরজন্য নারীদের আরও এগিয়ে আসতে হবে।

চিটাগং উইমেন চেম্বার সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত রিনা পি সোয়েমারনো, চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম, এশিয়ান আরব চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি প্রিন্সেস ফে জাহান, ইন্ডিয়ান ইকোনমিক ট্রেড অর্গানাইজেশনের সভাপতি আসিফ ইকবাল, মালয়েশিয়া ওয়ার্লড অব চেম্বার অব কমার্সের ভিশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রধান ড. দাতিন মালিগা সুব্রামানিয়াম, উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি কামরুন মালেক, বাংলাদেশ ফ্যাশন ডিজাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুনতাসা আহমেদ প্রমুখ।

31 October 2019

পেঁয়াজের বাড়তি দামের বোঝা ভোক্তাদের আরও কিছুদিন বইতে হবেঃ বাণিজ্যমন্ত্রী

পেঁয়াজের বাড়তি দামের বোঝা ভোক্তাদের আরও কিছুদিন বইতে হবেঃ বাণিজ্যমন্ত্রী

File Photo

স্টাফ রিপোর্টার।। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পেঁয়াজের বাড়তি দামের বোঝা ভোক্তাদের আরও কিছুদিন বইতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরার নবরাত্রি হলে ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০১৯’ এর প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের দাম না কমার জন্য কিছু অসাধু ব্যবসায়ীও দায়ী। সরকারের ১০টি মনিটরিং টিম কাজ করছে। কিন্তু মনিটরিং করে পেঁয়াজের দাম শতভাগ কমিয়ে আনা সম্ভব নয়। খুচরা বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আমরা মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছি। টেকনাফে ল্যান্ড করতে পেঁয়াজের আমদানি খরচ প্রতিকেজি পড়েছে ৭৫ টাকা। তাই পেঁয়াজের দাম কমছে না। মিসর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এতো দূর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে ব্যবসায়ীদের মাইন্ড সেটআপ করতেও একটু সময় লেগেছে। তাই ধীরে ধীরে পেঁয়াজের বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে।

এ সমস্যা সমাধান করতে হলে পেঁয়াজের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। আগামী মৌসুমে সরকার পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ রাখার কথা ভাবছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন হিন্দু স্বপন কুমার রায়

পদোন্নতি পেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন হিন্দু স্বপন কুমার রায়



স্টাফ রিপোর্টার।। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির মহাব্যবস্থাপক স্বপন কুমার রায়। গতকাল বুধবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক অফিস নির্দেশে তাঁকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক বগুড়া অফিসে বহাল করা হয়েছে। স্বপন মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানার এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরেজী সাহিত্যে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।

স্বপন কুমার রায় ১৯৮৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমী, কৃষি ঋণ বিভাগ, এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট, ফরেন একচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট, ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি এন্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট, সচিব বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তিনি ফ্রান্স, চীন, জাপান, অস্ট্রিয়া, ব্রাজিল, মিশর, শ্রীলংকা, মালেয়শিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেছেন।

30 August 2019

প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধভাবে ধলাই নদীর বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে বাজার ও বসতি

প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধভাবে ধলাই নদীর বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে বাজার ও বসতি

ধলাই নদী। ফাইল ফটো
সিলেট প্রতিনিধি।। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীতে ইজারা বহির্ভূত জায়গা থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদী সংলগ্ন বাজার ও বসতি হুমকির মুখে পড়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসীর ভুক্তভোগীরা।

জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ভাটরাই, ধলাই ও পিয়াইন নামের তিনটি বালুর মহাল রয়েছে। এরমধ্যে ভাটরাই মহালটি ১৪২৬ বাংলা সনের জন্য ইজারা নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আপ্তাব আলী কালা মিয়া। উচ্চ আদালতে মামলা থাকায় অন্য দুটি মহাল ইজারা হয়নি।

কিন্তু একটিমাত্র মহাল ইজারা নিয়ে তিনটি মহাল থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে সরকার এই খাত থেকে রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে।

এদিকে, সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কালাইরাগ নতুনবাজার ও ইসলামগঞ্জ (বুধবারীবাজার) বাজার ঘেঁষে শতাধিক ইঞ্জিন চালিত স্টীলবডি নৌকায় বালু তোলা হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন বাঁধা দিলেও প্রভাবশালী লোকজনের ছত্রচ্ছায়ায় তারা যন্ত্রের সাহায্যে ৫০-৬০ ফুট নিচ থেকে বালু উত্তোলন করছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে বাজার ও নদী তীরবর্তী বাড়িঘর।

ইসলামগঞ্জ বাজারের বাসিন্দা ফারুক মিয়ার অভিযোগ, ‘বালু উত্তোলনের ফলে ইসলামগঞ্জ বাজার ও পার্শবর্তী এলাকা হুমকির মুখে রয়েছে। বার বার নিষেধ করা হলেও ওই এলাকা থেকে তাদের সরানো যাচ্ছে না। তিনি বলেন, প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকার বালু বিক্রি করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বালুদস্যুরা স্থানীয় দরিদ্র কৃষকদের মালিকানা জমি থেকে জোরপূর্বক বালু তুলে নিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুহম্মদ বাবুল মিয়া বলেন, ইসলামগঞ্জ বাজার থেকে মধ্যরাজনগর পর্যন্ত বাঁধ নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ডিও লেটার দিয়েছেন মন্ত্রী ইমরান আহমদ। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে এই বাঁধটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, এখান থেকে এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে প্রকল্পটি ভেস্তে যাবে।

তিনি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী বলে, ইজারা বহির্ভূত জায়গা থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়টি জেনেছি। এব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেয়া হয়। বেআইনিভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

26 August 2019

কিয়ামতের দিন যেসব ব্যবসায়ীরা অপরাধী হিসেবে মহান আল্লাহর দরবারে দাঁড়াবে

কিয়ামতের দিন যেসব ব্যবসায়ীরা অপরাধী হিসেবে মহান আল্লাহর দরবারে দাঁড়াবে

প্রতীকী ছবি
মুফতি মুহম্মদ মর্তুজা।। মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যবসাকে হালাল করেছেন। ব্যবসার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। পবিত্র হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, তোমরা ব্যবসার প্রতি মনোযোগী হও, কেননা ৯০ শতাংশ রিজিক এর মধ্যেই নিহিত রয়েছে। এ ছাড়া আরো অনেক হাদিস শরীফ থেকেই ব্যবসার মর্যাদা ও গুরুত্ব প্রতিভাত হয়। বেশির ভাগ সাহাবি, তাবেয়ি, আলেম ও ফকিহ এ পেশাই অবলম্বন করছেন। মুসলমানরাও এ অঙ্গনে বিশেষ উন্নতির মাধ্যমে সুখ্যাতি অর্জন করেছে।

হালাল পথে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের কিয়ামতের দিন সর্বোচ্চ সম্মাননা দেওয়া হবে। রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘বিশ্বস্ত ও আমানতদার ব্যবসায়ীদের হাশর কিয়ামতের দিন নবী, সিদ্দিক ও শহীদদের সঙ্গে হবে।’ (তিরমিজি শরীফ, হাদিস নং ১০২৯)

তবে এই মর্যাদা অর্জনের জন্য ব্যবসায়ীদেরকেও সেই রকম নিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে ব্যবসা করতে হবে। অনেক সময় কিছু ব্যবসায়ী সামান্য মুনাফার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ফেলে, অনেকে ব্যবসার ক্ষেত্রে এই মিথ্যাকে অত্যন্ত হালকা মনে করে। অথচ এটি অত্যন্ত বড় গুনাহ এবং ব্যবসার বরকত ধ্বংসকারী। মহান আল্লাহ পাক তিনি কিয়ামতের দিন এ ধরনের মিথ্যাবাদীদের সঙ্গে কথা বলবেন না।

হজরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ পাক তিন শ্রেণির লোকের সঙ্গে কথা বলবেন না, এদের দিকে তাকাবেন না এবং এদের পবিত্রও করবেন না; বরং এদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। যে ব্যক্তির কাছে অতিরিক্ত পানি থাকা সত্ত্বেও তা পথিককে দেয় না। যে ব্যবসায়ী আসরের পর তার পণ্যসামগ্রী ক্রেতার কাছে আল্লাহর কসম করে বিক্রি করে আর বলে, আমি এ পণ্য এত মূল্যে ক্রয় করেছিলাম আর ক্রেতা তাকে সত্যবাদী মনে করে, কিন্তু প্রকৃত ব্যাপার তার উল্টো। যে ব্যক্তি ইমামের (রাষ্ট্রপ্রধান) হাতে শুধু পার্থিব স্বার্থে বাইআত গ্রহণ করে, যদি ইমাম কিছু পার্থিব সুযোগ দেয়, তাহলে সে তার বাইআতের প্রতিজ্ঞা পূরণ করে আর যদি তা থেকে কিছু না দেয় তাহলে আর প্রতিজ্ঞা পূরণ করে না।’ (মুসলিম শরীফ, হাদিস নং ১৯৭)

এক শ্রেণির কালোবাজারি অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্যসামগ্রীর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায়। শরিয়তের দৃষ্টিতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে খাদ্যপণ্য মজুদ ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ক্রেতাসাধারণকে ঠকিয়ে এবং সংকটের আবহ সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা অমানবিক, ধোঁকাবাজি ও প্রতারণার শামিল। মামার ইবনু আবদুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘পাপাচারী লোক ব্যতীত কেউ গুদামজাত করে না।’ (মুসলিম শরীফ, হাদিস নং ৪০১৫)

ইমাম আবু দাউদ রহিমাহুল্লাহ তিনি বলেন, আমি আহমাদ ইবনু হাম্বল রহিমাহুল্লাহ-কে জিজ্ঞাসা করলাম, (কোন বস্তু) গুদামজাত করা নিষেধ? তিনি বলেন, মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু। ইমাম আবু দাউদ রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আউজাঈ রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, গুদামজাতকারী হচ্ছে ওই ব্যক্তি, যে বাজারজাত করার পথে প্রতিবন্ধক হয়। (আবু দাউদ শরীফ, হাদিস নং ৩৪৪৭)

তাই আমাদের ব্যবসায়ী ভাইদের উচিত তাদের কোনো পদক্ষেপে জনগণ জিম্মি হয়ে যাচ্ছে কি না, সে ব্যাপারে সচেতন থাকা। কারণ আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন ব্যবসায়ীদের যেমন সম্মানিত করবেন, তেমনি অসৎ ব্যবসায়ীদের পাপিষ্ঠরূপে উঠাবেন। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘ব্যবসায়ীদের কিয়ামতের দিন পাপিষ্ঠরূপে উঠানো হবে। তবে যে ব্যবসায়ী ব্যবসার ক্ষেত্রে তাকওয়া, নেকি ও সততা অবলম্বন করেছে, তার কথা ভিন্ন।’ (সুনানে দারেমি শরীফ, হাদিস নং ২৫৮০)

অতএব সকল ব্যবসায়ী ভাইদের অনুরোধ, সর্বচ্চো তাকওয়া অবলম্বন করে ব্যবসা করুন, দ্বিন দুনিয়া আখেরাতে আপনাদের তা সাহায্যকারী হিসেবে উপস্থিত হবে।

22 August 2019

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যবসায়ীদের স্বারকলিপি, ভারতে চামড়া পাচারের আশঙ্কা

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যবসায়ীদের স্বারকলিপি, ভারতে চামড়া পাচারের আশঙ্কা


স্টাফ রিপোর্ট।। কোরবানীর পশুর মজুদকৃত কাচা চামড়া বিক্রয় এবং বকেয়া টাকা উদ্ধারে ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান করেছেন ঠাকুরগাঁও জেলা ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে বৈঠক শেষে এ স্বারকলিপি প্রদান করেন ব্যবসায়ীরা।

স্বারকলিপিতে বলা হয়, চামড়া সঠিক মূল্য না পাওয়া ও বকেয়া টাকা না পাওয়ায় জেলার অধিকাংশ চামড়া ব্যবসায়ী পথে বসেছে। জেলায় শতাধিক চামড়া ব্যবসায়ী থাকলে বর্তমানে ৩০-৩৫ জন ব্যবসায়ী এ ব্যবসা ধরে রেখেছে। ট্যানারি মালিকদের কাছে ৫ কোটি ৫ লক্ষ টাকা বকেয়া রয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া কেনার ঘোষণা দিলেও এখন পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করেননি। জেলার ব্যবসায়ীদের কাছে প্রায় ৫০ হাজার পিচ চামড়া লবন জাত করে রাখা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে চামড়া বিক্রি না হলে এসব চামড়া নষ্ট হবে।

অন্যদিকে, চামড়ার দাম না পাওয়ায় চলতি মৌসুমে ক্রয়কৃত চামড়া মৌসুমী ব্যবসায়ীরা ভারতে পাচার করবে বলে আশঙ্কা করছেন জেলা চামড়া ব্যবসায়ীরা। স্বারকলিপি প্রদানের আগে জেলা ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসকের সাথে মত বিনিময় সভা করেন।

জেলা ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির আহবায়ক ইউনুস আলী জানান, আমরা ঋণ করে চামড়া সংগ্রহ করে লবন জাত করে রেখেছি। এখনো পর্যন্ত ট্যানারির কোন প্রতিনিধি আমাদের সাথে যোগাযোগ করছে না। এবং বকেয়া টাকা ফেরতের বিষয়েও কোন পথ পাচ্ছি না। সে কারনে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বারাবরে স্বারকলিপি  প্রদান করেছি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম জানান, আমি স্বারকলিপি পেয়েছি। আমাদের জেলায় কোন চামড়া নষ্ট হয়নি। চামড়া ব্যবসায়ীরা তাদের পাওনা টাকা ফেরত ও সরকার নির্ধারিত মূল্যে যেন চামড়া বিক্রি করতে পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিবো।

16 August 2019

মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ২২ হাজার কোটি টাকা খোয়ালেন জাকারবার্গ!

মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ২২ হাজার কোটি টাকা খোয়ালেন জাকারবার্গ!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। গত সোমবার স্টক এক্সচেঞ্চের বিশাল দরপতন হয়েছে। আর এদিনই ২.৭ বিলিয়ন ডলার খোয়ালেন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জকারবার্গ। তার খোয়ানো ডলারের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ২২ হাজার কোটি টাকারও অধিক।

জকারবার্গের খোয়ানো এ টাকা বিশ্বের অনেক দেশের বার্ষিক বাজেটের থেকে অনেক বেশি। তবে প্রশ্ন, কিভাবে এতো টাকা খোয়ালেন জুকারবার্গ?

১ বিলিয়ন বা তার বেশি পরিমাণ ক্ষতির শিকার হয়েছেন অন্তত ১৮ বিলিয়নিয়ার। তাদের মধ্যে আছেন ওরাকল কর্পোরেশনের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী ল্যারি এলিসনও। যিনি খুইয়েছেন অন্তত ২.৫ বিলিয়ন ডলার। তবে, সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হয়েছেন বিলাসবহুল পণ্য প্রস্তুতকারক এলভিএমএইচ এর বার্নার্ড আরনল্ট। একদিনেই ৪ বিলিয়ন ডলার নেই হয়ে গেছে তার!

এবছর এটিই স্টক মার্কেটে সবচেয়ে বড় দরপতনের ঘটনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর অব্যাহতভাবে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়ার পরই এমন ঘটনা ঘটলো। কারণ ট্রাম্পের ঘোষণার প্রেক্ষিতে চীন ডলারের বিপরীতে তার মুদ্রার মান কমিয়ে দিয়েছে।

২০০৮ সালের পর এটিই চীনের সবচেয়ে বড় মুদ্রা অবমূল্যায়নের ঘটনা। এতে, অবশ্য জ্যাক মা’র মতো বড় বড় চীনা বিনিয়োগকারীরাও ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
ইহুদীবাদী কোকাকোলা কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে ১৭শ’ কোটি টাকা

ইহুদীবাদী কোকাকোলা কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে ১৭শ’ কোটি টাকা


ডেস্ক রিপোর্ট।। ইহুদীবাদী বহুজাতিক কোমল পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোকোকোলা আগামী পাঁচ বছরে ২০ কোটি ডলার অর্থাৎ প্রায় ১৭শ’ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চায় বাংলাদেশে। গত ৮ আগস্ট সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে এক বৈঠকে বিনিয়োগে আগ্রহীর বিষয়টি জানান কোকোকোলার প্রেসিডেন্ট এবং প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা (সিইও) ব্রায়ান স্মিথ।

ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলামসহ কোকাকোলার আঞ্চলিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ অর্থ বিনিয়োগের বিনিময়ে কর ও শুল্ক সুবিধা চেয়েছেন কোকাকোলার প্রেসিডেন্ট।

তবে কর সুবিধা পেতে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন অর্থমন্ত্রী। এমনকি নতুন পণ্য উৎপাদন করলে কিংবা স্পেশাল ইকোনমিক জোনে বিনিয়োগ করেও নানা সুবিধা পেতে পারেন বলে জানান তিনি।

Coca-Cola প্রথম উৎপন্ন হয় ১৮৮৬ সালে আমেরিকায়। কোকাকোলা তৈরির প্রথম উপাদান ছিল Cocaine আর Caffeine । কোকেন পাওয়া যায় Coca পাতা থেকে আর Caffeine পাওয়া যায় Kola Nut থেকে। সেই Kola থেকে Cola নাম এসেছে। কোকাকোলার মার্কেটিং ম্যানেজার ফ্রাঙ্ক রবিনসন (Frank Robinson) এ নামটি রাখে। লোগো ডিজাইনটিও সে তৈরি করে।

15 August 2019

 আগুনে পুড়ছে লালবাগে পলিথিন কারখানা, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৫ ইউনিট কাজ করছে

আগুনে পুড়ছে লালবাগে পলিথিন কারখানা, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৫ ইউনিট কাজ করছে



স্টাফ রিপোর্টার।। রাজধানীর লালবাগের পোস্তা এলাকায় একটি পলিথিন কারখানায় আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে তাদের ১৫টি ইউনিট কাজ করছে। বুধবার (১৪ আগস্ট) রাত পৌনে ১১টার দিকে ওই কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার আতাউর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

আতাউর রহমান বলেন, ‘লালবাগ পোস্তা ওয়াটার অক্সফোর্ড রোড এলাকায় একটি পলিথিন ও প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির কারখানায় আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট।’ তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানাতে পারেননি তিনি। তবে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ভবনটির আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছে বলেও জানান তিনি। কারখানার ভেতরে কেউ আটকা পড়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। তাদের ধারণা, ঈদের বন্ধের কারণে হয়তো ভেতরে কেউ নেই।

07 August 2019

পবিত্র কোরবানি ঈদে দাম বাড়ছে না লবণের, মজুদ আছে পর্যাপ্ত পরিমাণ

পবিত্র কোরবানি ঈদে দাম বাড়ছে না লবণের, মজুদ আছে পর্যাপ্ত পরিমাণ


স্টাফ রিপোর্ট।। চাহিদা মোতাবেক পর্যাপ্ত পরিমাণ লবণ মজুদ থাকায় আসন্ন কোরবানির ঈদে লবণের ঘাটতি হবে না। সেই সঙ্গে লবণের দামও বাড়বে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল। শনিবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর লালবাগের পোস্তা এলাকায় চামড়া ব্যবসায়ী, লবণ ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া যায়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাত সুলতানা বলেন, ২০১৮ সালে সারাদেশে গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়াসহ মোট এক কোটি পাঁচ লাখ পশু কোরবানি করা হয়েছিল। এবছর বন্যা ও ডেঙ্গুর কারণে গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম পশু কোরবানি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লালবাগের পোস্তা এলাকার পাইকারি লবণ বিক্রেতা জামিল হোসেন জানান, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত লবণ মজুদ আছে। দামও বর্তমানে কম। ২০১৮ সালে বস্তা প্রতি এক হাজার টাকা দরে লবণ বিক্রি করেছি। এবছর ৭৪ কেজির বস্তা ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি করছি। তবে ঈদের দিন থেকে হয়তো দাম সামান্য কিছু বাড়তে পারে। কঙবাজার জেলার লবণ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সালমা সল্টের স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবছর বৃষ্টি না থাকায় প্রচুর পরিমাণে লবণ উৎপাদন হয়েছে। ফলে দামও অনেক কম। চামড়ায় দেওয়া লবণ বর্তমানে বস্তা প্রতি ৬৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ার সম্ভাবনা কম। তবে কোরবানির ঈদে কি হয় তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ জানান, এবছর পর্যাপ্ত পরিমাণ লবণ মজুদ আছে। দামও স্থিতিশীল রয়েছে। দাম আর বাড়বে বলেও মনে হচ্ছে না। এবছর আবহাওয়া লবণ উৎপাদনের অনুকূলে থাকায় ও বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। সেই সঙ্গে লবণের বাজারমূল্যও স্থিতিশীল রয়েছে। আসন্ন ঈদে কি হবে, তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও খুব একটা হেরফের হবে না বলেই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ‘তবে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে লবণকে ঘিরে বাজারে একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে। এই সিন্ডিকেট বাজারে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরেও অটো ক্রাইসিস তৈরি করে লবণের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।’ এমন আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

16 July 2019

সারাদেশে ঈদুল আজহা পর্যন্ত বৈধ-অবৈধ বিদেশি গরুর প্রবেশ নিষিদ্ধ

সারাদেশে ঈদুল আজহা পর্যন্ত বৈধ-অবৈধ বিদেশি গরুর প্রবেশ নিষিদ্ধ

ফাইল ছবি
স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ সারাদেশে কোরবানিযোগ্য প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ গবাদিপশুর মজুদের পাশাপাশি কোরবানির হাটবাজারে স্বাস্থ্যসম্মত পশুর সরবরাহ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১৬ জুলাই) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খসরুর  সভাপতিত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এরই আলোকে সভায় পশুর সংখ্যা নিরূপণ, কোরবানির হাটবাজারে স্বাস্থ্যসম্মত পশুর ক্রয়-বিক্রয় ও স্বাস্থ্যসেবা, বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পশুর গাড়ি ছিনতাই রোধ এবং দেশের পশু বিক্রেতাদের স্বার্থে ঈদুল আজহা পর্যন্ত সীমান্তপথে বৈধ-অবৈধ সব ধরনের গবাদির অনুপ্রবেশ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, দেশ গোশতের স্বয়ম্ভরতা অর্জনের পর থেকে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। পূর্বে প্রতিবছর ২৪-২৫ লাখ ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ ঘটলেও ২০১৮ সালে মাত্র ৯২ হাজার গরু ঢুকেছে দেশে।

এবার সারাদেশে কোরবানিযোগ্য ৪৫ লাখ ৮২ হাজার গরু-মহিষ, ৭২ লাখ ছাগল-ভেড়া এবং ৬ হাজার ৫৬৩টি অন্যান্য পশুর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর।

আসন্ন ঈদুল আজহায় ১ কোটি ১০ লাখ পশুর কোরবানি হতে পারে বলে সভায় জানানো হয়েছে। গতবছর ঈদে কুরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মোট সংখ্যা ছিল এক কোটি ১৫ লাখ এবং কোরবানি হয়েছিল এক কোটি ৫ লাখের মতো।  

সভায় আরও জানানো হয়, আসন্ন ঈদে ঢাকাসহ দেশের উল্লেখযোগ্য হাটবাজারে পশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম মজুদ থাকবে। ঢাকায় ২টি সিটি করপোরেশনের আওতায় মোট ২৪টি স্থায়ী-অস্থায়ী কোরবানির হাটবাজারেও দু’টি করে ভেটেরিনারি টিম কাজ করবে। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় ১৪টি এবং উত্তরের অধীনে মোট ১০টি হাটবাজার বসবে।

স্বাস্থ্যহানিকর স্টেরয়েড ও হরমোন ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে গরু মোটতাজাকরণ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্যসম্মত মোটাতাজাকরণকে উৎসাহিত করতেও প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করবে।

মৎস্য প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু পশুব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়সহ পশুবিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত হাসিল-আদায় রোধ এবং ব্যাপারীদের নিরাপত্তানিশ্চিতকরণের ওপর জোর দেন।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি নাথুরাম সরকারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

27 April 2019

রোজার চার পণ্যের দাম আরেক দফা বাড়ল

রোজার চার পণ্যের দাম আরেক দফা বাড়ল

ফাইল ছবি
স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন করে রমজাননির্ভর চার পণ্যের (পেঁয়াজ, চিনি, ছোলা ও মসুর ডাল) দাম বেড়েছে। অন্যান্য সবজির দাম না বাড়লেও রোজায় অতি প্রয়োজনীয় সবজি শসা ও বেগুনের দাম বাড়তে শুরু করেছে। গত সপ্তাহে যে বেগুনের কেজি মান ভেদে ৪০-৫০ টাকা ছিল, শুক্রবার তা ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকায়। তাছাড়া এ দিন ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও সব ধরনের মাছ বিক্রি হয়েছে চড়া দামে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও রামপুরা কাঁচাবাজারসহ একাধিক বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

রাজধানীর নয়াবাজারের তুহিন স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. তুহিন বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন করে ছোলা, চিনি, মসুর ডাল ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। শুক্রবার খুচরা চিনি মান ভেদে বিক্রি করছি ৫৫-৬০ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৫২-৫৫ টাকা। এদিন ছোলা বিক্রি হয় মানভেদে ৮০-৮৫ টাকা কেজি। যা আগে ৭০-৭৫ টাকায় বিক্রি করেছি। এছাড়া মসুরের ডাল বিক্রি করছি ৯৫-১০০ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ৮৫-৯০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ২৮-৩৫ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ২৫-৩০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৫-২৮ টাকা কেজি। যা ৭ দিন আগে বিক্রি হয়েছে ২২-২৬ টাকায়। তিনি আরও বলেন, পাইকারি বাজারে এসব পণ্যের দাম নতুন করে বাড়ানো হয়েছে। পাইকারদের কাছে দাম বাড়ার কথা জানতে চাইলে তারা বলেন, মোকাম থেকে তাদের বেশি দাম দিয়ে আনতে হচ্ছে। আর আমাদের মতো খুচরা বিক্রেতারা বেশি দামে কেনার পর তো বেশি দামেই বিক্রি করবে।

অন্যদিকে রাজধানীর পাইকারি মার্কেট কারওয়ান বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার পাইকারি পর্যায়ে চিনি বিক্রি হয়েছে ৫২ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ৪৯ টাকায়। ছোলা বিক্রি হয়েছে ৭২ টাকা কেজি। যা ৭ দিন আগে বিক্রি হয় ৬৬ টাকা থেকে ৬৮ টাকা কেজি। মসুরের ডাল বিক্রি হয়েছে ৮৮-৯০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮২ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২১ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭ টাকা। একই বাজারের পাইকারি বিক্রেতা মো. আলাউদ্দিন বলেন, মোকাম এসব পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই বেশি দামে পণ্যগুলো কিনতে হচ্ছে। আর এ হিসাবেই বিক্রি করতে হচ্ছে বেশি দামে। খাতুনগঞ্জের শাহ আমানত ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. মহিউদ্দিন জানান, বাজারে রোজার পণ্যের কোনো সংকট নেই। মাঝে-মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ে। তখন ব্যবসায়ীরা সেই দরের সঙ্গে সমন্ব^য় করেন। এতে জিনিসপত্রের দাম সাময়িকভাবে বেড়ে যায়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন ২৪ এপ্রিল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা আছে ২৪ এপ্রিল চিনির আন্তর্জাতিক দাম ৩০ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩৬ টাকা। একইভাবে এ দিন ছোলার দাম দেয়া আছে ৫৯ টাকা কেজি। যা গত এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬০ টাকা। ২৪ এপ্রিল মসুরের ডালের কেজি ৪৫ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ ১৩-১৪ টাকা কেজি। এ তালিকায় দেখা যায় রমজান নির্ভর এ চার পণ্যের গত এক সপ্তাহ আগের তুলনায় ২৪ এপ্রিল দাম কমেছে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা বলছেন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে, তাই এ চার পণ্যের দাম আমাদের বাজারেও বেড়েছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, একজন ব্যবসায়ী আজকে যে পণ্য বাজারে তুলেছেন, সেটা অনেকদিন আগের এলসির। সেই হিসাবে বর্তমানে পণ্যের দাম আজকের আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের কোনো সুযোগ নেই। এটা অসাধুতা। কিন্তু দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে গত এক সপ্তাহের তুলনায় পণ্যের দাম কমেছে। তবুও তারা কারসাজির আশ্রয় নিয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছে। তাই বাজারে কঠোর মনিটরিং দরকার। আর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অসাধুদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

এদিকে বিভিন্ন কাঁচাবাজারে দেখা গেছে, দাম বেড়েছে রোজার অতি প্রয়োজনীয় সবজি শসা ও বেগুনের। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে শসা বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকা কেজি। আর গত সপ্তাহে ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বেগুন শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা কেজি। এছাড়া বাজার ও মানভেদে কাঁচা পেঁপে বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে যা ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে গরুর মাংস বাজার ভেদে বিক্রি হয়েছে ৫৪০-৫৬০ টাকা কেজি। ব্রয়লার মুরগির কেজি আগের সপ্তাহের মতোই ১৬০-১৭৫ টাকা কেজি। তবে কারওয়ান বাজারে ১৫৫-১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে এ মুরগি। তাছাড়া লাল লেয়ার মুরগি বিক্রি হয়েছে ২১০-২২০ টাকা কেজি। সোনালি কক বিক্রি হয়েছে ২৭০-২৮০ টাকা কেজি। পাঙ্গাশ ও তেলাপিয়া ছাড়া সব মাছই বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৪০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৬০-১৮০ টাকা, রুই আকারভেদে ৩৫০-৬০০ টাকা, পাবদা ৬০০-৭০০ টাকা, টেংরা ৭০০-৭৫০ টাকা, শিং ৪০০-৫৫০ টাকা কেজি, বোয়াল ৫০০-৮০০ টাকা ও চিতল ৫০০-৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, রমজান উপলক্ষে আমাদের বাজার তদারকি টিম কাজ করছে। বিশেষ করে রমজাননির্ভর পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আজ থেকে স্পেশাল মনিটরিং শুরু হবে। খুচরা, পাইকারি ও মোকামে অভিযান চালানো হবে। অনৈতিকভাবে দাম বাড়ালে অসাধুদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। কোনোভাবে অসাধুদের ছাড় দেয়া হবে না।

08 April 2019

রোজায় খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণের সুপারিশ

রোজায় খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণের সুপারিশ


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ রোজায় খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

এ ক্ষেত্রে কমিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে সমন্বয় সভা করে সমস্যা সমাধানেরও পরামর্শ দিয়েছে। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে ভেজালমুক্ত খাদ্য অভিযান জোরদার করতে মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া ধান, গম ও অন্যান্য খাদ্যশস্যের সরকারি ধার্যমূল্য যাতে কৃষক পান সে জন্য তদারকি জোরদার করতে পরামর্শ দেয়া হয়। একই সঙ্গে বিদেশি চাল আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেয়া হয়।

কমিটি পরামর্শ দিয়েছে, দেশে যাতে কোনো ধরনের কৃত্রিম খাদ্য সংকট তৈরি না হয় সেজন্য চালের যে হিসাবের কথা বলা হয় গুদামে চালের সেই পরিমাণ মজুদ আছে কি না বা সরবরাহ করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নজরদারিতে রাখতে হবে।

27 March 2019

রমজানে ভোগ্য পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা নেইঃ বাণিজ্যমন্ত্রী

রমজানে ভোগ্য পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা নেইঃ বাণিজ্যমন্ত্রী


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ আসন্ন পবিত্র রমজানে ভোগ্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেছেন, শীর্ষ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন- ভোগ্য পণ্যের দামের চেইনটা যদি দেখভাল করা যায়, তাহলে পণ্যের দাম বৃদ্ধি হবে না। আর আমরা এটা গুরুত্বসহকারে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেখব। আর স্তরভিত্তিক মূল্য চেইনের বিষয়ে ব্যবসায়ীরাও একমত হয়েছেন। এমনকি আড়তদারদের অনেকে বলেছেন, তারা কেজি প্রতি ৫০ পয়সা লাভ করতে পারলেই যথেষ্ট। ফলে রমজানে ভোগ্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কোনো আশঙ্কা আমরা দেখছি না।

বুধবার (২৭ মার্চ) সচিবালয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। আসছে রমজানে ভোগ্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি রোধে এ বৈঠকটির আয়োজন করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পজেটিভ আছে, সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সঙ্গে কাজ করে আমরা এটা নিয়ন্ত্রণ করে যাব। চাঁদাবাজি ঠেকাতে থানা, এসপি লেভেল ছাড়াও প্রয়োজনে আমরা একটি কল সেন্টার করে দেব। যাতে করে যে কেউ চাঁদাবাজি হচ্ছে তা জানালে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

রাস্তায় ট্রাকে চাঁদাবাজি একটি বড় হেডেক উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাস্তায় ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও এ বিষয়ে যথেষ্ট শক্ত কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই চাঁদাবাজি মানব না। প্রতিটি পয়েন্টে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হবে। চাঁদাবাজির জন্য মানুষদের বেশি টাকা দিয়ে পণ্য ক্রয় করতে হবে কেন?

টিপু মুনশি বলেন, আমরা দেখি রংপুর বা বগুড়ায় যে সবজির দাম ১০ টাকা কেজি, তা ঢাকায় এসে দাম বেড়ে হয়ে যায় ৪০ টাকা কেজি। বিক্রেতাদের প্রশ্ন করলে তারা বলে, পথে পথে চাঁদাবাজি হয়। এই চাঁদাবাজির জন্য আর ভোগ্য পণ্যের দাম বাড়ার কোনো সুযোগ নাই।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা একটি ক্লু দিয়েছেন, সেটা আমরা ফলো করব। আর সেটা হচ্ছে মিল থেকে যে দামে পণ্য বিক্রয় করা হয় তা থেকে প্রতি কেজিতে পঞ্চাশ পয়সা হোল সেলাররা লাভ করবে। আর সেই পণ্যের ওপর আড়তদাররা যদি একটি ছোট অঙ্কের লাভ করে ছেড়ে দেয় এবং রিটেইলার (খুচরা ব্যবসায়ি) যদি প্রতি কেজি বা এককের পণ্যের ওপর পরিবহন খরচসহ বিভিন্ন খরচ বিবেচনা করে এবং সর্বোচ্চ ৫ টাকা লাভের পর ভোক্তাদের কাছে বিক্রয় করে তাহলে ভোগ্য পণ্যের দাম বৃদ্ধির কোনো সুযোগ নাই।

মন্ত্রী বলেন, আমি এখানে দেখছি ভোগ্য পণ্যের দাম বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই। এখানে ব্যবসায়ীদের মুখ থেকেও একই কথা আসছে। আমরা সবাই মিলে কাজ করতে পারলে এটার সমাধান সম্ভব। আর এটা হতে হবে। আমরা যদি মনে করি রমজান মাস একটি পবিত্র মাস, এই মাসে মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া ঠিক নয়। এটা যদি আমরা মেইনটেইন করি তাহলে আল্লাহ তায়ালাও আমাদের ওপর খুশি হবেন।

তিনি বলেন, দুস্থ সাধারণ মানুষ যাতে কষ্ট না পায় সে বিষয়ে আমরা চিন্তা করি। আর আমি একজন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি। যদি ভোগ্য পণ্যের দাম স্বাভাবিক না থাকে তাহলে আমি বিব্রত হব। আমি আপনাদের অনুরোধ করি বাণিজ্যমন্ত্রীর মুখে যেন চুনকালি না পড়ে।

02 March 2019

নৌকায় নৌকায় ঢেউয়ের ওপরে ভাসমান কৃষি হাট

নৌকায় নৌকায় ঢেউয়ের ওপরে ভাসমান কৃষি হাট

ছবিঃ সংগৃহীত
স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ প্রভাতের সূর্য উদয়ের মধ্য দিয়েই ঢেউয়ের ওপরে বসে ভাসমান কৃষি পণ্যের হাট। নৌকায় নৌকায় চলে শাক সবজির, ধান, চাল, মাছ, ফল, আখ, নারকেলসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা। দুপুর হওয়ার আগে ভেয়ে যায় হাট।

অর্ধশত বছরের ভাসমান সবজিরহাট বসছে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার বৈঠাকাটা বাজার সংলগ্ন বেলুয়া নদীতে। সপ্তাহের শনিবার ও মঙ্গলবার এই হাট বসে। ৬৫ বছর ধরে স্থানীয় ২০ থেকে ২৫ গ্রামের কৃষকরা এই হাটে বেচাবিক্রি করে চলেছেন।

দৃষ্টিনন্দন এই হাট দেখতে চাইলে যেতে হবে নাজিরপুর উপজেলা সদর থেকে ১৮ কিলেমিটার দূরে বেলুয়া নদী। বৈঠাকাটা বাজার ও বেলুয়া মুগারঝোর গ্রামের পাশ দিয়ে এই নদীর দেখা মিলবে। বেলুয়ানদীর এই হাটে মিলবে শালগম, বাঁধাকপি, ফুলকপি, টমেটো, বেগুন, মরিচ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, শিম, লাউ, করল্লা, কচুসহ ও নানা জাতের শাক সবজি। সবজির ছাড়াও আরো পাওয়া যাবে ফুলের চারাধান, চাল, মুড়ি ও নারকেলের হাট। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের মাছ ও মাছ ধরার সরঞ্জাম।

১৯৫৪ সালে বৈঠাকাটা বাজারের পাশে বেলুয়া নদীতে ভাসমান হাট বসা শুরু করে। দিনে দিনে হাটের ব্যাপ্তি বেড়ে চলছে। পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া, মুগারঝোর, মনোহরপুর, গাঁওখালী, চাঁদকাঠি, ডুমুরিয়া, সাচিয়া, লড়া, বইবুনিয়া, পেনাখালী, নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া, গগণ, মলুহার, কাটাখালী, উলুহার, জনতা, বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি, উমারেরপাড়, উদয়কাঠী, কদমবাড়ি, বাইশাড়ি, চৌমোহনাসহ আশপাশের আরও কয়েকটি গ্রামের কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য এ হাটে বিক্রি করেন।

এই হাট থেকে পণ্য কিনে ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। এ হাটের কৃষিপণ্য ইউরোপের বাজারেও রপ্তানি হয়।ভাসমানবাজার ও এই অঞ্চলের মানুষের বৈচিত্রময় জীবনধারাকে কেন্দ্র করে এখানে গড়ে উঠতে পারেনপর্যটন কেন্দ্র। তথ্যঃ যুগান্তর

26 January 2019

দাম কমেছে পেঁয়াজ-আলুর, বেড়েছে তেল-মসলার

দাম কমেছে পেঁয়াজ-আলুর, বেড়েছে তেল-মসলার


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীতে পাইকারি পর্যায়ে দুই দফায় কেজিতে ৫-৬ টাকা কমেছে দেশি পেঁয়াজ ও আলুর দাম। বর্তমানে প্রতিকেজি দেশি আলু ১১-১২ টাকা আর পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪-১৫ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভরা মৌসুমে সরবরাহ বাড়ায় এক বছরের মধ্যে এখন সর্বনিম্ন পণ্য দুটির দাম। চালের বাজার স্থিতিশীল থাকলেও চলতি সপ্তাহে খানিকটা উর্ধ্বমুখী সয়াবিন তেল ও মসলার বাজার। 

রাজধানীতে ভোগ্য পণ্যের অন্যতম প্রধান পাইকারি আড়ৎ মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট। শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ক্রেতা-বিক্রেতার এমন ব্যস্ততা বলে দিচ্ছে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুন ও আলুসহ অন্যান্য নিত্য পণ্যের।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সপ্তাহ খানিক আগে প্রতিকেজি ১৭-১৮ টাকায় বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজের দাম কমে দাঁড়িয়েছে ১৪-১৫ টাকায়। দাম কমার এই দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আদা। কেজিতে কমেছে ১০ টাকা পর্যন্ত। সুখবর রয়েছে আলু ও রসুনের দামেও। তবে দেশিয়ভাবে উৎপাদন হওয়া এসব পণ্যের দাম মাত্রাতিরিক্তি কমে গেলে চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাকেও উড়িয়ে দিচ্ছেন না পাইকাররা।

সপ্তাহ শেষে কিছুটা অস্বস্তি বেড়েছে খোলা সয়াবিন তেল ও কয়েকটি মসলার দামে। পাইকারিতে মানভেদে প্রতি কেজি মসুর ডাল ৮১-৯০ টাকা আর চিনি বিক্রি হচ্ছে ৪৭-৪৮ টাকায়। দাম বাড়ার কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারের উর্ধ্বগতিকেই দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা।

সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা ও সরকারি তৎপরতা অব্যহত থাকায় স্থিতিশীল রয়েছে চালের দাম। বাজারে প্রতিকেজি মিনিকেট মানভেদে ৪৮-৫১ টাকা, বিআর আটাশ ৩৪-৩৬ টাকা ও মোটা চাল বিক্রি করছেন ৩১-৩৩ টাকা দরে।